ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ ١٧
‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’।
কোরআন
আন-নাযি'আত ১৭ - আন-নাযি'আত ৪৬
আয়াত-৪৬, মক্কি
ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ ١٧
‘ফির‘আউনের কাছে যাও, নিশ্চয় সে সীমালংঘন করেছে’।
فَقُلْ هَل لَّكَ إِلَىٰٓ أَن تَزَكَّىٰ ١٨
অতঃপর বল ‘তোমার কি ইচ্ছা আছে যে, তুমি পবিত্র হবে’?
وَأَهْدِيَكَ إِلَىٰ رَبِّكَ فَتَخْشَىٰ ١٩
‘আর আমি তোমাকে তোমার রবের দিকে পথ দেখাব, যাতে তুমি তাঁকে ভয় কর?’
فَأَرَىٰهُ ٱلْـَٔايَةَ ٱلْكُبْرَىٰ ٢٠
অতঃপর মূসা তাকে বিরাট নিদর্শন দেখাল।
فَكَذَّبَ وَعَصَىٰ ٢١
কিন্তু সে অস্বীকার করল এবং অমান্য করল।
ثُمَّ أَدْبَرَ يَسْعَىٰ ٢٢
তারপর সে ফাসাদ করার চেষ্টায় প্রস্থান করল।
فَحَشَرَ فَنَادَىٰ ٢٣
অতঃপর সে লোকদেরকে একত্র করে ঘোষণা দিল।
فَقَالَ أَنَا۠ رَبُّكُمُ ٱلْأَعْلَىٰ ٢٤
আর বলল, ‘আমিই তোমাদের সর্বোচ্চ রব’।
فَأَخَذَهُ ٱللَّهُ نَكَالَ ٱلْـَٔاخِرَةِ وَٱلْأُولَىٰٓ ٢٥
অবশেষে আল্লাহ তাকে আখিরাত ও দুনিয়ার আযাবে পাকড়াও করলেন।
إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَعِبْرَةًۭ لِّمَن يَخْشَىٰٓ ٢٦
নিশ্চয় যে ভয় করে তার জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে।
ءَأَنتُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَمِ ٱلسَّمَآءُ ۚ بَنَىٰهَا ٢٧
তোমাদেরকে সৃষ্টি করা অধিক কঠিন, না আসমান সৃষ্টি? তিনি তা বানিয়েছেন।
رَفَعَ سَمْكَهَا فَسَوَّىٰهَا ٢٨
তিনি এর ছাদকে উচ্চ করেছেন এবং তাকে সুসম্পন্ন করেছেন।
وَأَغْطَشَ لَيْلَهَا وَأَخْرَجَ ضُحَىٰهَا ٢٩
আর তিনি এর রাতকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করেছেন এবং এর দিবালোক প্রকাশ করেছেন।
وَٱلْأَرْضَ بَعْدَ ذَٰلِكَ دَحَىٰهَآ ٣٠
এরপর তিনি যমীনকে বিস্তীর্ণ করেছেন।
أَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَمَرْعَىٰهَا ٣١
তিনি তার ভিতর থেকে বের করেছেন তার পানি ও তার তৃণভূমি।
وَٱلْجِبَالَ أَرْسَىٰهَا ٣٢
আর পর্বতগুলোকে তিনি দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
مَتَـٰعًۭا لَّكُمْ وَلِأَنْعَـٰمِكُمْ ٣٣
তোমাদের ও তোমাদের চতুষ্পদ জন্তুগুলোর জীবনোপকরণস্বরূপ।
فَإِذَا جَآءَتِ ٱلطَّآمَّةُ ٱلْكُبْرَىٰ ٣٤
অতঃপর যখন মহাপ্রলয় আসবে।
يَوْمَ يَتَذَكَّرُ ٱلْإِنسَـٰنُ مَا سَعَىٰ ٣٥
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে তা, যা সে চেষ্টা করেছে।
وَبُرِّزَتِ ٱلْجَحِيمُ لِمَن يَرَىٰ ٣٦
আর জাহান্নামকে প্রকাশ করা হবে তার জন্য যে দেখতে পায়।
فَأَمَّا مَن طَغَىٰ ٣٧
সুতরাং যে সীমালঙ্ঘন করে।
وَءَاثَرَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا ٣٨
আর দুনিয়ার জীবনকে প্রাধান্য দেয়,
فَإِنَّ ٱلْجَحِيمَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ ٣٩
নিশ্চয় জাহান্নাম হবে তার আবাসস্থল।
وَأَمَّا مَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ وَنَهَى ٱلنَّفْسَ عَنِ ٱلْهَوَىٰ ٤٠
আর যে স্বীয় রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে এবং কুপ্রবৃত্তি থেকে নিজকে বিরত রাখে,
فَإِنَّ ٱلْجَنَّةَ هِىَ ٱلْمَأْوَىٰ ٤١
নিশ্চয় জান্নাত হবে তার আবাসস্থল।
يَسْـَٔلُونَكَ عَنِ ٱلسَّاعَةِ أَيَّانَ مُرْسَىٰهَا ٤٢
তারা তোমাকে কিয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, ‘তা কখন ঘটবে’?
فِيمَ أَنتَ مِن ذِكْرَىٰهَآ ٤٣
তা উল্লেখ করার কি জ্ঞান তোমার আছে?
إِلَىٰ رَبِّكَ مُنتَهَىٰهَآ ٤٤
এর প্রকৃত জ্ঞান তোমার রবের কাছেই।
إِنَّمَآ أَنتَ مُنذِرُ مَن يَخْشَىٰهَا ٤٥
তুমিতো কেবল তাকেই সতর্ককারী, যে একে ভয় করে ।
كَأَنَّهُمْ يَوْمَ يَرَوْنَهَا لَمْ يَلْبَثُوٓا۟ إِلَّا عَشِيَّةً أَوْ ضُحَىٰهَا ٤٦
যেদিন তারা তা দেখবে, সেদিন তাদের মনে হবে, যেন তারা (দুনিয়ায়) এক সন্ধ্যা বা এক সকালের বেশী অবস্থান করেনি।
32
18