إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا ٣١
নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সফলতা।
কোরআন
আন-নাবা ৩১ - আন-নাযি'আত ১৬
আয়াত-৪০, মক্কি
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ مَفَازًا ٣١
নিশ্চয় মুত্তাকীদের জন্য রয়েছে সফলতা।
حَدَآئِقَ وَأَعْنَـٰبًۭا ٣٢
উদ্যানসমূহ ও আঙ্গুরসমূহ।
وَكَوَاعِبَ أَتْرَابًۭا ٣٣
আর সমবয়স্কা উদ্ভিন্ন যৌবনা তরুণী।
وَكَأْسًۭا دِهَاقًۭا ٣٤
আর পরিপূর্ণ পানপাত্র।
لَّا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًۭا وَلَا كِذَّٰبًۭا ٣٥
তারা সেখানে কোন অসার ও মিথ্যা কথা শুনবে না।
جَزَآءًۭ مِّن رَّبِّكَ عَطَآءً حِسَابًۭا ٣٦
তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দানস্বরূপ।
رَّبِّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا ٱلرَّحْمَـٰنِ ۖ لَا يَمْلِكُونَ مِنْهُ خِطَابًۭا ٣٧
যিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এতদোভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছুর রব, পরম করুণাময়। তারা তাঁর সামনে কথা বলার সামর্থ্য রাখবে না।
يَوْمَ يَقُومُ ٱلرُّوحُ وَٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ صَفًّۭا ۖ لَّا يَتَكَلَّمُونَ إِلَّا مَنْ أَذِنَ لَهُ ٱلرَّحْمَـٰنُ وَقَالَ صَوَابًۭا ٣٨
সেদিন রূহ* ও ফেরেশতাগণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াবে, যাকে পরম করুণাময় অনুমতি দেবেন সে ছাড়া অন্যরা কোন কথা বলবে না। আর সে সঠিক কথাই বলবে। *হযরত জিবরীল (আঃ)।
ذَٰلِكَ ٱلْيَوْمُ ٱلْحَقُّ ۖ فَمَن شَآءَ ٱتَّخَذَ إِلَىٰ رَبِّهِۦ مَـَٔابًا ٣٩
ঐ দিনটি সত্য। অতএব যে চায়, সে তার রবের নিকট আশ্রয় গ্রহণ করুক।
إِنَّآ أَنذَرْنَـٰكُمْ عَذَابًۭا قَرِيبًۭا يَوْمَ يَنظُرُ ٱلْمَرْءُ مَا قَدَّمَتْ يَدَاهُ وَيَقُولُ ٱلْكَافِرُ يَـٰلَيْتَنِى كُنتُ تُرَٰبًۢا ٤٠
নিশ্চয় আমি তোমাদেরকে একটি নিকটবর্তী আযাব সম্পর্কে সতর্ক করলাম। যেদিন মানুষ দেখতে পাবে, তার দু’হাত কী অগ্রে প্রেরণ করেছে এবং কাফির বলবে ‘হায়, আমি যদি মাটি হতাম’!
আয়াত-৪৬, মক্কি
وَٱلنَّـٰزِعَـٰتِ غَرْقًۭا ١
কসম নির্মমভাবে (কাফিরদের রূহ) উৎপাটনকারীদের।* * ১-৫ নং আয়াতে বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত ফেরেশতাদের কসম করা হয়েছে।
وَٱلنَّـٰشِطَـٰتِ نَشْطًۭا ٢
আর কসম সহজভাবে বন্ধনমুক্তকারীদের।
وَٱلسَّـٰبِحَـٰتِ سَبْحًۭا ٣
আর কসম দ্রুতগতিতে সন্তরণকারীদের।
فَٱلسَّـٰبِقَـٰتِ سَبْقًۭا ٤
আর দ্রুতবেগে অগ্রসরমানদের।
فَٱلْمُدَبِّرَٰتِ أَمْرًۭا ٥
অতঃপর কসম সকল কার্যনির্বাহকারীদের।
يَوْمَ تَرْجُفُ ٱلرَّاجِفَةُ ٦
সেদিন কম্পনকারী* প্রকম্পিত করবে। *অর্থাৎ প্রথম শিংগাধ্বনি।
تَتْبَعُهَا ٱلرَّادِفَةُ ٧
তাকে অনুসরণ করবে পরবর্তী কম্পনকারী।* *দ্বিতীয় শিংগাধ্বনি।
قُلُوبٌۭ يَوْمَئِذٍۢ وَاجِفَةٌ ٨
সেদিন অনেক হৃদয় ভীত-সন্ত্রস্ত হবে।
أَبْصَـٰرُهَا خَـٰشِعَةٌۭ ٩
তাদের দৃষ্টিসমূহ নত হবে।
يَقُولُونَ أَءِنَّا لَمَرْدُودُونَ فِى ٱلْحَافِرَةِ ١٠
তারা বলে, ‘আমরা কি পূর্বাবস্থায় প্রত্যাবর্তিত হবই,
أَءِذَا كُنَّا عِظَـٰمًۭا نَّخِرَةًۭ ١١
যখন আমরা চূর্ণ-বিচূর্ণ হাড় হয়ে যাব’?
قَالُوا۟ تِلْكَ إِذًۭا كَرَّةٌ خَاسِرَةٌۭ ١٢
তারা বলে, ‘তাহলে তা তো এক ক্ষতিকর প্রত্যাবর্তন’।
فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌۭ وَٰحِدَةٌۭ ١٣
আর ওটা তো কেবল এক বিকট আওয়াজ।
فَإِذَا هُم بِٱلسَّاهِرَةِ ١٤
তৎক্ষনাৎ তারা ভূ-পৃষ্ঠে উপস্থিত হবে।
هَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ ١٥
মূসার বৃত্তান্ত তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?
إِذْ نَادَىٰهُ رَبُّهُۥ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًى ١٦
যখন তার রব তাকে পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় ডেকেছিলেন,
32
18