فَقُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ١٩
অতঃপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল?
কোরআন
আল-মুদ্দাসসির ১৯ - আল-মুদ্দাসসির ৪৭
আয়াত-৫৬, মক্কি
فَقُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ١٩
অতঃপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল?
ثُمَّ قُتِلَ كَيْفَ قَدَّرَ ٢٠
তারপর সে ধ্বংস হোক! কীভাবে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল?
ثُمَّ نَظَرَ ٢١
তারপর সে তাকাল।
ثُمَّ عَبَسَ وَبَسَرَ ٢٢
তারপর সে ভ্রূকুঞ্চিত করল এবং মুখ বিকৃত করল।
ثُمَّ أَدْبَرَ وَٱسْتَكْبَرَ ٢٣
তারপর সে পিছনে ফিরল এবং অহংকার করল।
فَقَالَ إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا سِحْرٌۭ يُؤْثَرُ ٢٤
অতঃপর সে বলল, ‘এ তো লোক পরম্পরায়প্রাপ্ত যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়’।
إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا قَوْلُ ٱلْبَشَرِ ٢٥
‘এটা তো মানুষের কথামাত্র’।
سَأُصْلِيهِ سَقَرَ ٢٦
অচিরেই আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাব।
وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا سَقَرُ ٢٧
কিসে তোমাকে জানাবে জাহান্নামের আগুন কী?
لَا تُبْقِى وَلَا تَذَرُ ٢٨
এটা অবশিষ্টও রাখবে না এবং ছেড়েও দেবে না।
لَوَّاحَةٌۭ لِّلْبَشَرِ ٢٩
চামড়াকে দগ্ধ করে কালো করে দেবে।
عَلَيْهَا تِسْعَةَ عَشَرَ ٣٠
তার উপর রয়েছে ঊনিশজন (প্রহরী)।
وَمَا جَعَلْنَآ أَصْحَـٰبَ ٱلنَّارِ إِلَّا مَلَـٰٓئِكَةًۭ ۙ وَمَا جَعَلْنَا عِدَّتَهُمْ إِلَّا فِتْنَةًۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لِيَسْتَيْقِنَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ وَيَزْدَادَ ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِيمَـٰنًۭا ۙ وَلَا يَرْتَابَ ٱلَّذِينَ أُوتُوا۟ ٱلْكِتَـٰبَ وَٱلْمُؤْمِنُونَ ۙ وَلِيَقُولَ ٱلَّذِينَ فِى قُلُوبِهِم مَّرَضٌۭ وَٱلْكَـٰفِرُونَ مَاذَآ أَرَادَ ٱللَّهُ بِهَـٰذَا مَثَلًۭا ۚ كَذَٰلِكَ يُضِلُّ ٱللَّهُ مَن يَشَآءُ وَيَهْدِى مَن يَشَآءُ ۚ وَمَا يَعْلَمُ جُنُودَ رَبِّكَ إِلَّا هُوَ ۚ وَمَا هِىَ إِلَّا ذِكْرَىٰ لِلْبَشَرِ ٣١
আর আমি ফেরেশতাদেরকেই জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক বানিয়েছি। আর কাফিরদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ আমি তাদের সংখ্যা নির্ধারণ করেছি। যাতে কিতাবপ্রাপ্তরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে; আর মুমিনদের ঈমান বেড়ে যায় এবং কিতাবপ্রাপ্তরা ও মুমিনরা সন্দেহ পোষণ না করে। আর যেন যাদের অন্তরে রোগ আছে তারা এবং অবশিষ্টরা বলে, এরূপ উপমা দ্বারা আল্লাহ কী ইচ্ছা করেছেন? এভাবেই আল্লাহ যাকে ইচ্ছা পথভ্রষ্ট করেন আর যাকে ইচ্ছা সঠিক পথে পরিচালিত করেন। আর তোমার রবের বাহিনী সম্পর্কে তিনি ছাড়া কেউ জানেন না। আর এ হচ্ছে মানুষের জন্য উপদেশমাত্র।
كَلَّا وَٱلْقَمَرِ ٣٢
কখনো নয়, চাঁদের কসম!
وَٱلَّيْلِ إِذْ أَدْبَرَ ٣٣
রাতের কসম, যখন তা সরে চলে যায়,
وَٱلصُّبْحِ إِذَآ أَسْفَرَ ٣٤
প্রভাতের কসম, যখন তা উদ্ভাসিত হয়।
إِنَّهَا لَإِحْدَى ٱلْكُبَرِ ٣٥
নিশ্চয় জাহান্নাম মহাবিপদসমূহের অন্যতম।
نَذِيرًۭا لِّلْبَشَرِ ٣٦
মানুষের জন্য সতর্ককারীস্বরূপ।
لِمَن شَآءَ مِنكُمْ أَن يَتَقَدَّمَ أَوْ يَتَأَخَّرَ ٣٧
তোমাদের মধ্যে যে চায় অগ্রসর হতে অথবা পিছিয়ে থাকতে, তার জন্য।
كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا كَسَبَتْ رَهِينَةٌ ٣٨
প্রতিটি প্রাণ নিজ অর্জনের কারণে দায়বদ্ধ।
إِلَّآ أَصْحَـٰبَ ٱلْيَمِينِ ٣٩
কিন্তু ডান দিকের লোকেরা নয়,
فِى جَنَّـٰتٍۢ يَتَسَآءَلُونَ ٤٠
বাগ-বাগিচার মধ্যে তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসা করবে,
عَنِ ٱلْمُجْرِمِينَ ٤١
অপরাধীদের সম্পর্কে,
مَا سَلَكَكُمْ فِى سَقَرَ ٤٢
কিসে তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করাল?
قَالُوا۟ لَمْ نَكُ مِنَ ٱلْمُصَلِّينَ ٤٣
তারা বলবে, ‘আমরা সালাত আদায়কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’।
وَلَمْ نَكُ نُطْعِمُ ٱلْمِسْكِينَ ٤٤
‘আর আমরা অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করতাম না’।
وَكُنَّا نَخُوضُ مَعَ ٱلْخَآئِضِينَ ٤٥
‘আর আমরা অনর্থক আলাপকারীদের সাথে (বেহুদা আলাপে) মগ্ন থাকতাম’।
وَكُنَّا نُكَذِّبُ بِيَوْمِ ٱلدِّينِ ٤٦
‘আর আমরা প্রতিদান দিবসকে অস্বীকার করতাম’।
حَتَّىٰٓ أَتَىٰنَا ٱلْيَقِينُ ٤٧
'অবশেষে আমাদের কাছে মৃত্যু আগমন করে'।
32
18