وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنْ غِسْلِينٍۢ ٣٦
আর ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না,
কোরআন
আল-হাক্কাহ ৩৬ - আল-মা'আরিজ ১০
আয়াত-৫২, মক্কি
وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنْ غِسْلِينٍۢ ٣٦
আর ক্ষত-নিংসৃত পূঁজ ছাড়া কোন খাদ্য থাকবে না,
لَّا يَأْكُلُهُۥٓ إِلَّا ٱلْخَـٰطِـُٔونَ ٣٧
অপরাধীরাই শুধু তা খাবে।
فَلَآ أُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُونَ ٣٨
অতএব তোমরা যা দেখছ, আমি তার কসম করছি।
وَمَا لَا تُبْصِرُونَ ٣٩
আর যা তোমরা দেখছ না তারও,
إِنَّهُۥ لَقَوْلُ رَسُولٍۢ كَرِيمٍۢ ٤٠
নিশ্চয়ই এটি এক সম্মানিত রাসূলের বাণী।
وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍۢ ۚ قَلِيلًۭا مَّا تُؤْمِنُونَ ٤١
আর এটি কোন কবির কথা নয়। তোমরা কমই বিশ্বাস কর।
وَلَا بِقَوْلِ كَاهِنٍۢ ۚ قَلِيلًۭا مَّا تَذَكَّرُونَ ٤٢
আর কোন গণকের কথাও নয়। তোমরা কমই উপদেশ গ্রহণ কর।
تَنزِيلٌۭ مِّن رَّبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ ٤٣
এটি সৃষ্টিকুলের রবের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত।
وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ ٱلْأَقَاوِيلِ ٤٤
যদি সে আমার নামে কোন মিথ্যা রচনা করত,
لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِٱلْيَمِينِ ٤٥
তবে আমি তার ডান হাত পাকড়াও করতাম।
ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ ٱلْوَتِينَ ٤٦
তারপর অবশ্যই আমি তার হৃদপিন্ডের শিরা কেটে ফেলতাম।
فَمَا مِنكُم مِّنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَـٰجِزِينَ ٤٧
অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউই তাকে রক্ষা করার থাকত না।
وَإِنَّهُۥ لَتَذْكِرَةٌۭ لِّلْمُتَّقِينَ ٤٨
আর এটিতো মুত্তাকীদের জন্য এক নিশ্চিত উপদেশ।
وَإِنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّ مِنكُم مُّكَذِّبِينَ ٤٩
আর আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক রয়েছে মিথ্যারোপকারী।
وَإِنَّهُۥ لَحَسْرَةٌ عَلَى ٱلْكَـٰفِرِينَ ٥٠
আর এটি নিশ্চয় কাফিরদের জন্য এক নিশ্চিত অনুশোচনার কারণ।
وَإِنَّهُۥ لَحَقُّ ٱلْيَقِينِ ٥١
আর নিশ্চয় এটি সুনিশ্চিত সত্য।
فَسَبِّحْ بِٱسْمِ رَبِّكَ ٱلْعَظِيمِ ٥٢
অতএব তুমি তোমার মহান রবের নামে তাসবীহ পাঠ কর।
আয়াত-৪৪, মক্কি
سَأَلَ سَآئِلٌۢ بِعَذَابٍۢ وَاقِعٍۢ ١
এক প্রশ্নকারী জিজ্ঞাসা করল এমন আযাব সম্পর্কে, যা আপতিত হবে-* *আয়াতটির আরেক অর্থ হল, ‘একজন প্রার্থনাকারী এমন আযাবের দো‘আ করল যা আপতিত হবে’।
لِّلْكَـٰفِرِينَ لَيْسَ لَهُۥ دَافِعٌۭ ٢
কাফিরদের উপর, যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।
مِّنَ ٱللَّهِ ذِى ٱلْمَعَارِجِ ٣
ঊর্ধ্বারোহণের সোপানসমূহের অধিকারী আল্লাহর পক্ষ থেকে,
تَعْرُجُ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ إِلَيْهِ فِى يَوْمٍۢ كَانَ مِقْدَارُهُۥ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍۢ ٤
ফেরেশতাগণ ও রূহ এমন এক দিনে আল্লাহর পানে ঊর্ধ্বগামী হয়, যার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার বছর।
فَٱصْبِرْ صَبْرًۭا جَمِيلًا ٥
অতএব তুমি উত্তমরূপে ধৈর্যধারণ কর।
إِنَّهُمْ يَرَوْنَهُۥ بَعِيدًۭا ٦
তারা তো এটিকে সুদূরপরাহত মনে করে।
وَنَرَىٰهُ قَرِيبًۭا ٧
আর আমি দেখছি তা আসন্ন।
يَوْمَ تَكُونُ ٱلسَّمَآءُ كَٱلْمُهْلِ ٨
সেদিন আসমান হয়ে যাবে গলিত ধাতুর ন্যায়।
وَتَكُونُ ٱلْجِبَالُ كَٱلْعِهْنِ ٩
এবং পর্বতসমূহ হয়ে যাবে রঙিন পশমের ন্যায়।
وَلَا يَسْـَٔلُ حَمِيمٌ حَمِيمًۭا ١٠
আর অন্তরঙ্গ বন্ধু অন্তরঙ্গ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করবে না।
32
18