وَٱلصَّـٰٓفَّـٰتِ صَفًّۭا ١
কসম সারিবদ্ধ ফেরেশতাদের,
কোরআন
আস-সাফফাত ১ - আস-সাফফাত ২৪
আয়াত-১৮২, মক্কি
وَٱلصَّـٰٓفَّـٰتِ صَفًّۭا ١
কসম সারিবদ্ধ ফেরেশতাদের,
فَٱلزَّٰجِرَٰتِ زَجْرًۭا ٢
অতঃপর (মেঘমালা) সুচারুরূপে পরিচালনাকারীদের,
فَٱلتَّـٰلِيَـٰتِ ذِكْرًا ٣
আর উপদেশ গ্রন্থ (আসমানী কিতাব) তিলাওয়াতকারীদের;
إِنَّ إِلَـٰهَكُمْ لَوَٰحِدٌۭ ٤
নিশ্চয় তোমাদের ইলাহ এক;
رَّبُّ ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ ٱلْمَشَـٰرِقِ ٥
তিনি আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু’য়ের মধ্যে যা আছে তার রব এবং রব উদয়স্থলসমূহের।
إِنَّا زَيَّنَّا ٱلسَّمَآءَ ٱلدُّنْيَا بِزِينَةٍ ٱلْكَوَاكِبِ ٦
নিশ্চয় আমি কাছের আসমানকে তারকারাজির সৌন্দর্যে সুশোভিত করেছি।
وَحِفْظًۭا مِّن كُلِّ شَيْطَـٰنٍۢ مَّارِدٍۢ ٧
আর প্রত্যেক বিদ্রোহী শয়তান থেকে হিফাযত করেছি।
لَّا يَسَّمَّعُونَ إِلَى ٱلْمَلَإِ ٱلْأَعْلَىٰ وَيُقْذَفُونَ مِن كُلِّ جَانِبٍۢ ٨
তারা ঊর্ধ্বজগতের কিছু শুনতে পারে না, কারণ প্রত্যেক দিক থেকে তাদের দিকে নিক্ষেপ করা হয় (উল্কাপিন্ড)।
دُحُورًۭا ۖ وَلَهُمْ عَذَابٌۭ وَاصِبٌ ٩
তাড়ানোর জন্য, আর তাদের জন্য আছে অব্যাহত আযাব।
إِلَّا مَنْ خَطِفَ ٱلْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌۭ ثَاقِبٌۭ ١٠
তবে কেউ সন্তর্পণে কিছু শুনে নিলে তাকে পিছু তাড়া করে জ্বলন্ত উল্কাপিন্ড।
فَٱسْتَفْتِهِمْ أَهُمْ أَشَدُّ خَلْقًا أَم مَّنْ خَلَقْنَآ ۚ إِنَّا خَلَقْنَـٰهُم مِّن طِينٍۢ لَّازِبٍۭ ١١
অতঃপর তাদেরকে জিজ্ঞাসা কর, ‘সৃষ্টি হিসেবে তারা বেশি শক্তিশালী, না আমি অন্য যা সৃষ্টি করেছি তা’? নিশ্চয় আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আঠালো মাটি থেকে।
بَلْ عَجِبْتَ وَيَسْخَرُونَ ١٢
বরং তুমি বিস্মিত হচ্ছ আর ওরা বিদ্রূপ করছে।
وَإِذَا ذُكِّرُوا۟ لَا يَذْكُرُونَ ١٣
আর যখন তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয় তখন তারা স্মরণ করে না।
وَإِذَا رَأَوْا۟ ءَايَةًۭ يَسْتَسْخِرُونَ ١٤
আর যখন তারা কোন নিদর্শন দেখে তখন বিদ্রূপ করে।
وَقَالُوٓا۟ إِنْ هَـٰذَآ إِلَّا سِحْرٌۭ مُّبِينٌ ١٥
আর বলে, ‘এতো স্পষ্ট যাদু ছাড়া আর কিছুই নয়’!
أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًۭا وَعِظَـٰمًا أَءِنَّا لَمَبْعُوثُونَ ١٦
‘আমরা যখন মারা যাব এবং মাটি ও হাড়ে পরিণত হব তখনও কি আমরা পুনরুত্থিত হব’?
أَوَءَابَآؤُنَا ٱلْأَوَّلُونَ ١٧
‘আর আমাদের পূর্ববর্তী পিতৃপুরুষগণও’?
قُلْ نَعَمْ وَأَنتُمْ دَٰخِرُونَ ١٨
বল, ‘হ্যাঁ, আর তোমরা অপমানিত-লাঞ্ছিত হবে।’
فَإِنَّمَا هِىَ زَجْرَةٌۭ وَٰحِدَةٌۭ فَإِذَا هُمْ يَنظُرُونَ ١٩
তা হবে কেবল এক আওয়াজ আর তৎক্ষণাৎ তারা দেখতে পাবে।
وَقَالُوا۟ يَـٰوَيْلَنَا هَـٰذَا يَوْمُ ٱلدِّينِ ٢٠
আর তারা বলবে, ‘হায় আমাদের ধ্বংস, এ তো প্রতিদান দিবস’!
هَـٰذَا يَوْمُ ٱلْفَصْلِ ٱلَّذِى كُنتُم بِهِۦ تُكَذِّبُونَ ٢١
এটি ফয়সালা করার দিন যা তোমরা অস্বীকার করতে।
۞ ٱحْشُرُوا۟ ٱلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ وَأَزْوَٰجَهُمْ وَمَا كَانُوا۟ يَعْبُدُونَ ٢٢
(ফেরেশতাদেরকে বলা হবে) ‘একত্র কর যালিম ও তাদের সঙ্গী-সাথীদেরকে এবং যাদের ইবাদাত তারা করত তাদেরকে।
مِن دُونِ ٱللَّهِ فَٱهْدُوهُمْ إِلَىٰ صِرَٰطِ ٱلْجَحِيمِ ٢٣
‘আল্লাহকে বাদ দিয়ে, আর তাদেরকে আগুনের পথে নিয়ে যাও’।
وَقِفُوهُمْ ۖ إِنَّهُم مَّسْـُٔولُونَ ٢٤
‘আর তাদেরকে থামাও, অবশ্যই তারা জিজ্ঞাসিত হবে’।
32
18