كَذَٰلِكَ مَآ أَتَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا قَالُوا۟ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ٥٢
এভাবে তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে যে রাসূলই এসেছে, তারা বলেছে, ‘এ তো একজন যাদুকর অথবা উন্মাদ।’
কোরআন
আয-যারিয়াত ৫২ - আত-তূর ১৪
আয়াত-৬০, মক্কি
كَذَٰلِكَ مَآ أَتَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا قَالُوا۟ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ٥٢
এভাবে তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে যে রাসূলই এসেছে, তারা বলেছে, ‘এ তো একজন যাদুকর অথবা উন্মাদ।’
أَتَوَاصَوْا۟ بِهِۦ ۚ بَلْ هُمْ قَوْمٌۭ طَاغُونَ ٥٣
তারা কি একে অন্যকে এ বিষয়ে ওসিয়াত করেছে? বরং তারা সীমালংঘনকারী কওম।
فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَآ أَنتَ بِمَلُومٍۢ ٥٤
অতএব, তুমি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, এতে তুমি তিরস্কৃত হবে না।
وَذَكِّرْ فَإِنَّ ٱلذِّكْرَىٰ تَنفَعُ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٥٥
এবং উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।
وَمَا خَلَقْتُ ٱلْجِنَّ وَٱلْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ٥٦
আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদাত করবে।
مَآ أُرِيدُ مِنْهُم مِّن رِّزْقٍۢ وَمَآ أُرِيدُ أَن يُطْعِمُونِ ٥٧
আমি তাদের কাছে কোন রিয্ক চাই না; আর আমি চাই না যে, তারা আমাকে খাবার দিবে।
إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلرَّزَّاقُ ذُو ٱلْقُوَّةِ ٱلْمَتِينُ ٥٨
নিশ্চয় আল্লাহই রিয্কদাতা, তিনি শক্তিধর, পরাক্রমশালী।
فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ ذَنُوبًۭا مِّثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَـٰبِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ ٥٩
যারা যুলম করেছে তাদের জন্য রয়েছে তাদের সমমনাদের অনুরূপ আযাব; সুতরাং তারা যেন আমার কাছে (আযাবের) তাড়াহুড়া না করে।
فَوَيْلٌۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِن يَوْمِهِمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ ٦٠
অতএব, যারা কুফরী করে তাদের জন্য ধ্বংস সেদিনের যেদিনের ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছে।
আয়াত-৪৯, মক্কি
وَٱلطُّورِ ١
কসম তূর পর্বতের,
وَكِتَـٰبٍۢ مَّسْطُورٍۢ ٢
আর কসম কিতাবের যা লিপিবদ্ধ আছে।
فِى رَقٍّۢ مَّنشُورٍۢ ٣
উন্মুক্ত পাতায়।
وَٱلْبَيْتِ ٱلْمَعْمُورِ ٤
কসম আবাদ গৃহের,* * আবাদ গৃহ বলতে সপ্তাকাশের বায়তুল মা‘মূরকে বুঝানো হয়েছে। অগণিত ফেরেশতা নিরবচ্ছিন্ন ইবাদাতে যা আবাদ রেখেছে।
وَٱلسَّقْفِ ٱلْمَرْفُوعِ ٥
আর সমুন্নত আকাশের;
وَٱلْبَحْرِ ٱلْمَسْجُورِ ٦
কসম তরঙ্গ-বিক্ষুব্ধ সাগরের,* * অন্য তাফসীর মতে-আগুনের সাগর যা দুনিয়াতে হতে পারে, অথবা কিয়ামতে।
إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ لَوَٰقِعٌۭ ٧
নিশ্চয় তোমার রবের আযাব অবশ্যম্ভাবী।
مَّا لَهُۥ مِن دَافِعٍۢ ٨
যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।
يَوْمَ تَمُورُ ٱلسَّمَآءُ مَوْرًۭا ٩
যেদিন তীব্রভাবে আকাশ প্রকম্পিত হবে,
وَتَسِيرُ ٱلْجِبَالُ سَيْرًۭا ١٠
আর পর্বতমালা দ্রুত পরিভ্রমণ করবে,
فَوَيْلٌۭ يَوْمَئِذٍۢ لِّلْمُكَذِّبِينَ ١١
অতএব মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস,
ٱلَّذِينَ هُمْ فِى خَوْضٍۢ يَلْعَبُونَ ١٢
যারা খেল-তামাশায় মত্ত থাকে।
يَوْمَ يُدَعُّونَ إِلَىٰ نَارِ جَهَنَّمَ دَعًّا ١٣
সেদিন তাদেরকে জাহান্নামের আগুনের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
هَـٰذِهِ ٱلنَّارُ ٱلَّتِى كُنتُم بِهَا تُكَذِّبُونَ ١٤
‘এটি সেই জাহান্নাম যা তোমরা অস্বীকার করতে।’
32
18