কোরআন

আল কোরআন পৃষ্ঠা ৫২৩

আয-যারিয়াত ৫২ - আত-তূর ১৪

মোট আয়াত: ২৩মোট সূরা: ২
৫১

সূরা আয-যারিয়াত

আয়াত-৬০, মক্কি

৫১:৫২

كَذَٰلِكَ مَآ أَتَى ٱلَّذِينَ مِن قَبْلِهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا قَالُوا۟ سَاحِرٌ أَوْ مَجْنُونٌ ٥٢

Ahsanul Bayaan

এভাবে তাদের পূর্ববর্তীদের মধ্য থেকে যে রাসূলই এসেছে, তারা বলেছে, ‘এ তো একজন যাদুকর অথবা উন্মাদ।’

৫১:৫৩

أَتَوَاصَوْا۟ بِهِۦ ۚ بَلْ هُمْ قَوْمٌۭ طَاغُونَ ٥٣

Ahsanul Bayaan

তারা কি একে অন্যকে এ বিষয়ে ওসিয়াত করেছে? বরং তারা সীমালংঘনকারী কওম।

৫১:৫৪

فَتَوَلَّ عَنْهُمْ فَمَآ أَنتَ بِمَلُومٍۢ ٥٤

Ahsanul Bayaan

অতএব, তুমি ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও, এতে তুমি তিরস্কৃত হবে না।

৫১:৫৫

وَذَكِّرْ فَإِنَّ ٱلذِّكْرَىٰ تَنفَعُ ٱلْمُؤْمِنِينَ ٥٥

Ahsanul Bayaan

এবং উপদেশ দিতে থাক, কারণ উপদেশ মুমিনদের উপকারে আসে।

৫১:৫৬

وَمَا خَلَقْتُ ٱلْجِنَّ وَٱلْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ ٥٦

Ahsanul Bayaan

আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদাত করবে।

৫১:৫৭

مَآ أُرِيدُ مِنْهُم مِّن رِّزْقٍۢ وَمَآ أُرِيدُ أَن يُطْعِمُونِ ٥٧

Ahsanul Bayaan

আমি তাদের কাছে কোন রিয্ক চাই না; আর আমি চাই না যে, তারা আমাকে খাবার দিবে।

৫১:৫৮

إِنَّ ٱللَّهَ هُوَ ٱلرَّزَّاقُ ذُو ٱلْقُوَّةِ ٱلْمَتِينُ ٥٨

Ahsanul Bayaan

নিশ্চয় আল্লাহই রিয্কদাতা, তিনি শক্তিধর, পরাক্রমশালী।

৫১:৫৯

فَإِنَّ لِلَّذِينَ ظَلَمُوا۟ ذَنُوبًۭا مِّثْلَ ذَنُوبِ أَصْحَـٰبِهِمْ فَلَا يَسْتَعْجِلُونِ ٥٩

Ahsanul Bayaan

যারা যুলম করেছে তাদের জন্য রয়েছে তাদের সমমনাদের অনুরূপ আযাব; সুতরাং তারা যেন আমার কাছে (আযাবের) তাড়াহুড়া না করে।

৫১:৬০

فَوَيْلٌۭ لِّلَّذِينَ كَفَرُوا۟ مِن يَوْمِهِمُ ٱلَّذِى يُوعَدُونَ ٦٠

Ahsanul Bayaan

অতএব, যারা কুফরী করে তাদের জন্য ধ্বংস সেদিনের যেদিনের ওয়াদা তাদেরকে দেয়া হয়েছে।

৫২

সূরা আত-তূর

আয়াত-৪৯, মক্কি

৫২:১

وَٱلطُّورِ ١

Ahsanul Bayaan

কসম তূর পর্বতের,

৫২:২

وَكِتَـٰبٍۢ مَّسْطُورٍۢ ٢

Ahsanul Bayaan

আর কসম কিতাবের যা লিপিবদ্ধ আছে।

৫২:৩

فِى رَقٍّۢ مَّنشُورٍۢ ٣

Ahsanul Bayaan

উন্মুক্ত পাতায়।

৫২:৪

وَٱلْبَيْتِ ٱلْمَعْمُورِ ٤

Ahsanul Bayaan

কসম আবাদ গৃহের,* * আবাদ গৃহ বলতে সপ্তাকাশের বায়তুল মা‘মূরকে বুঝানো হয়েছে। অগণিত ফেরেশতা নিরবচ্ছিন্ন ইবাদাতে যা আবাদ রেখেছে।

৫২:৫

وَٱلسَّقْفِ ٱلْمَرْفُوعِ ٥

Ahsanul Bayaan

আর সমুন্নত আকাশের;

৫২:৬

وَٱلْبَحْرِ ٱلْمَسْجُورِ ٦

Ahsanul Bayaan

কসম তরঙ্গ-বিক্ষুব্ধ সাগরের,* * অন্য তাফসীর মতে-আগুনের সাগর যা দুনিয়াতে হতে পারে, অথবা কিয়ামতে।

৫২:৭

إِنَّ عَذَابَ رَبِّكَ لَوَٰقِعٌۭ ٧

Ahsanul Bayaan

নিশ্চয় তোমার রবের আযাব অবশ্যম্ভাবী।

৫২:৮

مَّا لَهُۥ مِن دَافِعٍۢ ٨

Ahsanul Bayaan

যার কোন প্রতিরোধকারী নেই।

৫২:৯

يَوْمَ تَمُورُ ٱلسَّمَآءُ مَوْرًۭا ٩

Ahsanul Bayaan

যেদিন তীব্রভাবে আকাশ প্রকম্পিত হবে,

৫২:১০

وَتَسِيرُ ٱلْجِبَالُ سَيْرًۭا ١٠

Ahsanul Bayaan

আর পর্বতমালা দ্রুত পরিভ্রমণ করবে,

৫২:১১

فَوَيْلٌۭ يَوْمَئِذٍۢ لِّلْمُكَذِّبِينَ ١١

Ahsanul Bayaan

অতএব মিথ্যারোপকারীদের জন্য সেদিনের ধ্বংস,

৫২:১২

ٱلَّذِينَ هُمْ فِى خَوْضٍۢ يَلْعَبُونَ ١٢

Ahsanul Bayaan

যারা খেল-তামাশায় মত্ত থাকে।

৫২:১৩

يَوْمَ يُدَعُّونَ إِلَىٰ نَارِ جَهَنَّمَ دَعًّا ١٣

Ahsanul Bayaan

সেদিন তাদেরকে জাহান্নামের আগুনের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

৫২:১৪

هَـٰذِهِ ٱلنَّارُ ٱلَّتِى كُنتُم بِهَا تُكَذِّبُونَ ١٤

Ahsanul Bayaan

‘এটি সেই জাহান্নাম যা তোমরা অস্বীকার করতে।’

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18