কোরআন

আল কোরআন পৃষ্ঠা ৫২৬

আন-নাজম ১ - আন-নাজম ২৬

মোট আয়াত: ২৬মোট সূরা: ১
৫৩

সূরা আন-নাজম

আয়াত-৬২, মক্কি

৫৩:১

وَٱلنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ ١

Ahsanul Bayaan

কসম নক্ষত্রের, যখন তা অস্ত যায়।

৫৩:২

مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَىٰ ٢

Ahsanul Bayaan

তোমাদের সঙ্গী পথভ্রষ্ট হয়নি এবং বিপথগামীও হয়নি।

৫৩:৩

وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلْهَوَىٰٓ ٣

Ahsanul Bayaan

আর সে মনগড়া কথা বলে না।

৫৩:৪

إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْىٌۭ يُوحَىٰ ٤

Ahsanul Bayaan

তাতো কেবল ওহী, যা তার প্রতি ওহীরূপে প্রেরণ করা হয়।

৫৩:৫

عَلَّمَهُۥ شَدِيدُ ٱلْقُوَىٰ ٥

Ahsanul Bayaan

তাকে শিক্ষা দিয়েছে প্রবল শক্তিধর,

৫৩:৬

ذُو مِرَّةٍۢ فَٱسْتَوَىٰ ٦

Ahsanul Bayaan

প্রজ্ঞার অধিকারী*। অতঃপর সে স্থির হয়েছিল, * জিবরীল।

৫৩:৭

وَهُوَ بِٱلْأُفُقِ ٱلْأَعْلَىٰ ٧

Ahsanul Bayaan

তখন সে ঊর্ধ্ব দিগন্তে।

৫৩:৮

ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّىٰ ٨

Ahsanul Bayaan

তারপর সে নিকটবর্তী হল, অতঃপর আরো কাছে এল।

৫৩:৯

فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ ٩

Ahsanul Bayaan

তখন সে নৈকট্য ছিল দু’ ধনুকের পরিমাণ, অথবা তারও কম।

৫৩:১০

فَأَوْحَىٰٓ إِلَىٰ عَبْدِهِۦ مَآ أَوْحَىٰ ١٠

Ahsanul Bayaan

অতঃপর তিনি তাঁর বান্দার প্রতি যা ওহী করার তা ওহী করলেন।

৫৩:১১

مَا كَذَبَ ٱلْفُؤَادُ مَا رَأَىٰٓ ١١

Ahsanul Bayaan

সে যা দেখেছে, অন্তকরণ সে সম্পর্কে মিথ্যা বলেনি।

৫৩:১২

أَفَتُمَـٰرُونَهُۥ عَلَىٰ مَا يَرَىٰ ١٢

Ahsanul Bayaan

সে যা দেখেছে, সে সম্পর্কে তোমরা কি তার সাথে বিতর্ক করবে?

৫৩:১৩

وَلَقَدْ رَءَاهُ نَزْلَةً أُخْرَىٰ ١٣

Ahsanul Bayaan

আর সে তো তাকে* আরেকবার** দেখেছিল। * জিবরীলকে।

৫৩:১৪

عِندَ سِدْرَةِ ٱلْمُنتَهَىٰ ١٤

Ahsanul Bayaan

সিদরাতুল মুনতাহার* নিকট। * সিদরাতুল মুনতাহা হল সপ্তম আকাশে আরশের ডান দিকে একটি কুল জাতীয় বৃক্ষ, সকল সৃষ্টির জ্ঞানের সীমার শেষ প্রান্ত। তারপর কি আছে, একমাত্র আল্লাহই জানেন।

৫৩:১৫

عِندَهَا جَنَّةُ ٱلْمَأْوَىٰٓ ١٥

Ahsanul Bayaan

যার কাছে জান্নাতুল মা’ওয়া* অবস্থিত। * ফেরেশতা, শহীদদের রূহ ও মুত্তাকীদের অবস্থানস্থল।

৫৩:১৬

إِذْ يَغْشَى ٱلسِّدْرَةَ مَا يَغْشَىٰ ١٦

Ahsanul Bayaan

যখন কুল গাছটিকে যা আচ্ছাদিত করার তা আচ্ছাদিত করেছিল।

৫৩:১৭

مَا زَاغَ ٱلْبَصَرُ وَمَا طَغَىٰ ١٧

Ahsanul Bayaan

তার দৃষ্টি এদিক-সেদিক যায়নি এবং সীমাও অতিক্রম করেনি।

৫৩:১৮

لَقَدْ رَأَىٰ مِنْ ءَايَـٰتِ رَبِّهِ ٱلْكُبْرَىٰٓ ١٨

Ahsanul Bayaan

নিশ্চয় সে তার রবের বড় বড় নিদর্শনসমূহ থেকে দেখেছে।

৫৩:১৯

أَفَرَءَيْتُمُ ٱللَّـٰتَ وَٱلْعُزَّىٰ ١٩

Ahsanul Bayaan

তোমরা লাত ও ‘উযযা সম্পর্কে আমাকে বল’?

৫৩:২০

وَمَنَوٰةَ ٱلثَّالِثَةَ ٱلْأُخْرَىٰٓ ٢٠

Ahsanul Bayaan

আর মানাত সম্পর্কে, যা তৃতীয় আরেকটি?

৫৩:২১

أَلَكُمُ ٱلذَّكَرُ وَلَهُ ٱلْأُنثَىٰ ٢١

Ahsanul Bayaan

তোমাদের জন্য কি পুত্র আর আল্লাহর জন্য কন্যা?

৫৩:২২

تِلْكَ إِذًۭا قِسْمَةٌۭ ضِيزَىٰٓ ٢٢

Ahsanul Bayaan

এটাতো তাহলে এক অসঙ্গত বণ্টন!

৫৩:২৩

إِنْ هِىَ إِلَّآ أَسْمَآءٌۭ سَمَّيْتُمُوهَآ أَنتُمْ وَءَابَآؤُكُم مَّآ أَنزَلَ ٱللَّهُ بِهَا مِن سُلْطَـٰنٍ ۚ إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا ٱلظَّنَّ وَمَا تَهْوَى ٱلْأَنفُسُ ۖ وَلَقَدْ جَآءَهُم مِّن رَّبِّهِمُ ٱلْهُدَىٰٓ ٢٣

Ahsanul Bayaan

এগুলো কেবল কতিপয় নাম, যে নামগুলো তোমরা ও তোমাদের পিতৃপুরুষেরা রেখেছ। এ ব্যাপারে আল্লাহ কোন দলীল-প্রমাণ নাযিল করেননি। তারা তো কেবল অনুমান এবং নিজেরা যা চায়, তার অনুসরণ করে। অথচ তাদের কাছে তাদের রবের পক্ষ থেকে হিদায়াত এসেছে।

৫৩:২৪

أَمْ لِلْإِنسَـٰنِ مَا تَمَنَّىٰ ٢٤

Ahsanul Bayaan

মানুষের জন্য তা কি হয়, যা সে চায়?

৫৩:২৫

فَلِلَّهِ ٱلْـَٔاخِرَةُ وَٱلْأُولَىٰ ٢٥

Ahsanul Bayaan

বস্তুতঃ পরকাল ও ইহকাল তো আল্লাহরই।

৫৩:২৬

۞ وَكَم مِّن مَّلَكٍۢ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ لَا تُغْنِى شَفَـٰعَتُهُمْ شَيْـًٔا إِلَّا مِنۢ بَعْدِ أَن يَأْذَنَ ٱللَّهُ لِمَن يَشَآءُ وَيَرْضَىٰٓ ٢٦

Ahsanul Bayaan

আর আসমানসমূহে অনেক ফেরেশতা রয়েছে, তাদের সুপারিশ কোনই কাজে আসবে না। তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন এবং যার প্রতি তিনি সন্তুষ্ট, তার ব্যাপারে অনুমতি দেয়ার পর।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18