وَٱلنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ ١
কসম নক্ষত্রের, যখন তা অস্ত যায়।
কোরআন
আন-নাজম ১ - আন-নাজম ২৬
আয়াত-৬২, মক্কি
وَٱلنَّجْمِ إِذَا هَوَىٰ ١
কসম নক্ষত্রের, যখন তা অস্ত যায়।
مَا ضَلَّ صَاحِبُكُمْ وَمَا غَوَىٰ ٢
তোমাদের সঙ্গী পথভ্রষ্ট হয়নি এবং বিপথগামীও হয়নি।
وَمَا يَنطِقُ عَنِ ٱلْهَوَىٰٓ ٣
আর সে মনগড়া কথা বলে না।
إِنْ هُوَ إِلَّا وَحْىٌۭ يُوحَىٰ ٤
তাতো কেবল ওহী, যা তার প্রতি ওহীরূপে প্রেরণ করা হয়।
عَلَّمَهُۥ شَدِيدُ ٱلْقُوَىٰ ٥
তাকে শিক্ষা দিয়েছে প্রবল শক্তিধর,
ذُو مِرَّةٍۢ فَٱسْتَوَىٰ ٦
প্রজ্ঞার অধিকারী*। অতঃপর সে স্থির হয়েছিল, * জিবরীল।
وَهُوَ بِٱلْأُفُقِ ٱلْأَعْلَىٰ ٧
তখন সে ঊর্ধ্ব দিগন্তে।
ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّىٰ ٨
তারপর সে নিকটবর্তী হল, অতঃপর আরো কাছে এল।
فَكَانَ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَىٰ ٩
তখন সে নৈকট্য ছিল দু’ ধনুকের পরিমাণ, অথবা তারও কম।
فَأَوْحَىٰٓ إِلَىٰ عَبْدِهِۦ مَآ أَوْحَىٰ ١٠
অতঃপর তিনি তাঁর বান্দার প্রতি যা ওহী করার তা ওহী করলেন।
مَا كَذَبَ ٱلْفُؤَادُ مَا رَأَىٰٓ ١١
সে যা দেখেছে, অন্তকরণ সে সম্পর্কে মিথ্যা বলেনি।
أَفَتُمَـٰرُونَهُۥ عَلَىٰ مَا يَرَىٰ ١٢
সে যা দেখেছে, সে সম্পর্কে তোমরা কি তার সাথে বিতর্ক করবে?
وَلَقَدْ رَءَاهُ نَزْلَةً أُخْرَىٰ ١٣
আর সে তো তাকে* আরেকবার** দেখেছিল। * জিবরীলকে।
عِندَ سِدْرَةِ ٱلْمُنتَهَىٰ ١٤
সিদরাতুল মুনতাহার* নিকট। * সিদরাতুল মুনতাহা হল সপ্তম আকাশে আরশের ডান দিকে একটি কুল জাতীয় বৃক্ষ, সকল সৃষ্টির জ্ঞানের সীমার শেষ প্রান্ত। তারপর কি আছে, একমাত্র আল্লাহই জানেন।
عِندَهَا جَنَّةُ ٱلْمَأْوَىٰٓ ١٥
যার কাছে জান্নাতুল মা’ওয়া* অবস্থিত। * ফেরেশতা, শহীদদের রূহ ও মুত্তাকীদের অবস্থানস্থল।
إِذْ يَغْشَى ٱلسِّدْرَةَ مَا يَغْشَىٰ ١٦
যখন কুল গাছটিকে যা আচ্ছাদিত করার তা আচ্ছাদিত করেছিল।
مَا زَاغَ ٱلْبَصَرُ وَمَا طَغَىٰ ١٧
তার দৃষ্টি এদিক-সেদিক যায়নি এবং সীমাও অতিক্রম করেনি।
لَقَدْ رَأَىٰ مِنْ ءَايَـٰتِ رَبِّهِ ٱلْكُبْرَىٰٓ ١٨
নিশ্চয় সে তার রবের বড় বড় নিদর্শনসমূহ থেকে দেখেছে।
أَفَرَءَيْتُمُ ٱللَّـٰتَ وَٱلْعُزَّىٰ ١٩
তোমরা লাত ও ‘উযযা সম্পর্কে আমাকে বল’?
وَمَنَوٰةَ ٱلثَّالِثَةَ ٱلْأُخْرَىٰٓ ٢٠
আর মানাত সম্পর্কে, যা তৃতীয় আরেকটি?
أَلَكُمُ ٱلذَّكَرُ وَلَهُ ٱلْأُنثَىٰ ٢١
তোমাদের জন্য কি পুত্র আর আল্লাহর জন্য কন্যা?
تِلْكَ إِذًۭا قِسْمَةٌۭ ضِيزَىٰٓ ٢٢
এটাতো তাহলে এক অসঙ্গত বণ্টন!
إِنْ هِىَ إِلَّآ أَسْمَآءٌۭ سَمَّيْتُمُوهَآ أَنتُمْ وَءَابَآؤُكُم مَّآ أَنزَلَ ٱللَّهُ بِهَا مِن سُلْطَـٰنٍ ۚ إِن يَتَّبِعُونَ إِلَّا ٱلظَّنَّ وَمَا تَهْوَى ٱلْأَنفُسُ ۖ وَلَقَدْ جَآءَهُم مِّن رَّبِّهِمُ ٱلْهُدَىٰٓ ٢٣
এগুলো কেবল কতিপয় নাম, যে নামগুলো তোমরা ও তোমাদের পিতৃপুরুষেরা রেখেছ। এ ব্যাপারে আল্লাহ কোন দলীল-প্রমাণ নাযিল করেননি। তারা তো কেবল অনুমান এবং নিজেরা যা চায়, তার অনুসরণ করে। অথচ তাদের কাছে তাদের রবের পক্ষ থেকে হিদায়াত এসেছে।
أَمْ لِلْإِنسَـٰنِ مَا تَمَنَّىٰ ٢٤
মানুষের জন্য তা কি হয়, যা সে চায়?
فَلِلَّهِ ٱلْـَٔاخِرَةُ وَٱلْأُولَىٰ ٢٥
বস্তুতঃ পরকাল ও ইহকাল তো আল্লাহরই।
۞ وَكَم مِّن مَّلَكٍۢ فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ لَا تُغْنِى شَفَـٰعَتُهُمْ شَيْـًٔا إِلَّا مِنۢ بَعْدِ أَن يَأْذَنَ ٱللَّهُ لِمَن يَشَآءُ وَيَرْضَىٰٓ ٢٦
আর আসমানসমূহে অনেক ফেরেশতা রয়েছে, তাদের সুপারিশ কোনই কাজে আসবে না। তবে আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন এবং যার প্রতি তিনি সন্তুষ্ট, তার ব্যাপারে অনুমতি দেয়ার পর।
32
18