নিকাহ

২৬/১. অধ্যায়ঃ

রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বিবাহ সম্পর্কীয় এবং তাঁর স্ত্রীগণ। মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর নাবী (সাঃ)-এর জন্য যা হালাল করেছেন কিন্তু তাঁর সৃষ্টির জন্য হারাম করেছেন তাঁর [রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর] অত্যধিক সম্মান ও ফাযীলাত প্রকাশের উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩১৯৬

أَخْبَرَنَا أَبُو دَاوُدَ سُلَيْمَانُ بْنُ سَيْفٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: حَضَرْنَا مَعَ ابْنِ عَبَّاسٍ جَنَازَةَ مَيْمُونَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِسَرِفَ، فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: هَذِهِ مَيْمُونَةُ إِذَا رَفَعْتُمْ جَنَازَتَهَا، فَلَا تُزَعْزِعُوهَا، وَلَا تُزَلْزِلُوهَا، «فَإِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ مَعَهُ تِسْعُ نِسْوَةٍ، فَكَانَ يَقْسِمُ لِثَمَانٍ، وَوَاحِدَةٌ لَمْ يَكُنْ يَقْسِمُ لَهَا»

বর্ণনাকারী আতা (রাঃ)

আমরা ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর সঙ্গে সারিফ নামক স্থানে নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী মায়মূনা (রাঃ)-এর জানাযায় উপস্থিত হলাম। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন: ইনি মায়মূনা (রাঃ)। তোমরা যখন তাঁর জানাযা উত্তোলন করবে তখন তা অধিক ঝাঁকাবে না কিংবা হেলাবে না। কেননা রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর নয়জন স্ত্রী ছিলেন, তিনি আটজনের জন্য সময় বণ্টন করতেন, আর একজনের জন্য বণ্টন করতেন না।

হাদিস নং
৩১৯৬
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বিবাহ সম্পর্কীয় এবং তাঁর স্ত্রীগণ। মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর নাবী (সাঃ)-এর জন্য যা হালাল করেছেন কিন্তু তাঁর সৃষ্টির জন্য হারাম করেছেন তাঁর [রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর] অত্যধিক সম্মান ও ফাযীলাত প্রকাশের উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩১৯৭

أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَعِنْدَهُ تِسْعُ نِسْوَةٍ يُصِيبُهُنَّ إِلَّا سَوْدَةَ، فَإِنَّهَا وَهَبَتْ يَوْمَهَا وَلَيْلَتَهَا لِعَائِشَةَ»

বর্ণনাকারী ইবন্‌ আব্বাস (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নয়জন স্ত্রী রেখে ইনতিকাল করেছেন। তাঁদের সাথে তিনি মিলিত হতেন, শুধুমাত্র সাওদা (রাঃ) ব্যতীত। কারণ, তিনি তাঁর দিন ও রাত আয়িশা (রাঃ)-কে দান করেছিলেন।

[১] মক্কা হতে দশ মেইল দুরত্তে অবস্থিত একটি স্থানে। এ একই স্থানে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বিবাহ করেন এবং মিলিত হন এবং এ স্থানেই তাঁর ওফাত হয়।

হাদিস নং
৩১৯৭
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বিবাহ সম্পর্কীয় এবং তাঁর স্ত্রীগণ। মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর নাবী (সাঃ)-এর জন্য যা হালাল করেছেন কিন্তু তাঁর সৃষ্টির জন্য হারাম করেছেন তাঁর [রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর] অত্যধিক সম্মান ও ফাযীলাত প্রকাশের উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩১৯৮

أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، عَنْ يَزِيدَ وَهُوَ ابْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، أَنَّ أَنَسًا، حَدَّثَهُمْ «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ فِي اللَّيْلَةِ الْوَاحِدَةِ، وَلَهُ يَوْمَئِذٍ تِسْعُ نِسْوَةٍ»

বর্ণনাকারী কাতাদা (রহঃ)

আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী (ﷺ) একই রাতে তাঁর সব স্ত্রীদের কাছে যেতেন। তখন তাঁর নয়জন স্ত্রী ছিলেন।

হাদিস নং
৩১৯৮
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বিবাহ সম্পর্কীয় এবং তাঁর স্ত্রীগণ। মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর নাবী (সাঃ)-এর জন্য যা হালাল করেছেন কিন্তু তাঁর সৃষ্টির জন্য হারাম করেছেন তাঁর [রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর] অত্যধিক সম্মান ও ফাযীলাত প্রকাশের উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩১৯৯

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ الْمُخَرَّمِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: كُنْتُ أَغَارُ عَلَى اللَّاتِي وَهَبْنَ أَنْفُسَهُنَّ لِلنَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَقُولُ: أَوَتَهَبَ الْحُرَّةُ نَفْسَهَا، فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ: {تُرْجِي مَنْ تَشَاءُ مِنْهُنَّ وَتُؤْوِي إِلَيْكَ مَنْ تَشَاءُ} [الأحزاب: 51] قُلْتُ: «وَاللَّهِ مَا أَرَى رَبَّكَ إِلَّا يُسَارِعُ لَكَ فِي هَوَاكَ»

বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)

যে মহিলাগণ নবী (ﷺ)-এর কাছে তাঁদের নিজেদেরকে হেবা করতেন, আমি তাঁদের এ কাজকে আত্মমর্যাদাবোধের পরিপন্থী মনে করে বলতাম, কোনো স্বাধীন নারী কি নিজেকে হেবা করতে পারে! তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনঃتُرْجِي مَنْ تَشَاءُ مِنْهُنَّ وَتُؤْوِي إِلَيْكَ مَنْ تَشَاءُ“আপনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা আপনার নিকট থেকে দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা আপনার নিকট স্থান দিতে পারেন।” (সূরা আল আহযাব ৩৩: ৫১)তখন আমি বললাম : আমি দেখছি, আপনার রব আপনার ইচ্ছা দ্রুত পূর্ণ করেন।

হাদিস নং
৩১৯৯
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বিবাহ সম্পর্কীয় এবং তাঁর স্ত্রীগণ। মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর নাবী (সাঃ)-এর জন্য যা হালাল করেছেন কিন্তু তাঁর সৃষ্টির জন্য হারাম করেছেন তাঁর [রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর] অত্যধিক সম্মান ও ফাযীলাত প্রকাশের উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩২০০

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ الْمُقْرِئُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ: أَنَا فِي الْقَوْمِ إِذْ قَالَتِ امْرَأَةٌ: إِنِّي قَدْ وَهَبْتُ نَفْسِي لَكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، فَرَأْ فِيَّ رَأْيَكَ، فَقَامَ رَجُلٌ فَقَالَ: زَوِّجْنِيهَا، فَقَالَ: «اذْهَبْ، فَاطْلُبْ وَلَوْ خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ»، فَذَهَبَ فَلَمْ يَجِدْ شَيْئًا وَلَا خَاتَمًا مِنْ حَدِيدٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ: «أَمَعَكَ مِنْ سُوَرِ الْقُرْآنِ شَيْءٌ؟» قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «فَزَوَّجَهُ بِمَا مَعَهُ مِنْ سُوَرِ الْقُرْآنِ»

বর্ণনাকারী সাহ্‌ল ইব্‌ন সা’দ (রাঃ)

আমি সাহাবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলাম। এ সময় একজন মহিলা বলে উঠলো: হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! আমি আমাকে আপনার নিকট হেবা করলাম, এখন আমার বিষয়ে আপনার অভিমত ব্যক্ত করুন। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল: একে আমার সাথে বিবাহ দিন। তিনি (ﷺ) বললেন: যাও, একটি লোহার আংটি হলেও (নিয়ে এসো)। সে ব্যক্তি গেল, কিন্তু কিছুই পেল না। এমনকি একটি লোহার আংটিও না।তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তোমার কি কুরআনের সূরা থেকে কিছু মুখস্থ আছে? সে বলল: হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, তখন কুরআনের যে সব সূরা তার মুখস্থ ছিল, সে সবের বিনিময়ে তাঁর কাছে বিবাহ দেন।

হাদিস নং
৩২০০
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর বিবাহ সম্পর্কীয় এবং তাঁর স্ত্রীগণ। মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর নাবী (সাঃ)-এর জন্য যা হালাল করেছেন কিন্তু তাঁর সৃষ্টির জন্য হারাম করেছেন তাঁর [রসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর] অত্যধিক সম্মান ও ফাযীলাত প্রকাশের উদ্দেশে

২৬/২. অধ্যায়ঃ

মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর রসূলের ওপর যা ফার্য করেছেন এবং অন্যদের জন্য যা হারাম করেছেন- আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর নৈকট্য বৃদ্ধির উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩২০১

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ خَالِدٍ النَّيْسَابُورِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ أَعْيَنَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَاءَهَا حِينَ أَمَرَهُ اللَّهُ أَنْ يُخَيِّرَ أَزْوَاجَهُ، قَالَتْ عَائِشَةُ: فَبَدَأَ بِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «إِنِّي ذَاكِرٌ لَكِ أَمْرًا، فَلَا عَلَيْكِ أَنْ لَا تُعَجِّلِي حَتَّى تَسْتَأْمِرِي أَبَوَيْكِ»، قَالَتْ: وَقَدْ عَلِمَ أَنَّ أَبَوَيَّ لَا يَأْمُرَانِي بِفِرَاقِهِ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ} [الأحزاب: 28]، فَقُلْتُ: فِي هَذَا أَسْتَأْمِرُ أَبَوَيَّ فَإِنِّي أُرِيدُ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَالدَّارَ الْآخِرَةَ

বর্ণনাকারী আবূ সালামা ইব্‌ন আবদুর রহমান (রহঃ)

আбу সালামা ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন। আল্লাহ তা'আলা রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর স্ত্রীগণের দাম্পত্য সম্পর্ক ছিন্ন করার ব্যাপারে ইখতিয়ারের আদেশ করলেন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে দিয়েই আরম্ভ করলেন। তিনি (ﷺ) বললেন: আমি তোমার নিকট একটি কথা বলব, কিন্তু তুমি সে ব্যাপারে তোমার মাতাপিতার পরামর্শ গ্রহণের পূর্বে হঠাৎ সে সম্বন্ধে মতামত প্রকাশ করবে না। কারণ তিনি জানতেন, আমার মাতাপিতা তার কাছ থেকে বিচ্ছেদের অনুমতি আমাকে দেবেন না, তারপর রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন [কুরআনের ভাষায়]:{يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا فَتَعَالَيْنَ أُمَتِّعْكُنَّ}“হে নবি! আপনি আপনার স্ত্রীগণকে বলুন, যদি তোমরা পার্থিব জীবন এবং এর সাজসজ্জা কামনা কর, তবে এসো, আমি তোমাদের ভোগ-সামগ্রীর ব্যবস্থা করে দিই এবং সৌজন্যের সাথে তোমাদের বিদায় দিই"- (সূরা আল আহযাব ৩৩: ২৮)।আমি বললাম: এ ব্যাপারে আমি আমার পিতামাতার নিকট পরামর্শ করব। আমি তো আল্লাহ, আল্লাহর রসূল এবং আখিরাতের জীবন কামনা করি।

হাদিস নং
৩২০১
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর রসূলের ওপর যা ফার্য করেছেন এবং অন্যদের জন্য যা হারাম করেছেন- আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর নৈকট্য বৃদ্ধির উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩২০২

أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ خَالِدٍ الْعَسْكَرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبَا الضُّحَى، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: «قَدْ خَيَّرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نِسَاءَهُ، أَوْكَانَ طَلَاقًا»

বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদেরকে তাঁর নিকট থাকবে কি থাকবে না- সে ব্যাপারে ইখতিয়ার দিলেও তাতে তাঁরা তালাক হননি।

হাদিস নং
৩২০২
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর রসূলের ওপর যা ফার্য করেছেন এবং অন্যদের জন্য যা হারাম করেছেন- আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর নৈকট্য বৃদ্ধির উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩২০৩

أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ إِسْمَعِيلَ، عَنْ الشَّعْبِيِّ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «خَيَّرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَاخْتَرْنَاهُ، فَلَمْ يَكُنْ طَلَاقًا»

বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে ‘ইখতিয়ার’ দিলে আমরা তাঁকেই গ্রহণ করলাম। তা তালাক হিসেবে গণ্য হয়নি।

হাদিস নং
৩২০৩
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর রসূলের ওপর যা ফার্য করেছেন এবং অন্যদের জন্য যা হারাম করেছেন- আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর নৈকট্য বৃদ্ধির উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩২০৪

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ سُفْيَانَ، قَالَ: حَفِظْنَاهُ مِنْ عَمْرٍو، عَنْ عَطَاءٍ، قَالَ: قَالَتْ عَائِشَةُ: «مَا مَاتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى أُحِلَّ لَهُ النِّسَاءُ»

বর্ণনাকারী আতা (রাঃ)

আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর ওফাত পর্যন্ত যে কোনো মহিলা তাঁর জন্য বৈধ ছিল।

হাদিস নং
৩২০৪
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর রসূলের ওপর যা ফার্য করেছেন এবং অন্যদের জন্য যা হারাম করেছেন- আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর নৈকট্য বৃদ্ধির উদ্দেশে

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ৩২০৫

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُبَارَكِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو هِشَامٍ وَهُوَ الْمُغِيرَةُ بْنُ سَلَمَةَ الْمَخْزُومِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: «مَا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حَتَّى أَحَلَّ اللَّهُ لَهُ أَنْ يَتَزَوَّجَ مِنَ النِّسَاءِ مَا شَاءَ»

বর্ণনাকারী আয়েশা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত আল্লাহ তার জন্য যে কোনো নারীকে বিবাহ করা হালাল করেছিলেন।

হাদিস নং
৩২০৫
অধ্যায়
নিকাহ
অধ্যায়
মহান ও মহীয়ান আল্লাহ তাঁর রসূলের ওপর যা ফার্য করেছেন এবং অন্যদের জন্য যা হারাম করেছেন- আল্লাহর ইচ্ছায় তাঁর নৈকট্য বৃদ্ধির উদ্দেশে
সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18