ইলম
৩/১. অধ্যায়ঃ
ইলম
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪১
বর্ণনাকারী আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)
একদা রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের বললেন, জনসাধারণ তোমাদের অনুসারী হবে। আর দিক-দিগন্ত হতে তারা তোমাদের নিকট দ্বীনের জ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্যে আসবে। সুতরাং যখন তারা আসবে, তখন তোমরা তাদের সদুপদেশ দিবে।তাহক্বীক্ব : যঈফ।
তিরমিযী হা/২৬৫০; মিশকাত হা/২০৪, যঈফ তিরমিযী হা/২৬৫০ ।
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪২
বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, জ্ঞানের কথা মুমিনের হারানো সম্পদ। সুতরাং যে যেখানে পাবে সে-ই তার অধিকারী।তাহক্বীক্ব : যঈফ। ইবরাহীম ইবনু ফাযল নামের রাবী যঈফ। উল্লেখ্য যে, মিশকাতে হাকীম রয়েছে। কিন্তু মূল হাদীসে মুমিন রয়েছে।
তিরমিযী হা/২৬৮৭; ইবনু মাজাহ হা/৪১৬৯; মিশকাত হা/২১৬; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২০৫, ২/১৩ পৃঃ।
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪৩
বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, একজন ফক্বীহ শয়তানের উপর এক হাযার আবেদ অপেক্ষাও মারাত্মক। তাহক্বীক্ব : হাদীসটি জাল। এর সনদে রূহ ইবনু জুনাহ নামে একজন রাবী আছে। সে মিথ্যুক বলে অভিযুক্ত।
তিরমিযী হা/২৬৮১; ইবনু মাজাহ হা/২০২; মিশকাত হা/২১৭; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২০৬। আল-ইলালুল মুতানাহিয়াহ ১/১৩৪ পৃ:, আবু ইসহাক্ব আল-হুওয়াইনী, আন-নাফেলাতু ফিল আহাদীছিয যঈফাহ ওয়াল বাতিলাহ, পৃ: ৪৬-এর টীকা দ্র:, যঈফ তিরমিযী হা/২৬৮১; যঈফ ইবনে মাজাহ হা/২০২।
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪৪
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ইলম তালাশ করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরয এবং অপাত্রে ইলম স্থাপনকারী যেন শূকরের গলায় জহরত, মুক্তা বা স্বর্ণ স্থাপনকারীর ন্যায়।তাহক্বীক্ব : উক্ত বর্ণনার শেষাংশ যঈফ। প্রথমাংশ সহীহ। তবে উক্ত অংশের সাথে ‘মুসলিমাতুন’ যোগ করার কোন ভিত্তি নেই।
ইবনু মাজাহ হা/২২৪; মিশকাত হা/২১৮; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২০৭। যঈফ ইবনে মাজাহ হা/২২৪; যঈফুল জামে’ হা/৩৬২৬। সহীহ ইবনু মাজাহ হা/২২৪। তাহক্বীক্ব মিশকাত হা/২১৮-এর টীকা দ্র: ১/৭৬ পৃ: ।
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪৫
বর্ণনাকারী সাখবারা (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণ করবে, তার জন্য তা পূর্ববর্তী পাপ সমূহের কাফফারা হয়ে যাবে।তাহক্বীক্ব : হাদীসটি জাল।
তিরমিযী হা/২৬৪৮; মিশকাত হা/২২১; বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/২১০।
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪৬
বর্ণনাকারী আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, মুমিন কখনও ইলম শ্রবণে তৃপ্তি লাভ করে না, যতক্ষণ না সে তার প্রতিদানে জান্নাত পায়।তাহক্বীক্ব : যঈফ।
যঈফ তিরমিযী হা/২৬৮৬।
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪৭
বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আমার পক্ষ হতে হাদীছ বর্ণনার ব্যাপারে সতর্ক হবে, যে পর্যন্ত না তা তোমরা আমার বলে জানবে। কারণ যে ব্যাক্তি আমার প্রতি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা আরোপ করবে, সে যেন তার স্থান জাহান্নামে করে নেয়। তাহক্বীক্ব : যঈফ।
যইফ তিরমিযী হা/২৯৫১
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪৮
বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যাক্তি কুরআন সম্পর্কে নিজের মনমত কোন কথা বলবে, সে যেন তার স্থান জাহান্নামে করে নেয়। তাহক্বীক্ব : যঈফ।
যইফ তিরমিযী হা/২৯৫১
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৪৯
বর্ণনাকারী জুন্দুব (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যাক্তি কুরআনের ব্যাপারে নিজের মত অনুযায়ী কোন কথা বলবে, আর তাতে যদি সে সত্যও বলে, তবুও সে ভুল করবে। তাহক্বীক্ব : যঈফ।
যইফ তিরমিযী হা/২৯৫২; আবুদাউদ হা/৩৬৫২ ; যইফুল জামে' হা/৫৭৩৬
মিশকাতে জয়িফ হাদিস
হাদিস নং ৫০
বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ)
রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কুরআন সাত হরফে নাজিল হয়েছে। তার প্রত্যেক আয়াতের একটি বাইরের ও একটি ভিতর দিক রয়েছে; প্রত্যেক দিকেরই একটি হদ রয়েছে, আর প্রত্যেক হদেরই একটি অবগতি স্থান রয়েছে। তাহক্বীক্ব : যঈফ।
সিলসিলা যইফাহ হা/২৯৬৯ ; যইফুল জামে' হা/১৩৩৮