কুরআনের মর্যাদা

৮/১. অধ্যায়ঃ

(কুরআন অধ্যয়ন ও তিলাওয়াতের আদব) - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ

وَعَنْ عُبَيْدَةَ الْمُلَيْكِىِّ وَكَانَتْ لَه صُحْبَةٌ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «يَا أَهْلَ الْقُرْاٰنِ لَا تَتَوَسَّدُوا الْقُرْاٰنَ وَاتْلُوهُ حَقَّ تِلَاوَتِه مِنْ اٰنَاءِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ وَأَفْشُوهُ وَتَغَنُّوهُ وَتَدَبَّرُوا مَا فِيهِ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ وَلَا تَعْجَلُوا ثَوَابَه فَإِنَّ لَه ثَوَابًا». رَوَاهُ الْبَيْهَقِىُّ فِىْ شُعَبِ الْإِيْمَانِ

বর্ণনাকারী উবায়দাহ্ আল মুলায়কী (রাঃ)

তিনি ছিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহচর।রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে কুরআনের বাহকগণ! কুরআনকে তোমরা বালিশ বানাবে না। বরং তা তোমরা রাতদিন তিলাওয়াত করার মতো তিলাওয়াত করবে। কুরআনকে সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করে সুর করে পড়বে। কুরআনের বিষয়বস্ত্ত সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা-ভাবনা করে পড়বে। তাহলেই তোমরা সফলতা অর্জন করবে। দুনিয়ায় এর প্রতিফল পাবার জন্য তাড়াহুড়া করো না। কারণ আখিরাতে এর উত্তম প্রতিফল রয়েছে। (বায়হাক্বী- শু‘আবূল ঈমান)[১]

[১] য‘ঈফ : শু‘আবূল ঈমান ১৮৫২। কারণ এর সানাদে আবূ বাকর ইবনু আবী মারইয়াম একজন দুর্বল রাবী।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18