নিকাহ (বিবাহ)
১৬/০. অধ্যায়ঃ
নিকাহ বা বিবাহ
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৮৪
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ: كُنْتُ مَعَ عَبْدِ اللهِ فَلَقِيَهُ عُثْمَانُ بِمِنًى، فَقَالَ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمنِ إِنَّ لِي إِلَيْكَ حَاجَةً، فَخَلَيَا فَقَالَ عُثْمَانُ: هَلْ لَكَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمنِ فِي أَنْ نُزَوِّجَكَ بِكْرًا تُذَكِّرُكَ مَا كُنْتَ تَعْهَدُ فَلَمَّا رَأَى عَبْدُ اللهِ أَنْ لَيْسَ لَهُ حَاجَةٌ إِلَى هذَا، أَشَارَ إِلَيَّ، فَقَالَ: يَا عَلْقَمَةُ فَانْتَهَيْتُ إِلَيْهِ وَهُوَ يَقُولُ: أَمَا لَئِنْ قُلْتَ ذَلِكَ، لَقَدْ قَالَ لَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالْصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ
বর্ণনাকারী আলক্বামাহ (রহ.)
যখন আমি ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, ‘উসমান (রাঃ) তাঁর সাথে মিনাতে দেখা করে বলেন, হে ‘আবদুর রহমান! আপনার কাছে আমার কিছু প্রয়োজন আছে। এরপর তারা উভয়েই এক পার্শ্বে গেলেন।অতঃপর ‘উসমান (রাঃ) বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আমি আপনার সাথে এমন একটি কুমারী মেয়ের শাদী দিব, যে আপনাকে আপনার অতীত দিনকে স্মরণ করিয়ে দিবে? ‘আবদুল্লাহ্ যখন দেখলেন, তার এ শাদীর প্রয়োজন নেই তখন তিনি আমাকে ‘হে ‘আলক্বামাহ’ বলে ডাক দিলেন। আমি তাঁর কাছে গিয়ে বলতে শুনলাম, আপনি যখন আমাকে এ কথা বলছেন (তখন আমার স্মরণে এর চেয়ে বড় কথা আসছে আর তা হচ্ছে) রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাদেরকে বললেন, হে যুবকের দল! তোমাদের মধ্যে যে শাদীর সামর্থ্য রাখে, সে যেন শাদী করে এবং যে শাদীর সামর্থ্য রাখে না, সে যেন ‘রোযা’ পালন করে। কেননা, রোযা যৌন ক্ষমতাকে অবদমন করবে।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ২, হাঃ ৫০৬৫; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহঃ, হাঃ ১৪০০
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৮৫
حديث أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رضي الله عنه، قَالَ: جَاءَ ثَلاَثَةُ رَهْطٍ إِلَى بُيوتِ أَزْوَاجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْأَلُونَ عَنْ عِبَادَةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَلَمَّا أُخْبِرُوا كَأَنَّهُمْ تَقَالُّوهَا، فَقَالُوا: وَأَيْنَ نَحْنُ مِنَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَدْ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ وَمَا تَأَخَّرَ؛ قَالَ أَحَدُهُمْ: أَمَّا أَنَا فَإِنِّي أُصَلِّي اللَّيْلَ أَبَدًا؛ وَقَالَ آخَرُ: أَنَا أَصُومُ الدَّهْرَ وَلاَ أُفْطِرُ؛ وَقَالَ آخَرُ: أَنَا أَعْتَزِلُ النِّسَاءَ فَلاَ أَتَزَوَّجُ أَبَدًا[ص: 90] فَجَاءَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: أَنْتُمُ الَّذِينَ قُلْتُمْ كَذَا وَكَذَا؛ أَمَا وَاللهِ إِنِّي لأَخْشَاكُمْ للهِ وَأَتْقَاكُمْ لَهُ، لكِنِّي أَصُومُ وَأُفْطِرُ، وَأُصَلِّي وَأَرْقُدُ، وَأَتَزَوَّجُ النِّسَاءَ؛ فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي
বর্ণনাকারী আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ)
তিন জনের একটি দল নবী (ﷺ)-এর ‘ইবাদাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার জন্য নবী (ﷺ)-এর বিবিগণের গৃহে আগমন করল। যখন তাঁদেরকে এ সম্পর্কে অবহিত করা হলো, তখন তারা ‘ইবাদাতের পরিমাণ যেন কম মনে করল এবং বলল, আমরা নবী (ﷺ)-এর সমকক্ষ হতে পারি না। কারণ, তাঁর আগের ও পরের সকল গুনাহ্ মাফ করে দেয়া হয়েছে। এমন সময় তাদের মধ্য থেকে একজন বলল, আমি সারা জীবন রাতের সালাত আদায় করতে থাকব। অপর একজন বলল, আমি সারা বছর রোযা পালন করব এবং কখনও বিরতি দিব না। অপরজন বলল, আমি নারী বিবর্জিত থাকব-কখনও বিয়ে করব না।এরপর রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) তাদের নিকট এলেন এবং বললেন, “তোমরা কি ঐ সকল ব্যক্তি যারা এরূপ কথাবার্তা বলেছ? আল্লাহ্র কসম! আমি আল্লাহ্কে তোমাদের চেয়ে অধিক ভয় করি এবং তোমাদের চেয়ে তাঁর প্রতি আমি অধিক আনুগত্যশীল; অথচ আমি রোযা পালন করি, আবার রোযা থেকে বিরতও থাকি। সালাত আদায় করি এবং ঘুমাই ও বিয়ে-শাদী করি। সুতরাং যারা আমার সুন্নাতের প্রতি বিরাগ ভাব পোষণ করবে, তারা আমার দলভুক্ত নয়।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭ : বিবাহ, অধ্যায় ১, হাঃ ৫০৬৩; মুসলিম, পৰ্ব ১৬ : নিকাহ বিবাহঃ, হাঃ ১৪০১
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৮৬
حديث سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ رَدَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، عَلَى عُثْمَانَ بْنِ مَظْعُونٍ التَّبتُّلَ، وَلَوْ أَذِنَ لَهُ لاَخْتَصَيْنَا
বর্ণনাকারী সা‘দ ইব্নু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) ‘উসমান ইব্নু মাজ‘উনকে শাদী থেকে বিরত থাকতে নিষেধ করেছেন। তিনি তাকে অনুমতি দিলে, আমরাও খাসি হয়ে যেতাম।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ৮, হাঃ ৫০৭৪; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহঃ, হাঃ ১৪০২
১৬/২. অধ্যায়ঃ
মুতআহ নিকাহ এবং তার হুকুম বৈধ হওয়া, অতঃপর রহিত হওয়া আবার বৈধ হওয়া ও রহিত হওয়া এবং কেয়ামত পর্যন্ত তার নিষিদ্ধতা স্থায়ী হওয়া।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৮৭
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه، قَالَ: كُنَّا نَغْزُو مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَيْسَ مَعَنَا نِسَاءٌ، فَقُلْنَا: أَلاَ نَخْتَصِي فَنَهَانَا عَنْ ذَلِكَ، فَرَخَّصَ لَنَا بَعْدَ ذَلِكَ أَنْ نَتَزَوَّجَ الْمَرْأَةَ بِالثَّوْبِ؛ ثُمَّ قَرَأَ (يأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكُمْ)
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)
আমরা নবী (ﷺ)-এর সাথে যুদ্ধে বের হতাম, তখন আমাদের সাথে স্ত্রীগণ থাকত না, তখন আমরা বলতাম আমরা কি খাসি হয়ে যাব না? তিনি আমাদেরকে এ থেকে নিষেধ করলেন এবং কাপড়ের বিনিময়ে হলেও মহিলাদেরকে বিয়ে করার অর্থাৎ নিকাহে মুত‘আর অনুমতি দিলেন এবং পাঠ করলেনঃ يأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لاَ تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكُمْ
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৫: তাফসীর, অধ্যায় ৫ হা ৪৬১৫৪; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ২, হাঃ ১৪০৪
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৮৮
حديث جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، وَسَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ قَالاَ: كُنَّا فِي جَيْشٍ، فَأَتَانَا رَسُولُ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: إِنَّهُ قَدْ أُذِنَ لَكُمْ أَنْ تَسْتَمْتِعُوا، فَاسْتَمْتِعُوا
বর্ণনাকারী সালামাহ ইব্নু আকওয়া‘ (রাঃ)
আমরা কোন এক সেনাবাহিনীতে ছিলাম এবং রাসূল (ﷺ) এর প্রেরিত এক ব্যক্তি আমাদের নিকট এসে বললেন, তোমাদেরকে মুতা‘আহ বিবাহের অনুমতি দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা মুতা‘আহ করতে পার।*
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ৩২, হাঃ ৫১১৭-৫১১৮; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ২, হাঃ ১৪০৫
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৮৯
حديث عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضي الله عنه، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، نَهى عَنْ مُتْعَةِ النِّسَاءَ يَوْمَ خَيْبَرَ، وَعَنْ أَكْلِ الْحُمُرِ الإِنْسِيَّةِ
বর্ণনাকারী আলী ইবনু আবূ ত্বলিব (রাঃ)
আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) খাইবার যুদ্ধের দিন মহিলাদের মুত‘আহ (নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিয়ে) করা থেকে এবং গৃহপালিত গাধার গোশত খেতে নিষেধ করেছেন।*
সহীহুল বুখারী, পূর্ব ৬৪ : মাগাযী, অধ্যায় ৩৮, হাঃ ৪২১৬; মুসলিম, পৰ্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ২, হাঃ ১৪০৭
১৬/৩. অধ্যায়ঃ
কোন মহিলাকে তার ফুফু অথবা তার খালার সাথে একত্রে নিকাহ করা হারাম।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৯০
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لاَ يُجْمَعُ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَعَمَّتِهَا، وَلاَ بَيْنَ الْمَرْأَةِ وَخَالَتِهَا
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)
নবী (ﷺ) বলেছেন, কেউ যেন ফুফু ও তার ভাতিজীকে এবং খালা এবং তার বোনঝিকে একত্রে শাদী না করে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ২৭, হাঃ ৫১০৯; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ৪, হাঃ ১৪০৮
১৬/৪. অধ্যায়ঃ
ইহরামের অবস্থায় নিকাহ হারাম ও প্রস্তাব দেয়া মাকরূহ।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৯১
حديث ابْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَزَوَّجَ مَيْمُونَةَ وَهُوَ مُحْرِمٌ
বর্ণনাকারী ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ)
নবী (ﷺ) ইহরাম অবস্থায় মায়মূনা (রাঃ)-কে বিবাহ করেছেন।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৮ : ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা, অধ্যায় ১২, হাঃ ১৮৩৭; মুসলিম, পৰ্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ৫, হাঃ ১৪১০
১৬/৫. অধ্যায়ঃ
কোন ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাবের উপর প্রস্তাব দেয়া হারাম যতক্ষণ না সে অনুমতি দেয় অথবা পরিত্যাগ করে।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৯২
حديث ابْنِ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ: نَهى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يَبِيعَ بَعْضُكُمْ عَلَى بَيْعِ بَعْضٍ، وَلاَ يَخْطُبَ الرَّجُلُ عَلَى خِطْبَةِ أَخِيهِ حَتَّى يَتْرُكَ الْخَاطِبُ قَبْلَهُ أَوْ يَأْذَنَ لَهُ الْخَاطِبُ
বর্ণনাকারী ইব্নু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) কাউকে এক ভাই কোন জিনিসের দাম করছে এমতাবস্থায় অন্যকে তার দরদাম করতে নিষেধ করেছেন এবং এক মুসলিম ভাইয়ের শাদী প্রস্তাবের ওপরে অন্য ভাইকে প্রস্তাব দিতে নিষেধ করেছেন, যতক্ষণ না প্রথম প্রস্তাবকারী তার প্রস্তাব উঠিয়ে নেবে বা তাকে অনুমতি দেবে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ৪৫, হাঃ ৫১৪২; মুসলিম, পৰ্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ৬, হাঃ ১৪১২
১৬/৬. অধ্যায়ঃ
শিগার বিবাহ হারাম ও তা বাতিল হওয়ার বর্ণনা।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
হাদিস নং ৮৯৩
حديث ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهى عَنِ الشِّغَارِ الشِّغَارُ أَنْ يُزَوِّجَ الرَّجُلُ ابْنَتَهُ عَلَى أَنْ يُزَوِّجَهُ الآخَرُ ابْنَتَهُ، لَيْسَ بَيْنَهُمَا صَدَاقٌ
বর্ণনাকারী ইব্নু ‘উমার (রাঃ)
নবী (ﷺ) আশ্শিগার নিষিদ্ধ করেছেন। ‘আশ্-শিগার’ হলোঃ কোন ব্যক্তি নিজের কন্যাকে অন্য এক ব্যক্তির পুত্রের সাথে বিবাহ দিবে এবং তার কন্যা নিজের পুত্রের জন্য আনবে এবং এক্ষেত্রে কোন কনেই মোহর পাবে না।
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ২৭, হাঃ ৫১১২; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ৬, হাঃ ১৪১৫