হজ্জ

১৫/১. অধ্যায়ঃ

মুহরিম ব্যক্তির জন্য হজ্জ অথবা উমরাহতে কী কী বৈধ আর কী কী অবৈধ এবং তার জন্য সুগন্ধি জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা হারাম হওয়ার বর্ণনা।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩১

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَجُلاً قَالَ يَا رَسُولَ اللهِ مَا يَلْبَسُ الْمُحْرِمُ مِنَ الثِّيَابِ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لاَ يَلْبَسُ الْقُمُصَ وَلاَ الْعَمَائِمَ وَلاَ السَّرَاوِيلاَتِ وَلاَ الْبَرَانِسَ وَلاَ الْخِفَافَ، إِلاَّ أَحَدٌ لاَ يَجِدُ نَعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسْ خُفَّيْنِ، وَلْيَقْطَعْهُمَا أَسْفَلَ مِنَ الْكَعْبَيْنِ، وَلاَ تَلْبَسُوا مِنَ الثِّيَابِ شَيْئًا مَسَّهُ الزَّعْفَرَانُ أَوْ وَرْسٌ

বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)

এক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল! মুহরিম লোক কী কী পোশাক পরবে? আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বললেনঃ তোমরা (ইহরাম অবস্থায়) জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরবে না। তবে যে ব্যক্তির জুতা নেই, সে কেবল মোজা পরতে পারবে, কিন্তু উভয় মোজা টাখনুর নীচ থেকে কেটে ফেলবে। আর যা‘ফরান ও ওয়ারস রং যাতে লেগেছে, এমন কাপড় পরবে না।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৫: হাজ্জ, অধ্যায় ২১, হাঃ ৫৮০৩; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ১, হাঃ ১১৭৭

হাদিস নং
৭৩১
অধ্যায়
হজ্জ
অধ্যায়
মুহরিম ব্যক্তির জন্য হজ্জ অথবা উমরাহতে কী কী বৈধ আর কী কী অবৈধ এবং তার জন্য সুগন্ধি জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা হারাম হওয়ার বর্ণনা।

১৫/২. অধ্যায়ঃ

হজ্জ ও উমরাহর মীকাতসমূহ

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩২

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَخْطُبُ بِعَرَفَاتٍ مَنْ لَمْ يَجِدِ النَّعْلَيْنِ فَلْيَلْبَسِ الْخُفَّيْنِ، وَمَنْ لَمْ يَجِدْ إِزَارًا فَلْيَلْبَسْ سَرَاوِيلَ لِلْمُحْرِمِ

বর্ণনাকারী ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)

আমি নবী (ﷺ)-কে মুহরিমদের উদ্দেশে ‘আরাফাতে ভাষণ দিতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ যার চপ্পল নেই সে মোজা পরিধান করবে আর যার লুঙ্গি নেই সে পায়জামা পরিধান করবে।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৮ : ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা, অধ্যায় ১৫, হাঃ ১৮৪১; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ১, হাঃ ১১৭৮

১৫/১. অধ্যায়ঃ

মুহরিম ব্যক্তির জন্য হজ্জ অথবা উমরাহতে কী কী বৈধ আর কী কী অবৈধ এবং তার জন্য সুগন্ধি জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা হারাম হওয়ার বর্ণনা।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩৩

حديث يَعْلَى قَالَ لِعُمَرَ رضي الله عنه: أَرِنِي النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ يُوحَى إِلَيْهِ؛ قَالَ: فَبَيْنَمَا النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْجِعْرَانَةِ وَمَعَهُ نَفَرٌ مِنْ أَصْحَابِهِ، جَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ [ص: 29] كَيْفَ تَرَى فِي رَجُلٍ أَحْرَمَ بِعُمْرَةٍ وَهُوَ مُتَضَمِّخٌ بِطِيبٍ فَسَكَتَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَاعَةً، فَجَاءَهُ الْوَحْيُ، فَأَشَارَ عُمَرُ رضي الله عنه إِلَى يَعْلَى، فَجَاءَ يَعْلَى، وَعَلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَوْبٌ قَدْ أُظِلَّ بِهِ، فَأَدْخَلَ رَأْسَهُ، فَإِذَا رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُحْمَرُّ الْوَجْهِ، وَهُوَ يَغِطُّ؛ ثُمَّ سُرِّيَ عَنْهُ، فَقَالَ: أَيْنَ الَّذي سَأَلَ عَنِ الْعُمْرَةِ فَأُتِيَ بِرَجُلٍ، فَقَالَ: اغْسِلِ الطِّيبَ الَّذِي بِكَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ، وَانْزِعْ عَنْكَ الجُبَّةَ، وَاصْنَعْ فِي عُمْرَتِكَ كَمَا تَصْنَعُ فِي حَجَّتِكَ

বর্ণনাকারী সাফ্ওয়ান ইব্‌নু ই‘য়ালা (রহ.)

ই‘য়ালা (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, নবী (ﷺ)-এর উপর ওয়াহী অবতরণ মুহূর্তটি আমাকে দেখাবেন। তিনি বলেন, নবী (ﷺ) ‘জি’রানা’ নামক স্থানে অবস্থান করছিলেন, তাঁর সঙ্গে কিছু সংখ্যক সহাবী ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! কোন ব্যক্তি সুগন্ধিযুক্ত পোশাক পরে ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধলে তার সম্পর্কে আপনার অভিমত কী? নবী (ﷺ) কিছুক্ষণ নীরব রইলেন। এরপর তাঁর নিকট ওহী আসল। ‘উমার (রাঃ) ই‘য়ালা (রাঃ)-কে ইঙ্গিত করায় তিনি সেখানে উপস্থিত হলেন। তখন একখণ্ড কাপড় দিয়ে নবী (ﷺ)’র উপর ছায়া করা হয়েছিল, ই‘য়ালা (রাঃ) মাথা প্রবেশ করিয়ে দেখতে পেলেন, নবী (ﷺ)-এর মুখমণ্ডল লাল বর্ণ, তিনি সজোরে শ্বাস গ্রহণ করছেন। এরপর সে অবস্থা দূর হলো।তিনি বললেনঃ ‘উমরাহ সম্পর্কে প্রশ্নকারী কোথায়? প্রশ্নকারীকে উপস্থিত করা হলে তিনি বললেনঃ তোমার শরীরের সুগন্ধি তিনবার ধুয়ে ফেল ও জুব্বাটি খুলে ফেল এবং হজ্জে যা করে থাক ‘উমরাহতেও তাই কর।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৫ হাজ্জ অধ্যায় ১৭, হাঃ ১৫৩৬; মুসলিম, পর্ব ১৫ হাজ্জ, অধ্যায় ১, হাঃ ১১৮০

হাদিস নং
৭৩৩
অধ্যায়
হজ্জ
অধ্যায়
মুহরিম ব্যক্তির জন্য হজ্জ অথবা উমরাহতে কী কী বৈধ আর কী কী অবৈধ এবং তার জন্য সুগন্ধি জাতীয় জিনিস ব্যবহার করা হারাম হওয়ার বর্ণনা।

১৫/২. অধ্যায়ঃ

হজ্জ ও উমরাহর মীকাতসমূহ

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩৪

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: وَقَّتَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ َلاهْلِ الْمَدِينَةِ ذَا الْحُلَيْفَةِ، وَلأهْلِ الشَّامِ الْجُحْفَةَ، وَلأَهْلِ نَجْدٍ قَرْنَ الْمَنَازِلِ، وَلأَهْلِ الْيَمَنِ يَلَمْلَمَ، فَهُنَّ لَهُنَّ وَلِمَنْ أَتَى عَلَيْهِنَّ مِنْ غَيْرٍ أَهْلِهِنَّ لِمَنْ كَانَ يُريدُ الْحَجَّ وَالْعُمْرَةَ، فَمَنْ كَانَ دُونَهُنَّ فَمُهَلُّهُ مِنْ أَهْلِهِ، وَكَذَاكَ، حَتَّى أَهْلُ مَكَّةَ يُهِلُّونَ مِنْهَا

বর্ণনাকারী ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ইহ্রাম বাঁধার স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছেন, মাদীনাহবাসীদের জন্য যুল-হুলাইফা, সিরিয়াবাসীদের জন্য জুহ্ফা, নজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল-মানাযিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলাম। উল্লিখিত স্থানসমূহ হাজ্জ ও ‘উমরাহ’র নিয়্যাতকারী সেই অঞ্চলের অধিবাসী এবং ঐ সীমারেখা দিয়ে অতিক্রমকারী অন্যান্য অঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য ইহরাম বাঁধার স্থান এবং মীকাতের ভিতরে স্থানের লোকেরা নিজ বাড়ি হতে ইহ্রাম বাঁধবে। এমনকি মাক্কাহবাসীগণ মাক্কাহ হতেই ইহ্রাম বাঁধবে।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৯, হাঃ ১৫২৬; মুসলিম, পর্ব ১৫: হাজ্জ, অধ্যায় ২, হাঃ ১১৮১

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩৫

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: يُهِلُّ أَهْلُ الْمَدينَةِ مِنْ ذِي الْحُلَيْفَةِ، وَأَهْلُ الشَّامِ مِنَ الْجُحْفَةِ، وَأَهْلُ نَجْدٍ مِنْ قَرْنٍ قَالَ عَبْدُ اللهِ: وَبَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: وَيُهِلُّ أَهْلُ الْيَمَنِ مِنْ يَلَمْلَمَ

বর্ণনাকারী ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেনঃ মাদীনাহবাসীগণ যুল-হুলাইফাহ হতে, সিরিয়াবাসীগণ জুহ্ফা হতে ও নজদবাসীগণ ক্বারণ হতে ইহরাম বাঁধবে। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমি (অন্যের মাধ্যমে) অবগত হয়েছি, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ ইয়ামানবাসীগণ ইয়ালামলাম হতে ইহ্রাম বাঁধবে।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৮, হাঃ ১৫২৫; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ২, হাঃ ১১৮২

১৫/৩. অধ্যায়ঃ

তালবিয়া পাঠের গুণাগুণ এবং তার সময়।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩৬

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ تَلْبِيَةَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَبَّيْكَ اللهُمَّ لَبَّيْكَ، لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ

বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)

আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর তালবিয়া নিম্নরূপঃ (অর্থ) আমি হাযির হে আল্লাহ, আমি হাযির, আমি হাযির; আপনার কোন অংশীদার নেই, আমি হাযির। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা ও সকল নি‘আমত আপনার এবং কর্তৃত্ব আপনারই, আপনার কোন অংশীদার নেই।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ২৬, হাঃ ১৫৪৯; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৩, হাঃ ১১৮৩

১৫/৪. অধ্যায়ঃ

মাদীনাবাসীদের জন্য মসজিদে যুল হুলাইফার নিকট থেকে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩৭

حديث ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: مَا أَهَلَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلاَّ مِنْ عِنْدِ الْمَسْجِدِ، يَعْنِي مَسْجِدَ ذِي الْحُلَيْفَةِ

বর্ণনাকারী ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) যুল-হুলাইফার মসজিদের নিকট হতে ইহরাম বেঁধেছেন।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ২০, হাঃ ১৫৪১; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৪, হাঃ ১১৮৬

১৫/৫. অধ্যায়ঃ

পশুবাহন যাত্রার প্রস্তুতি নিলে তালবিয়া পাঠ।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩৮

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ جُرَيْجٍ، أَنَّهُ قَالَ لِعَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمنِ رَأَيْتُكَ تَصْنَعُ أَرْبَعًا، لَمْ أَرَ أَحَدًا مِنْ أَصْحَابِكَ يَصْنَعُهَا قَالَ: وَمَا هِيَ يَا ابْنَ جُرَيْجٍ قَالَ: رَأَيْتُكَ لاَ تَمَسُّ مِنَ الأَرْكَانِ إِلاَّ الْيَمَانِيَيْنِ، وَرَأَيْتُكَ تَلْبَسُ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ، وَرَأَيْتُكَ تَصْبُغُ بِالصُّفْرَةِ، وَرَأَيْتُكَ إِذَا كُنْتَ بِمَكَّةَ أَهَلَّ النَّاسُ إِذَا رَأَوُا الْهِلاَلَ، وَلَمْ تُهِلَّ أَنْتَ حَتَّى كَانَ يَوْمُ التَّرْوِيَةقَالَ عَبْدُ اللهِ: أَمَّا الأَرْكَانُ، فَإِنِّي لَمْ أَرَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمَسُّ إِلاَّ الْيَمَانِيَيْنِ، [ص: 31] وَأَمَّا النِّعَالُ السِّبْتِيَّةُ، فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَلْبَسُ النَّعْلَ الَّتي لَيْسَ فِيهَا شَعَرٌ، وَيَتَوَضَّأُ فِيهَا، فَأَنا أُحِبُّ أَنْ أَلْبَسَهَا وَأَمَّا الصُّفْرَةُ، فَإِنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَصْبُغُ بِهَا، فَأَنَا أُحِبُّ أُنْ أَصْبُغَ بِهَا وَأَمَّا الإِهْلاَلُ، فَإِنِّي لَمْ أَرَ رسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُهِلُّ حَتَّى تَنْبَعِثَ بِهِ رَاحِلَتُهُ

বর্ণনাকারী ‘উবায়দ ইব্‌নু জুরাইজ (রহ.)

তিনি ‘আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)-কে বললেন, ‘হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আমি আপনাকে এমন চারটি কাজ করতে দেখি, যা আপনার অন্য কোন সাথীকে দেখি না।’ তিনি বললেন, ‘ইব্‌নু জুরায়জ, সেগুলো কী?’ তিনি বললেন, আমি দেখি, (১) আপনি তাওয়াফ করার সময় দুই রুকনে ইয়ামানী ব্যতীত অন্য রুকন স্পর্শ করেন না। (২) আপনি ‘সিবতী’ (পশমবিহীন) জুতা পরিধান করেন; (৩) আপনি (কাপড়ে) হলুদ রং ব্যবহার করেন এবং (৪) আপনি যখন মাক্কায় থাকেন লোকে চাঁদ দেখে ইহরাম বাঁধে; কিন্তু আপনি তারবিয়াহর দিন (৮ই যিলহজ্জ) না এলে ইহরাম বাঁধেন না। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বললেনঃ রুকনের কথা যা বলেছ, তা এজন্য করি যে আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে ইয়ামানী রুকনদ্বয় ব্যতীত আর কোনটি স্পর্শ করতে দেখিনি। আর ‘সিবতী’ জুতা, আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে সিবতী জুতা পরতে এবং তা পরিহিত অবস্থায় ওজু করতে দেখেছি, তাই আমি তা পরতে ভালবাসি। আর হলুদ রং, আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে তা দিয়ে কাপড় রঙিন করতে দেখেছি, তাই আমিও তা দিয়ে রঙিন করতে ভালবাসি। আর ইহরাম,- আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে নিয়ে তাঁর সওয়ারী রওনা না হওয়া পর্যন্ত আমি তাঁকে ইহরাম বাঁধতে দেখিনি।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪: উযূ, অধ্যায় ৩০, হাঃ ১৬৬; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৫, হাঃ ১১৮৭

১৫/৭. অধ্যায়ঃ

ইহরাম বাঁধার সময় মুহরিম ব্যক্তির সুগন্ধি ব্যবহার।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৩৯

حديث عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَتْ: كنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لإِحْرَامِهِ حِينَ يُحْرِمُ، وَلِحِلِّهِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ

বর্ণনাকারী নাবী সহধর্মিণী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)

ইহরাম বাঁধার সময়* আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর গায়ে সুগন্ধি মেখে দিতাম এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফের পূর্বে ইহরাম খুলে ফেলার সময়ও।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৫ হাজ্জ, অধ্যায় ১৮, হাঃ ১৫৩৯; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৭, হাঃ ১১৮৯

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৭৪০

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَأَنِّي أَنْظُرُ إِلَى وَبِيصِ الطِّيبِ فِي مَفْرِقِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ مُحْرِمٌ

বর্ণনাকারী ‘আয়িশাহ (রাঃ)

আমি যেন এখনো দেখছি, নবী (ﷺ)-এর ইহরাম অবস্থায় তাঁর সিঁথিতে খুশবুর ঔজ্জ্বল্য রয়েছে।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫: গোসল, অধ্যায় ১৪, হাঃ ২৭১; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৭, হাঃ ১১৯০

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18