দুগ্ধপান

১৭/১. অধ্যায়ঃ

দুগ্ধপান দ্বারা তা হারাম হয় যা জন্মসূত্রে হারাম হয়।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯১৬

حديث عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ عِنْدَهَا، وَأَنَّهَا سَمِعَتْ صَوْتَ رَجُلٍ يَسْتَأْذِنَ فِي بَيْتِ حَفْصَةَ قَالَتْ عَائِشَةُ: فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ أُرَاهُ فُلاَنًا (لِعَمِّ حَفْصَةَ مِنَ الرَّضَاعَةِ) فَقَالَتْ عَائِشَةُ: يَا رَسُولَ اللهِ هذَا رَجُلٌ يَسْتَأْذِنُ فِي بَيْتِكَ، قَالَتْ: فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أُرَاهُ فُلاَنًا (لِعَمِّ حَفْصَةَ مِنَ الرَّضَاعَةِ) فَقَالَتْ عَائِشَةُ؛ لَوْ كَانَ فُلاَنٌ حَيًّا (لِعَمِّهَا مِنَ الرَّضَاعَةِ) دَخَلَ عَلَيَّ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَعَمْ، إِنَّ الرَّضَاعَةَ تُحَرِّمُ مَا يَحْرُمُ مِنَ الْوِلاَدَةِ

বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ)

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তাঁর নিকট অবস্থান করছিলেন। এমন সময় তিনি এক ব্যক্তির আওয়াজ শুনতে পেলেন। সে হাফসাহ (রাঃ)-এর ঘরে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! এ এক ব্যক্তি আপনার ঘরে প্রবেশের অনুমতি প্রার্থনা করছে। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বললেন, তাকে হাফসাহর অমুক দুধ চাচা বলে মনে হচ্ছে। তখন ‘আয়িশা (রাঃ) বললেন, আচ্ছা আমার অমুক দুধ চাচা যদি জীবিত থাকত তাহলে সে কি আমার ঘরে প্রবেশ করতে পারত? আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ, পারত। কেননা, জন্মসূত্রে যা হারাম, দুধপানও তাকে হারাম করে।।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫২ : সাক্ষ্যদান, অধ্যায় ৭, হাঃ ২৬৪৬; মুসলিম, পৰ্ব ১৭: দুগ্ধপান, অধ্যায় ১, হাঃ ১৪৪৪

১৭/২. অধ্যায়ঃ

কারো স্ত্রীর দুধপান তার সন্তানাদির সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ করে।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯১৭

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: اسْتَأْذَنَ عَلَيَّ أَفْلَحُ أَخُو أَبِي الْقُعَيْسِ بَعْدَمَا أُنْزِلَ الْحِجَابُ، فَقُلْتُ: لاَ آذَنُ لَهُ حَتَّى أَسْتَأْذِنَ فِيهِ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَإِنَّ أَخَاهُ أَبَا الْقُعَيْسِ لَيْسَ هُوَ أَرْضَعَنِي، وَلكِنْ أَرْضَعَتْنِي امْرَأَةُ أَبِي الْقُعَيْسِ فَدَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقُلْتُ لَهُ: يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ أَفْلَحَ أَخَا أَبِي الْقُعَيْسِ اسْتَأْذَنَ فَأَبَيْتُ أَنْ آذَنَ حَتَّى أَسْتَأْذِنَكَ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: وَمَا مَنَعَكِ أَنْ تَأْذَنِينَ عَمُّكِ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّ الرَّجُلَ [ص: 103] لَيْسَ هُوَ أَرْضَعَنِي، وَلكِنْ أَرْضَعَتْنِي امْرَأَةُ أَبِي الْقُعَيْسِ فَقَالَ: ائْذَنِي لَهُ، فَإِنَّهُ عَمُّكِ، تَرِبَتْ يَمِينُكِ

বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ)

পর্দার আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর, আবুল কু’আয়স এর ভাই আফ্‌লাহ আমার কাছে প্রবেশ করার অনুমতি চায়। আমি বললাম, এ ব্যাপারে যতক্ষণ রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) অনুমতি না দিবেন, ততক্ষণ আমি অনুমতি দিতে পারি না। কেননা তার ভাই আবু কু‘আয়স তো নিজে আমাকে দুধ পান করাননি। কিন্তু আবুল কু’আয়সের স্ত্রী আমাকে দুধ পান করিয়েছেন। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমাদের কাছে আসলেন।আমি তাঁকে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আবুল কু’আয়সের ভাই আফরাহ্ আমার সাথে দেখা করার অনুমতি চাইছিল। আমি এ বলে অস্বীকার করেছি যে, যতক্ষণ আপনি এ ব্যাপারে অনুমতি না দেবেন, ততক্ষণ আমি অনুমতি দেব না। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেন, তোমার চাচাকে (তোমার সাথে দেখা করার) অনুমতি দিতে কিসে বাধা দিয়েছে? আমি বললাম, সে ব্যক্তি তো আমাকে দুধ পান করাননি; কিন্তু আবুল কু’আয়াসের স্ত্রী আমাকে দুধ পান করিয়েছে। এরপর তিনি [রাসূল (ﷺ)] বললেন, তোমার হাত ধূলি ধূসরিত হোক, তাকে অনুমতি দাও, কেননা, সে তোমার চাচা। উরওয়া বলেন, এ কারণে ‘আয়িশা (রাঃ) বলতেন, বংশের দিক দিয়ে যা হারাম মনে কর, দুধ পানের কারণেও তা হারাম জান ।।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৫; তাফসীর, অধ্যায় ৩৩, হাঃ ৪৭৯৬; মুসলিম, পৰ্ব ১৭ ; দুগ্ধপান, অধ্যায় ২, হাঃ ১৪৪৫

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯১৮

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: اسْتَأْذَنَ عَلَيَّ أَفْلَحُ فَلَمْ آذَنْ لَهُ فَقَالَ: أَتَحْتَجِبِينَ مِنِّي وَأَنَا عَمُّكِ فَقُلْتُ: وَكَيْفَ ذلِكَ قَالَ: أَرْضَعَتْكِ امْرَأَةُ أَخِي بِلَبَنِ أَخِي فَقَالَتْ: سَأَلْتُ عَنْ ذلِكَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: صَدَقَ أَفْلَحُ، ائْذَنِي لَهُ

বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ)

আফলাহ্ (রাঃ) আমার সাক্ষাতের অনুমতি চাইলেন। আমি অনুমতি না দেয়ায় তিনি বললেন, আমি তোমার চাচা, অথচ তুমি আমার সঙ্গে পর্দা করছ? আমি বললাম, তা কিভাবে? তিনি বললেন, আমার ভাইয়ের স্ত্রী, আমার ভাইয়ের মিলনজাত দুধ তোমাকে পান করিয়েছে। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, এ সম্পর্কে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে আমি জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, আফলাহ্ (রাঃ) ঠিক কথাই বলেছে। তাকে অনুমতি দাও।।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫২; সাক্ষ্যদান, অধ্যায় ৭, হাঃ ২৬৪৪; মুসলিম, পৰ্ব ১৭: দুগ্ধপান, অধ্যায় ২, হাঃ ১৪৪৫

১৭/৩. অধ্যায়ঃ

দুগ্ধ ভাতিজির সঙ্গে বিবাহ নিষিদ্ধ।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯১৯

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فِي بِنْتِ حَمْزَةَ: لاَ تَحِلُّ لِي، يَحْرُمُ مِنَ الرَّضَاعِ مَا يَحْرُمُ مِنَ النَّسَبِ، هِيَ بِنْتُ أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ

বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)

নবী (ﷺ) হামযাহর মেয়ে সম্পর্কে বলেছেন, সে আমার জন্য হালাল নয়। কেননা বংশ কারণে যা হারাম হয়, দুধ পানের সম্পর্কের কারণেও তা হারাম হয়, আর সে আমার দুধ ভাইয়ের মেয়ে।।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫২ সাক্ষ্যদান, অধ্যায় ৭, হাঃ ২৬৪৫; মুসলিম, পর্ব ১৭: দুগ্ধপান, অধ্যায় ৩, হাঃ ১৪৪৭

১৭/৪. অধ্যায়ঃ

পালিতা কন্যা ও স্ত্রীর বোন হারাম।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯২০

حديث أُمِّ حَبِيبَةَ قَالَتْ: قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ هَلْ لَكَ فِي بِنْتِ أَبِي سُفْيَانَ قَالَ: فَأَفْعَلُ مَاذَا قُلْتُ: تَنْكِحُ؛ قَالَ: أَتُحِبِّينَ قُلْتُ: لَسْتُ لَكَ بِمُخْلِيَةٍ، وَأَحَبُّ مَنْ شَرَكَنِي فِيكَ أُخْتِي قَالَ: إِنَّهَا لاَ تَحِلُّ لِي قُلْتُ: بَلَغَنِي أَنَّكَ تَخْطُبُ [ص: 104] قَالَ: ابْنَةَ أُمِّ سَلَمَةَ قُلْتُ: نَعَمْ قَالَ: لَوْ لَمْ تَكُنْ رَبِيبَتِي مَا حَلَّتْ لِي، أَرْضَعَتْنِي وَأَبَاهَا ثُوَيْبَةُ، فَلاَ تَعْرِضْنَ عَلَيَّ بَنَاتِكُنَّ وَلاَ أَخَوَاتِكُنَّ

বর্ণনাকারী উম্মু হাবীবাহ (রাঃ)

আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি কি আবু সুফিয়ানের কন্যার ব্যাপারে আগ্রহী? নবী (ﷺ) উত্তর দিলেন, তাকে দিয়ে আমার কি হবে? আমি বললাম, তাকে আপনি বিয়ে করবেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, তুমি কি তা পছন্দ করবে? আমি বললাম, হ্যাঁ। এখন তো আমি একাই আপনার স্ত্রী নই। সুতরাং আমি চাই, আমার বোনও আমার সাথে কল্যাণে অংশীদার হোক। তিনি বললেন, তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল নয়। আমি বললাম, আমরা শুনেছি যে, আপনি আবু সালামাহ্‌র কন্যা দুররাকে বিয়ে করার জন্য পয়গাম পাঠিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন করলেন, উম্মু সালামাহ্‌র কন্যা? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, সে যদি আমার প্রতিপালিতা সৎ কন্যা নাও হতো তবুও তাকে বিয়ে করা আমার জন্য হালাল হতো না।কেননা সুয়াইবিয়া আমাকে ও তার পিতাকে দুধ পান করিয়েছিল। সুতরাং শাদীর জন্য তোমাদের কন্যা বা বোন কাউকে পেশ করো না।

সহীহুল বুখারী, পূর্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ২৫, হাঃ ৫১০৬; মুসলিম, পর্ব ১৭: দুগ্ধপান, অধ্যায় ৪, হাঃ ১৪৪৯

১৭/৮. অধ্যায়ঃ

মাজায়াত দ্বারা রাজাঈ সাব্যস্ত হওয়া (শিশুর দুই বছর বয়সের মধ্যে ক্ষুধায় দুগ্ধপান “দুগ্ধদান” সাব্যস্ত করে)।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯২১

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَعِنْدِي رَجُلٌ، قَالَ: يَا عَائِشَةُ مَنْ هذَا قُلْتُ: أَخِي مِنَ الرَّضَاعَةِ قَالَ: يَا عَائِشَةُ انْظُرْنَ مَنْ إِخْوَانُكُنَّ، فَإِنَّمَا الرَّضَاعَةُ مِنَ المَجَاعَةِ

বর্ণনাকারী ‘আয়িশাহ (রাঃ)

নবী (ﷺ) আমার নিকট আসলেন, তখন আমার নিকট এক ব্যক্তি ছিল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে ‘আয়িশাহ! এ কে? আমি বললাম, আমার দুধ ভাই। তিনি বললেন, হে ‘আয়িশাহ! কে তোমার সত্যিকার দুধ ভাই তা যাচাই করে দেখে নিও। কেননা, ক্ষুধার কারণে দুধ পানের ফলেই শুধু দুধ সম্পর্ক স্থাপিত হয়। ইবনু মাহদী (রহ.) সুফইয়ান (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় মুহাম্মাদ ইবনু কাসীর (রহ.)-এর অনুসরণ করেছেন ।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৫২ : সাক্ষ্যদান, অধ্যায় ৭, হাঃ ২৬৪৭; মুসলিম, পর্ব ১৭: দুগ্ধপান, অধ্যায় ৮, হাঃ ১৪৫৫

১৭/১০. অধ্যায়ঃ

বিছানা যার সন্তান তার এবং সন্দেহ থেকে বেঁচে থাকা।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯২২

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: اخْتَصَمَ سَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ وَعَبْدُ بْنُ زَمْعَةَ فِي غُلاَمٍ؛ فَقَالَ سَعْدٌ: هذَا، يَا رَسُولَ اللهِ ابْنُ أَخِي عُتْبَةَ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَهِدَ إِلَيَّ أَنَّهُ ابْنُهُ، انْظُرْ إِلَى شَبَهِهِ، وَقَالَ عَبْدُ بْنُ زَمْعَةَ: هذَا أَخِي، يَا رَسُولَ اللهِ وُلِدَ عَلَى فِرَاشِ أَبِي مِنْ وَلِيدَتِهِ فَنَظَرَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى شَبَهِهِ فَرَأَى شَبَهًا بَيِّنًا بِعُتْبَةَ، فَقَالَ: هُوَ لَكَ [ص: 105] يَا عَبْدُ، الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ، وَاحْتَجِبِي مِنْهُ يَا سَوْدَة بِنْتَ زَمْعَةَ فَلَمْ تَرَهُ سَوْدَةُ قَطُّ

বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ)

তিনি বলেন, সা‘দ ইব্‌নু আবু ওয়াক্কাস ও ‘আবদ ইব্‌নু যাম্‘আ উভয়ে এক বালকের ব্যাপারে বিতর্ক করেন। সা‘দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! এতো আমার ভাই উৎবা ইবনু আবী ওয়াক্কাসের পুত্র। সে তার পুত্র হিসাবে আমাকে ওয়াসিয়্যত করে গেছে। আপনি ওর সাদৃশ্যের প্রতি লক্ষ্য করুন। ‘আবদ ইবনু যাম‘আ বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! এ আমার ভাই, আমার পিতার দাসীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করে। তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তার চেহারার দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন যে, উত্‌বার সাথে তার পরিষ্কার সাদৃশ্য রয়েছে। তিনি বললেন, এ ছেলেটি তুমি পাবে, হে আব্‌দ ইবনু যাম‘আ! বিছানা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে বঞ্চনা। হে সাওদাহ বিনতু যাম‘আ! তুমি এর হতে পর্দা কর। ফলে সাওদাহ (রাঃ) কখনও তাকে দেখেননি।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩৪ ; ক্রয়-বিক্ৰয়, অধ্যায় ১০০, হাঃ ২২১৮; মুসলিম, পৰ্ব ১৭: দুগ্ধপান, অধ্যায় ১০, হাঃ ১৪৫৭

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯২৩

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: الْوَلَدُ لِصَاحِبِ الْفِرَاشِ

বর্ণনাকারী আবু হুরায়রাহ (রাঃ)

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ সন্তান হল শয্যাধিপতির।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮৫: ফারায়িয, অধ্যায় ১৮, হাঃ ৬৭৫০; মুসলিম, পৰ্ব ১৭: দুগ্ধপান, অধ্যায়, হাঃ ১৪৫৮

১৭/১১. অধ্যায়ঃ

বাহ্যিক আকৃতি দ্বারা বংশ পরিচয় মেলানো।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯২৪

حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ وَهُوَ مَسْرُورٌ، فَقَالَ: يَا عَائِشَةُ أَلَمْ تَرَىْ أَنَّ مُجَزِّزًا الْمُدْلِجِيَّ دَخَلَ فَرَأَى أُسَامَةَ وَزَيْدًا، وَعَلَيْهِمَا قَطِيفَةٌ قَدْ غَطَّيَا رُؤوسَهُمَا، وَبَدَتْ أَقْدَامُهُمَا، فَقَالَ: إِنَّ هذِهِ الأَقْدَامَ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ

বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ)

একদা রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) আমার কাছে প্রফুল্ল অবস্থায় এলেন এবং বললেনঃ হে ‘আয়িশাহ! (চিহ্ন ধরে বংশ উদঘাটনকারী) মুদলিজী এসেছে তা কি তুমি দেখনি? এসেই সে উসামাহ এবং যায়দ-এর দিকে নযর করেছে। তারা উভয়ে চাদর পরিহিত অবস্থায় ছিল । তাদের মাথা ঢেকে রাখা ছিল। তবে তাদের পা গুলো দেখা যাচ্ছিল । তখন সে বলল, এদের পা গুলো একে অপর থেকে আলাদা ।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৮৫: ফারায়িয, অধ্যায় ৩১, হাঃ ৬৭৭১; মুসলিম, পৰ্ব ১৭: দুগ্ধপান দুগ্ধপান, অধ্যায় ১১, হাঃ ১৪৫৯

১৭/১২. অধ্যায়ঃ

বিবাহের পর কুমারী ও পূর্ণ বিবাহিতা স্ত্রীর নিকট অবস্থানের পরিমাণ।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ৯২৫

حديث أَنَسٍ، قَالَ: مِنَ السُّنَّةِ، إِذَا تَزَوَّجَ الرَّجُلُ الْبِكْرَ عَلَى الثَّيِّبِ، أَقَامَ عِنْدَهَا سَبْعًا، وَقَسَمَ؛ وَإِذَا تَزَوَّجَ الثَّيِّبَ عَلَى الْبِكْرِ، أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلاَثًا، ثُمَّ قَسَمَ

বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)

নবী (ﷺ)-এর সুন্নাত হচ্ছে, যদি কেউ বিধবা স্ত্রী থাকা অবস্থায় কুমারী শাদী করে তবে সে যেন তার সঙ্গে সাত দিন অতিবাহিত করে এবং এরপর পালা অনুসারে এবং কেউ যদি কোন বিধবাকে শাদী করে এবং তার ঘরে পূর্ব থেকেই কুমারী স্ত্রী থাকে তবে সে যেন তার সাথে তিন দিন কাটায় এবং অতঃপর পালাক্রমে।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ১০১, হাঃ ৫২১৪; মুসলিম, পর্ব ১৭: দুগ্ধপান দুগ্ধপান, অধ্যায় ১২, হাঃ ১৪৬১

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18