দুআ

৩৪/১. অধ্যায়ঃ

দুআ’র ফযিলত

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮২৭

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الْمَلِيحِ الْمَدَنِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَنْ لَمْ يَدْعُ اللَّهَ سُبْحَانَهُ غَضِبَ عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করে না, আল্লাহ তার প্রতি অসন্তুষ্ট হন।

[৩১৫৯] তিরমিযী ৩৩৭৩। সহীহাহ ২৬৫৪।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮২৮

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ ذَرِّ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْهَمْدَانِيِّ، عَنْ يُسَيْعٍ الْكِنْدِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إِنَّ الدُّعَاءَ هُوَ الْعِبَادَةُ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَرَأَ ‏{وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ}‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী নু‘মান বিন বশীর (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ দোয়া-ই হলো ইবাদত। অতঃপর তিলাওয়াত করেন: “এবং তোমার প্রভু বলেছেন, তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো” (৪০:৬০)।

[৩১৬০] তিরমিযী ২৯৬৯, ৩২৪৭, ৩৩৭২, আবু দাউদ ১৪৭৯, ১৭৮৮৮, ১৭৯১৯, ১৭৯৬৪। আল আহকাম ১৯৪, রাওদুন নাদীর ৮৮৮, মিশকাত ২৩৩০, সহীহ আবু দাউদ ১৩২৯।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮২৯

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ الْقَطَّانُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ لَيْسَ شَىْءٌ أَكْرَمَ عَلَى اللَّهِ سُبْحَانَهُ مِنَ الدُّعَاءِ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)

নবী (ﷺ) বলেন: মহান আল্লাহর নিকট দোয়ার চেয়ে অধিক সম্মানিত কোন জিনিস নাই।

[৩১৬১] তিরমিযী ৩৩৭০। মিশকাত ২৩২, আত তা’লীকুর রাগীব ২/২৭০।

৩৪/২. অধ্যায়ঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর দুআ’

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮৩০

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، سَنَةَ إِحْدَى وَثَلاَثِينَ وَمِائَتَيْنِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، فِي سَنَةِ خَمْسٍ وَتِسْعِينَ وَمِائَةٍ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ فِي مَجْلِسِ الأَعْمَشِ مُنْذُ خَمْسِينَ سَنَةً حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ الْجَمَلِيُّ فِي زَمَنِ خَالِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَارِثِ الْمُكْتِبِ عَنْ طَلِيقِ بْنِ قَيْسٍ الْحَنَفِيِّ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَقُولُ فِي دُعَائِهِ ‏ "‏ رَبِّ أَعِنِّي وَلاَ تُعِنْ عَلَىَّ وَانْصُرْنِي وَلاَ تَنْصُرْ عَلَىَّ وَامْكُرْ لِي وَلاَ تَمْكُرْ عَلَىَّ وَاهْدِنِي وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ بَغَى عَلَىَّ رَبِّ اجْعَلْنِي لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مُطِيعًا إِلَيْكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِي وَاغْسِلْ حَوْبَتِي وَأَجِبْ دَعْوَتِي وَاهْدِ قَلْبِي وَسَدِّدْ لِسَانِي وَثَبِّتْ حُجَّتِي وَاسْلُلْ سَخِيمَةَ قَلْبِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو الْحَسَنِ الطَّنَافِسِيُّ قُلْتُ لِوَكِيعٍ أَقُولُهُ فِي قُنُوتِ الْوِتْرِ قَالَ نَعَمْ ‏.‏

বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ)

রাসুলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর দোয়ায় বলতেন: “হে প্রভু! আমাকে সাহায্য করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করো না, আমাকে সহযোগিতা করো এবং আমার বিরুদ্ধে কাউকে সহযোগিতা করো না, আমার জন্য কৌশল এঁটো, আমার বিরুদ্ধে কৌশল এঁটো না, আমাকে হিদায়াত দান করো, আমার জন্য হিদায়াতের পথ সহজতর করো এবং যে ব্যক্তি আমার উপর অত্যাচার ও সীমা লঙ্ঘন করে তার বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো।হে প্রভু! আমাকে তোমার জন্য কৃতজ্ঞ বান্দা বানাও, তোমার জন্য অনেক যিকিরকারী, তোমাকে অধিক ভয়কারী, তোমার অধিক আনুগত্যকারী, তোমার নিকট অনুনয়-বিনয়কারী ও তোমার দিকে প্রত্যাবর্তনকারী বানাও।হে আমার রব! আমার তওবা কবুল করো, আমার সমস্ত গুনাহ ধুয়ে-মুছে ফেলো, আমার দোয়া কবুল করো, আমার অন্তরকে হিদায়াত দান করো, আমার জবানকে সোজা রাখো, আমার যুক্তি-প্রমাণ বহাল করো এবং আমার মনের সমস্ত হিংসা-বিদ্বেষ দূরীভূত করো।আবুল হাসান আত-তানাফিসী (রহঃ) বলেন – আমি ওকী‘ (রহঃ)-কে বললাম, আমি কি তা বিতরের কুনূতে পড়তে পারি? তিনি বলেন, হাঁ।

[৩১৬২] তিরমিযী ৩৫৫১, আবু দাউদ ১৫১০, আহমাদ ১৯৯৮। আয যিলাল ৩৮৪।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮৩১

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُبَيْدَةَ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أَتَتْ فَاطِمَةُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ تَسْأَلُهُ خَادِمًا فَقَالَ لَهَا ‏"‏ مَا عِنْدِي مَا أُعْطِيكِ ‏"‏ ‏.‏ فَرَجَعَتْ فَأَتَاهَا بَعْدَ ذَلِكَ فَقَالَ ‏"‏ الَّذِي سَأَلْتِ أَحَبُّ إِلَيْكِ أَوْ مَا هُوَ خَيْرٌ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَهَا عَلِيٌّ قُولِي لاَ بَلْ مَا هُوَ خَيْرٌ مِنْهُ فَقَالَتْ فَقَالَ ‏"‏ قُولِي اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَىْءٍ مُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالإِنْجِيلِ وَالْقُرْآنِ الْعَظِيمِ أَنْتَ الأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَىْءٌ وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَىْءٌ اقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)

তিনি বলেন, ফাতিমা (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর নিকট একজন খাদেম চাওয়ার জন্য আসলেন। তিনি তাঁকে বলেনঃ আমার কাছে এমন কিছু নেই, যা আমি তোমাকে দিতে পারি। অতএব তিনি ফিরে গেলেন। পরে নবী (ﷺ) তাঁর নিকট এসে বলেনঃ যা তুমি চেয়েছ, সেটাই কি তোমার কাছে অধিক প্রিয়, না যা তার চেয়ে উত্তম সেটি? আলী (রাঃ)-ও তাই বললেন।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ, সাত আসমানের প্রতিপালক ও মহান আরশের প্রভু, আমাদের প্রতিপালক এবং প্রতিটি জিনিসের প্রতিপালক, তাওরাত, ইনজীল ও মহান কুরআন নাজিলকারী, তুমিই আদি, তোমার পূর্বে কিছুই নাই, তুমি অন্ত, তোমার পরেও কিছুই নাই, তুমিই প্রবল, বিজয়ী ও প্রকাশ্য, তোমার উপরে কিছুই নাই, তুমিই গুপ্ত, তুমি ছাড়া আর কিছু নাই। অতএব তুমি আমাদের ঋণ পরিশোধ করে দাও এবং আমাদেরকে দরিদ্রতা থেকে স্বাবলম্বী বানাও”।

[৩১৬৩] মুসলিম ২৭১৩, তিরমিযী ৩৪০০, ৩৪৮১, আবু দাউদ ৫০৫১, আহমাদ ৮৭৩৭, ৮৯৯৪, ১০৫৪১।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮৩২

حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي الأَحْوَصِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ ‏ "‏ اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالتُّقَى وَالْعَفَافَ وَالْغِنَى ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ (বিন মাস’উদ) (রাঃ)

নবী (ﷺ) বলতেন : “হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট হেদায়েত, তাকওয়া, চরিত্রের নির্মলতা ও আত্মনির্ভরশীলতা প্রার্থনা করি”।

[৩১৬৪] মুসলিম ২৭২১, তিরমিযী ৩৪৮৯, আহমাদ ৩৬৮৪, ৩৬৯৪, ৩৯৪০, ৪১২৪, ৪১৫১, ৪২২১। তাখরীজু ফিকহুস সায়রাহ ৪৮১।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮৩৩

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏ "‏ اللَّهُمَّ انْفَعْنِي بِمَا عَلَّمْتَنِي وَعَلِّمْنِي مَا يَنْفَعُنِي وَزِدْنِي عِلْمًا وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ وَأَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ عَذَابِ النَّارِ ‏"‏ ‏.

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলতেন: “হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যে জ্ঞান দান করেছ, তার দ্বারা আমাকে উপকৃত করো, আমার জন্য উপকারী জ্ঞান আমাকে শিখিয়ে দাও এবং আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করো। সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর। আমি জাহান্নামের শাস্তি থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করি।”

তাহকীক আলবানী : “(আরবী)” ব্যতীত সহীহ।[৩১৬৫] তিরমিযী ৩৫৯৯।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮৩৪

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ يَزِيدَ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يُكْثِرُ أَنْ يَقُولَ ‏"‏ اللَّهُمَّ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَخَافُ عَلَيْنَا وَقَدْ آمَنَّا بِكَ وَصَدَّقْنَاكَ بِمَا جِئْتَ بِهِ فَقَالَ ‏"‏ إِنَّ الْقُلُوبَ بَيْنَ إِصْبَعَيْنِ مِنْ أَصَابِعِ الرَّحْمَنِ عَزَّ وَجَلَّ يُقَلِّبُهَا ‏"‏ ‏.‏ وَأَشَارَ الأَعْمَشُ بِإِصْبَعَيْهِ ‏.‏

বর্ণনাকারী আনাস বিন মালিক (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পর্যাপ্ত পরিমাণে বলতেন: “হে আল্লাহ! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখো”। এক ব্যক্তি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আমাদের ব্যাপারে আশঙ্কা করেন? আমরা তো আপনার উপর ঈমান এনেছি এবং আপনি যা নিয়ে এসেছেন সেই বিষয়ে আমরা আপনাকে সত্যবাদী বলে স্বীকার করে নিয়েছি। তিনি বলেন: অন্তরসমূহ মহামহিম করুণাময়ের দু’ আঙ্গুলের মাঝে অবস্থিত। তিনি সেগুলোকে ওলট-পালট করেন। আ‘মাশ (রাঃ) তার দু’ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করেন।

[৩১৬৬] তিরমিযী ২১৪০। আয যিলাল ২২৫, তাখরিজুল ঈমান লি ইবনু আবী শায়বাহ ৫৫-৫৮।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮৩৫

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي الْخَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، ‏.‏ أَنَّهُ قَالَ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَلِّمْنِي دُعَاءً أَدْعُو بِهِ فِي صَلاَتِي ‏.‏ قَالَ ‏ "‏ قُلِ اللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيرًا وَلاَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلاَّ أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِي إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ বকর সিদ্দীক (রাঃ)

তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বললেন, আমাকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিন যার দ্বারা আমি আমার সালাতের মধ্যে দোয়া করতে পারি। তিনি বলেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আমার সত্তার উপর অনেক অত্যাচার করেছি, তুমি ভিন্ন গুনাহ মাফ করার আর কেউ নাই। অতএব তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কেননা তুমিই কেবল ক্ষমা করতে পারো এবং আমার প্রতি দয়া করো। নিশ্চয়ই তুমি ক্ষমাকারী, অতি দয়ালু।”

[৩১৬৭] সহীহুল বুখারী ৮৩৪, ৬৩২৬, ৭৩৮৮, মুসলিম ২৭০৫, তিরমিযী ৩৫৩১, নাসায়ী ১৩০২, আহমাদ ৮, ২৯।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৮৩৬

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ أَبِي مَرْزُوقٍ، عَنْ أَبِي الْعَدَبَّسِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ خَرَجَ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَهُوَ مُتَّكِئٌ عَلَى عَصًا فَلَمَّا رَأَيْنَاهُ قُمْنَا فَقَالَ ‏"‏ لاَ تَفْعَلُوا كَمَا يَفْعَلُ أَهْلُ فَارِسَ بِعُظَمَائِهَا ‏"‏ ‏.‏ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ دَعَوْتَ اللَّهَ لَنَا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَنَا وَارْحَمْنَا وَارْضَ عَنَّا وَتَقَبَّلْ مِنَّا وَأَدْخِلْنَا الْجَنَّةَ وَنَجِّنَا مِنَ النَّارِ وَأَصْلِحْ لَنَا شَأْنَنَا كُلَّهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَكَأَنَّمَا أَحْبَبْنَا أَنْ يَزِيدَنَا فَقَالَ ‏"‏ أَوَلَيْسَ قَدْ جَمَعْتُ لَكُمُ الأَمْرَ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ উমামাহ আল-বাহিলী (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি লাঠিতে ভর দিয়ে আমাদের নিকট বেরিয়ে এলেন। আমরা তাঁকে দেখামাত্র দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি বলেনঃ পারস্যবাসীরা তাদের নেতাদের সাথে যেরূপ করে, তোমরা তদ্রূপ করো না। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি আমাদের জন্য আল্লাহর নিকট দোয়া করতেন। তিনি বলেন, “হে আল্লাহ! আমাদের মাফ করে দাও, আমাদের প্রতি দয়া করো, আমাদের প্রতি সন্তুষ্ট থাকো, আমাদের দোয়া কবুল করো, আমাদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাও, আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে নাজাত দাও, আমাদের অবস্থা সংশোধন করে দাও সম্পূর্ণভাবে।” তখন তিনি বলেনঃ আমি কি তোমাদের সকল প্রয়োজন একত্র করে দেইনি?

[৩১৬৮] আবু দাউদ ৫২৩০, আহমাদ ২১৬৭৭, ২১৬৯৭। দঈফাহ ২৪৬।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18