শিষ্টাচার

৩৩/১. অধ্যায়ঃ

মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৫৭

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنِ ابْنِ سَلاَمَةَ السُّلَمِيِّ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أُوصِي امْرَأً بِأُمِّهِ أُوصِي امْرَأً بِأُمِّهِ أُوصِي امْرَأً بِأُمِّهِ - ثَلاَثًا - أُوصِي امْرَأً بِأَبِيهِ أُوصِي امْرَءًا بِمَوْلاَهُ الَّذِي يَلِيهِ وَإِنْ كَانَ عَلَيْهِ مِنْهُ أَذًى يُؤْذِيهِ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী ইবনু সালামাহ (উপনাম) আবূ সালামা আস-সুলামী (রাঃ)

তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমি মানুষকে তার মায়ের সাথে সদাচরণের উপদেশ দিচ্ছি, আমি মানুষকে তার মায়ের সাথে সদাচরণের উপদেশ দিচ্ছি, আমি মানুষকে তার মায়ের সাথে সদাচরণের উপদেশ দিচ্ছি, আমি মানুষকে তার বাবার সাথে সদাচরণের উপদেশ দিচ্ছি, আমি মানুষকে তার অধীন দাসের সাথে সদাচরণের উপদেশ দিচ্ছি, যদিও সে তার প্রতি কষ্টদায়ক আচরণ করে।

[২৯৮৯] আহমাদ ১৮৩১২। ইরওয়া’ ৮৩৭।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৫৮

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ مَيْمُونٍ الْمَكِّيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ الْقَعْقَاعِ، عَنْ أَبِي زُرْعَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ مَنْ أَبَرُّ قَالَ ‏"‏ أُمَّكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ ‏"‏ أُمَّكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ ‏"‏ أَبَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ ‏"‏ الأَدْنَى فَالأَدْنَى ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)

তিনি বলেন, সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ)! কার সাথে সদাচরণ করব? তিনি বলেন: তোমার মায়ের সাথে। তারা বলেন, অতঃপর কার সাথে? তিনি বলেন: তোমার মায়ের সাথে। তারা বলেন, অতঃপর কার সাথে? তিনি বলেন: তোমার পিতার সাথে। তারা বলেন, অতঃপর কার সাথে? তিনি বলেন, অতঃপর পর্যায়ক্রমে নিকটবর্তীদের সাথে।

[২৯৯০] বুখারী ৫৯৭১, মুসলিম ৪৬২১, আহমাদ ৮১৪৪,৮৮৩৮,৮৯৬৫।ইরওয়া’ ২১৬৯,গায়াতুল মারাম ২৭৬, রাওদুন নাদীর ৮৬৫।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৫৯

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ لاَ يَجْزِي وَلَدٌ وَالِدَهُ إِلاَّ أَنْ يَجِدَهُ مَمْلُوكًا فَيَشْتَرِيَهُ فَيُعْتِقَهُ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কোন সন্তান তার পিতার হক আদায় করতে সক্ষম নয়। তবে সে যদি তাকে দাসরূপে পায় এবং তাকে ক্রয় করে আজাদ করে দেয় (তাহলে কিছু হক আদায় হয়)।

[২৯৯১] মুসলিম ১৫১০, তিরমিযী ১৯০৬,আবূ দাউদ ৫১৩৭, আহমাদ ৭১০৩,৭৫১৬,৮৬৭৬,৯৪৫২। ইরওয়া’ ১৭৪৭।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৬০

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏"‏ الْقِنْطَارُ اثْنَا عَشَرَ أَلْفَ أُوقِيَّةٍ كُلُّ أُوقِيَّةٍ خَيْرٌ مِمَّا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏"‏ إِنَّ الرَّجُلَ لَتُرْفَعُ دَرَجَتُهُ فِي الْجَنَّةِ فَيَقُولُ أَنَّى هَذَا فَيُقَالُ بِاسْتِغْفَارِ وَلَدِكَ لَكَ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ (রাঃ)

নবী (ﷺ) বলেন: এক কিনতার হলো বারো হাজার উকিয়ার সমান এবং উকিয়া হলো আসমান-জমিনের মাঝখানে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরও বলেন: জান্নাতে মানুষের মর্যাদা অবশ্যই বৃদ্ধি করা হবে। সে বলবে, এটা (মর্যাদা বৃদ্ধি) কীভাবে হলো? বলা হবে, তোমার জন্য তোমার সন্তানের ক্ষমা প্রার্থনার বদৌলতে।

তাহকীক আলবানী : (الْقِنْطَارُ......... وَالْأَرْضِ) হাদীসটি দুর্বল। [২৯৯২] আহমাদ ৮৫৪০,দারিমী ৩৪৬৪। (الرَّجُلَ لَتُرْفَعُ ......... لَكَ) হাদীসটি হাসান।( الْقِنْطَارُ......... وَالْأَرْضِ) দঈফা ৪০৭৬, দঈফ আল-জামি‘ ৪১৪১,(الرَّجُلَ لَتُرْفَعُ ......... لَكَ) সহীহাহ ১৫৯৮, মিশকাত ২৩৫৪।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৬১

حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ بَحِيرِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنِ الْمِقْدَامِ بْنِ مَعْدِيكَرِبَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ يُوصِيكُمْ بِأُمَّهَاتِكُمْ - ثَلاَثًا - إِنَّ اللَّهَ يُوصِيكُمْ بِآبَائِكُمْ إِنَّ اللَّهَ يُوصِيكُمْ بِالأَقْرَبِ فَالأَقْرَبِ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী মিকদাম বিন মা‘দীকারিব (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের মায়েদের সম্পর্কে তোমাদের উপদেশ দিচ্ছেন। একথা তিনি তিনবার বলেন: নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের পিতাদের সম্পর্কে উপদেশ দিচ্ছেন। নিশ্চয় আল্লাহ পর্যায়ক্রমে তোমাদের নিকটবর্তীদের সম্পর্কে তোমাদের উপদেশ দিচ্ছেন (সদাচারের)।

[২৯৯৩] আহমাদ ১৬৭৩৩,১৬৭৩৬।সহীহাহ ১৬৬৬।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৬২

حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي الْعَاتِكَةِ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَجُلاً، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا حَقُّ الْوَالِدَيْنِ عَلَى وَلَدِهِمَا قَالَ ‏ "‏ هُمَا جَنَّتُكَ وَنَارُكَ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ উমামাহ (রাঃ)

এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! সন্তানের উপর মাতা-পিতার কী অধিকার আছে? তিনি বলেনঃ তারা তোমার জান্নাত এবং তোমার জাহান্নাম।

[২৯৯৪] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।মিশকাত ৪৯৪১, আর রাদ্দু আলাল বালীক ১২২, দঈফ আল-জামি‘ ৬০৯৮।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৬৩

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، سَمِعَ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏ "‏ الْوَالِدُ أَوْسَطُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ فَأَضِعْ ذَلِكَ الْبَابَ أَوِ احْفَظْهُ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ দারদা’ (রাঃ)

তিনি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন: পিতা হলো জান্নাতের দরজাসমূহের মধ্যবর্তী দরজা। অতএব তুমি ঐ দরজা নষ্টও করতে পারো অথবা তার হেফাজতও করতে পারো।

[২৯৯৫] তিরমিযী ১৯০০, আহমাদ ২১২১০,২৬৯৬৫,২৬৯৮০,২৭০০৪।

৩৩/২. অধ্যায়ঃ

যার সাথে তোমার পিতা সম্পর্ক রেখেছেন তুমিও তার সাথে সেই সম্পর্ক বজায় রাখো

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৬৪

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَسِيدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ عُبَيْدٍ، مَوْلَى بَنِي سَاعِدَةَ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي أُسَيْدٍ، مَالِكِ بْنِ رَبِيعَةَ قَالَ بَيْنَمَا نَحْنُ عِنْدَ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذْ جَاءَهُ رَجُلٌ مِنْ بَنِي سُلَيْمٍ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَبَقِيَ مِنْ بِرِّ أَبَوَىَّ شَىْءٌ أَبَرُّهُمَا بِهِ مِنْ بَعْدِ مَوْتِهِمَا قَالَ ‏ "‏ نَعَمْ الصَّلاَةُ عَلَيْهِمَا وَالاِسْتِغْفَارُ لَهُمَا وَإِيفَاءٌ بِعُهُودِهِمَا مِنْ بَعْدِ مَوْتِهِمَا وَإِكْرَامُ صَدِيقِهِمَا وَصِلَةُ الرَّحِمِ الَّتِي لاَ تُوصَلُ إِلاَّ بِهِمَا ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ উসায়দ মালিক বিন রাবীআহ (রাঃ)

তিনি বলেন, একদা আমরা নবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন সুলাইম গোত্রের এক ব্যক্তি তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর তাদের সাথে সদাচারের কিছু অবশিষ্ট আছে কি, যা আমি তাদের সাথে করতে পারি? তিনি বলেনঃ হ্যাঁ, তাদের জন্য দোয়া করা, ক্ষমা প্রার্থনা করা, তাদের মৃত্যুর পর তাদের প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পালন করা, তাদের বন্ধুদের সম্মান করা এবং তাদের গড়ে তোলা সম্পর্ক উজ্জীবিত রাখা।

[২৯৯৬] আবূ দাউদ ৫১৪২। মিশকাত ৪৯৩৬।

৩৩/৩. অধ্যায়ঃ

কন্যা সন্তানদের সাথে পিতার সদাচরণ ও দয়া প্রদর্শন

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৬৫

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَدِمَ نَاسٌ مِنَ الأَعْرَابِ عَلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقَالُوا أَتُقَبِّلُونَ صِبْيَانَكُمْ قَالُوا نَعَمْ ‏.‏ فَقَالُوا لَكِنَّا وَاللَّهِ مَا نُقَبِّلُ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ وَأَمْلِكُ أَنْ كَانَ اللَّهُ قَدْ نَزَعَ مِنْكُمُ الرَّحْمَةَ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আয়িশাহ (রাঃ)

তিনি বলেন, কতক বেদুঈন নবী (ﷺ)-এর নিকট এসে বললো, আপনারা কি আপনাদের শিশুদের চুমু দেন? সাহাবীগণ বলেন, হ্যাঁ। তারা বললো, কিন্তু আল্লাহর শপথ! আমরা চুমু দেই না। তখন নবী (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ যদি তোমাদের অন্তর থেকে দয়া তুলে নিয়ে থাকেন তাহলে আমি আর কী করতে পারি।

[২৯৯৭] সহীহুল বুখারী ৫৯৯৮, মুসলিম ২৩১৭, আহমাদ ২৩৭৭০,২৩৮৮৭।

সুনানে ইবনে মাজাহ

হাদিস নং ৩৬৬৬

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي رَاشِدٍ، عَنْ يَعْلَى الْعَامِرِيِّ، أَنَّهُ قَالَ جَاءَ الْحَسَنُ وَالْحُسَيْنُ يَسْعَيَانِ إِلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَضَمَّهُمَا إِلَيْهِ وَقَالَ ‏ "‏ إِنَّ الْوَلَدَ مَبْخَلَةٌ مَجْبَنَةٌ ‏"‏ ‏.

বর্ণনাকারী ইয়া‘লা আল-আমিরী (রাঃ)

হাসান ও হুসাইন (রাঃ) দৌড়াতে দৌড়াতে নবী (ﷺ)-এর নিকট আসলেন। তিনি তাঁদেরকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেন: সন্তান মানুষকে কৃপণ ও ভীরু বানিয়ে দেয়।

[২৯৯৮] আহমাদ ১৭১১১। মিশকাত ৪৬৯১,৪৬৯২।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18