আন্তরিক কর্মাবলী অধ্যায়
৪/২১. অধ্যায়ঃ
আল্লাহর দয়ার আশা রাখার গুরুত্ব
হাদিস সম্ভার
وَعَن أَنَسٍ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللهِ أَصَبْتُ حَدّاً فَأَقِمْهُ عَلَيَّ وَحَضَرَتِ الصَّلاةُ فَصَلَّى مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم فَلَمَّا قَضَى الصَّلاةَ قَالَ : يَا رَسُولَ اللهِ إنِّي أصَبْتُ حَدّاً فَأقِمْ فيَّ كِتَابَ اللهِ قَالَ هَلْ حَضَرْتَ مَعَنا الصَّلاةَ ؟ قَالَ : نَعَمْ قَالَ قَدْ غُفِرَ لَكَ مُتَّفَقٌ عَلَيهِ
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! আমি দণ্ডনীয় অপরাধ ক’রে ফেলেছি, তাই আমার উপর দণ্ড প্রয়োগ করুন।’ ইতিমধ্যে নামাযের সময় হল। সেও আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে নামায পড়ল। নামায শেষ করে পুনরায় সে বলল, ‘হে আল্লাহর রসূল! নিশ্চয় আমি দণ্ডনীয় অপরাধ করে ফেলেছি তাই আমার উপর আল্লাহর কিতাবে ঘোষিত দণ্ড প্রয়োগ করুন।’ তিনি বললেন, “তুমি কি আমাদের সাথে নামায আদায় করেছ?” সে বলল, ‘জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, “নিশ্চই তোমার অপরাধ ক্ষমা ক’রে দেওয়া হয়েছে।” (বুখারী ৬৮২৩, মুসলিম ৭১৮২নং) উক্ত হাদীসে ‘দণ্ডনীয় অপরাধ’ বলতে সেই অপরাধ উদ্দেশ্য নয়, যাতে শরীয়তে নিৰ্ধারিত দন্ড আছে; যেমন মদপান ব্যভিচার প্রভৃতি। কেননা এমন দন্ডনীয় অপরাধ নামায পড়লেই ক্ষমা হয়ে যাবে না। যেমন সে দন্ড প্রয়োগ না করাও শাসকের জন্য বৈধ নয়।