তাফসীরুল কুরআন

৪৪/৫০. অধ্যায়ঃ

সূরা আল-হুজুরাত

জামে তিরমিযী

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَطَبَ النَّاسَ يَوْمَ فَتْحِ مَكَّةَ فَقَالَ ‏"‏ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَذْهَبَ عَنْكُمْ عُبِّيَّةَ الْجَاهِلِيَّةِ وَتَعَاظُمَهَا بِآبَائِهَا فَالنَّاسُ رَجُلاَنِ رَجُلٌ بَرٌّ تَقِيٌّ كَرِيمٌ عَلَى اللَّهِ وَفَاجِرٌ شَقِيٌّ هَيِّنٌ عَلَى اللَّهِ وَالنَّاسُ بَنُو آدَمَ وَخَلَقَ اللَّهُ آدَمَ مِنْ تُرَابٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ اللَّهُ ‏:‏ ‏(‏ يا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّا خَلَقْنَاكُمْ مِنْ ذَكَرٍ وَأُنْثَى وَجَعَلْنَاكُمْ شُعُوبًا وَقَبَائِلَ لِتَعَارَفُوا إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ إِنَّ اللَّهَ عَلِيمٌ خَبِيرٌ ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ يُضَعَّفُ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ وَغَيْرُهُ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ هُوَ وَالِدُ عَلِيِّ بْنِ الْمَدِينِيِّ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏

বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ)

মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন এবং বলেনঃ “হে জনমন্ডলী! তোমাদের হতে আল্লাহ তা’আলা জাহিলিয়াত যুগের দম্ভ ও অহংকার এবং পূর্বপুরুষের গৌরবগাথা বাতিল করেছেন।এখন মানুষ দুই অংশে বিভক্তঃ(১) এক দল মানুষ নেককার, পরহেজগার, আল্লাহ তা’আলার নিকট প্রিয় ও সম্মানিত এবং(২) অন্য দল পাপিষ্ঠ, দুর্ভাগা, আল্লাহ তা’আলার নিকট অত্যন্ত নিকৃষ্ট, নিচু ও ঘৃণিত।সকল মানুষই আদমের সন্তান। আল্লাহ তা’আলা আদম (আঃ)-কে মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন।মহান আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ “হে লোক সকল! তোমাদেরকে আমি একজন পুরুষ ও একজন নারী হতে তৈরি করেছি, তারপর বিভিন্ন বংশ ও গোত্রে তোমাদেরকে বিভক্ত করেছি, তোমরা যাতে একে অন্যকে চিনতে পার। যে লোক তোমাদের মাঝে বেশি পরহেজগার সেই আল্লাহ তা’আলার নিকট বেশি মর্যাদার অধিকারী। আল্লাহ তা’আলা সবকিছু সম্পর্কে জ্ঞাত, সব খবর রাখেন”- (সূরা হুজুরাত ১৩)।

সহীহঃ সহীহাহ (হাঃ ২৭০০)আবূ ঈসা বলেন, এ হাদিসটি গারীব। এ হাদিসটি আমরা শুধুমাত্র আবদুল্লাহ ইবনু দীনার হতে, তিনি ইবনু উমার(রাঃ) হতে, এ সনদেই জেনেছি। আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর হাদীস শাস্ত্রে অত্যন্ত দুর্বল। তাঁকে ইয়াহইয়া ইবনু মা’ঈন প্রমুখ দুর্বল বলে আখ্যায়িত করেছেন। আবদুল্লাহ ইবনু জা’ফর হলেন আলী ইবনু মাদীনীর বাবা।এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরাহ ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও হাদীস উল্লেখিত।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18