যিকির-আযকার প্রসঙ্গে
১৬/২৪৪. অধ্যায়ঃ
যিকির তথা আল্লাহকে স্মরণ করার ফযীলত ও তার প্রতি উৎসাহ দান
রিয়াদুস সলেহিন
وَعَنْ أَبي الدَّردَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم : «أَلاَ أُنَبِّئُكُمْ بِخَيْرِ أَعْمَالِكُمْ، وَأَزْكَاهَا عِنْدَ مَلِيكِكُمْ، وَأَرْفَعِهَا فِي دَرَجَاتِكُمْ، وَخَيرٍ لَكُمْ مِنْ إِنْفَاقِ الذَّهَبِ والفِضَّةِ، وَخَيْرٍ لَكُمْ مِنْ أَن تَلْقَوا عَدُوَّكُمْ فَتَضْرِبُوا أَعْنَاقَهُمْ وَيَضْرِبُوا أَعْنَاقَكُمْ ؟» قَالَوا: بَلَى، قَالَ: ذِكرُ الله تَعَالَى» . رواه الترمذي، قَالَ الحاكم أَبُو عبد الله: إسناده صحيح
বর্ণনাকারী আবূ দার্দা (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা বললেন, “আমি কি তোমাদেরকে তোমাদের উত্তম কাজের সন্ধান দেব না? যা তোমাদের প্রভুর নিকট সবচেয়ে পবিত্র, তোমাদের মর্যাদা সবার চেয়ে বেশি বৃদ্ধিকারী, সোনা-চাঁদি দান করার চেয়ে উত্তম এবং শত্রুর সম্মুখীন হয়ে গর্দান কাটা ও কাটানোর চেয়ে শ্রেয়।” সকলে বলল, ’অবশ্যই বলে দিন।’ তিনি বললেন, “আল্লাহ তা’আলার যিকির।”(তিরমিযী, আবূ আব্দুল্লাহ হাকেম বলেছেন, এর সনদ সহীহ)[১]
তিরমিযী ৩৩৭৭, ইবনু মাজাহ ৩৭৯০, আহমাদ ২১১৯৫, ২৬৯৭৭, ইবনু মাজাহ ৪৯০