ফারা এবং ‘আতীরা
৪২/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে নাসাঈ
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ زُرَارَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا مُعَاذٌ وَهُوَ ابْنُ مُعَاذٍ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو رَمْلَةَ قَالَ: أَنْبَأَنَا مِخْنَفُ بْنُ سُلَيْمٍ قَالَ: بَيْنَا نَحْنُ وُقُوفٌ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِعَرَفَةَ فَقَالَ: «يَا أَيُّهَا النَّاسُ، إِنَّ عَلَى أَهْلِ بَيْتٍ فِي كُلِّ عَامٍ أَضْحَاةً، وَعَتِيرَةً» قَالَ مُعَاذٌ: «كَانَ ابْنُ عَوْنٍ يَعْتِرُ أَبْصَرَتْهُ عَيْنِي فِي رَجَبٍ»
বর্ণনাকারী মিখনাফ ইব্ন সুলায়ম (রাঃ)
আমরা নবী (ﷺ)-এর সাথে আরাফায় অবস্থানরত ছিলাম। তখন তিনি (ﷺ) বললেন: হে লোক সকল! প্রত্যেক বছর প্রতিটি পরিবারে একটি কুরবানি করা ফরজ এবং একটি আতীরাহ।মু’আয (রাঃ) বলেন: ইবন আওন রজব মাসে আতীরাহ করতেন, আমি আমার নিজ চোখে তা দেখেছি।
প্রথমদিকে ‘আতীরা ওয়াজিব ছিল। পরে তা রহিত হয়ে গেছে। এখন চাইলে কেউ আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে এরূপ যবেহ করতে পারে কিন্তু করা অপরিহার্য নয়।