উভয় ঈদের নামায

১৯/১. অধ্যায়ঃ

সুনানে নাসাঈ

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا إِسْمَعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ: كَانَ لِأَهْلِ الْجَاهِلِيَّةِ يَوْمَانِ فِي كُلِّ سَنَةٍ يَلْعَبُونَ فِيهِمَا، فَلَمَّا قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ، قَالَ: " كَانَ لَكُمْ يَوْمَانِ تَلْعَبُونَ فِيهِمَا وَقَدْ أَبْدَلَكُمُ اللَّهُ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا: يَوْمَ الْفِطْرِ، وَيَوْمَ الْأَضْحَى "

বর্ণনাকারী আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ)

জাহিলী যুগের অধিবাসীদের জন্যে প্রতি বছরে দুটি দিন ছিল, যাতে তারা খেল-তামাশা করত। যখন নবী (ﷺ) মদিনায় আসলেন তখন তিনি বললেন, তোমাদের জন্যে দুটি দিন ছিল, যাতে তোমরা খেল-তামাশা করতে। এখন আল্লাহ তা’আলা তোমাদের জন্যে উক্ত দুই দিনের বদলে তার থেকেও উত্তম দুই দিন ঠিক করে দিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18