ইস্তিস্কা [বৃষ্টির জন্য দুয়া করা]

১৭/১০. অধ্যায়ঃ

দু'আর উল্লেখ

সুনানে নাসাঈ

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَجُلًا دَخَلَ الْمَسْجِدَ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَائِمٌ يَخْطُبُ، فَاسْتَقْبَلَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَائِمًا وَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَلَكَتِ الْأَمْوَالُ، وَانْقَطَعَتِ السُّبُلُ، فَادْعُ اللَّهَ أَنْ يُغِيثَنَا، فَرَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَيْهِ ثُمَّ قَالَ: «اللَّهُمَّ أَغِثْنَا، اللَّهُمَّ أَغِثْنَا»، قَالَ أَنَسٌ: وَلَا وَاللَّهِ مَا نَرَى فِي السَّمَاءِ مِنْ سَحَابَةٍ وَلَا قَزَعَةٍ وَمَا بَيْنَنَا وَبَيْنَ سَلْعٍ مِنْ بَيْتٍ وَلَا دَارٍ، فَطَلَعَتْ سَحَابَةٌ مِثْلُ التُّرْسِ، فَلَمَّا تَوَسَّطَتِ السَّمَاءَ انْتَشَرَتْ وَأَمْطَرَتْ، قَالَ أَنَسٌ: وَلَا وَاللَّهِ مَا رَأَيْنَا الشَّمْسَ سَبْتًا، قَالَ: ثُمَّ دَخَلَ رَجُلٌ مِنْ ذَلِكَ الْبَابِ فِي الْجُمُعَةِ الْمُقْبِلَةِ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَائِمٌ يَخْطُبُ، فَاسْتَقْبَلَهُ قَائِمًا فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ وَسَلَّمَ عَلَيْكَ، هَلَكَتِ الْأَمْوَالُ، وَانْقَطَعَتِ السُّبُلُ، فَادْعُ اللَّهَ أَنْ يُمْسِكَهَا عَنَّا، فَرَفَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَدَيْهِ، فَقَالَ: «اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ عَلَى الْآكَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ»، قَالَ: فَأَقْلَعَتْ، وَخَرَجْنَا نَمْشِي فِي الشَّمْسِ قَالَ شَرِيكٌ: سَأَلْتُ أَنَسًا: أَهُوَ الرَّجُلُ الْأَوَّلُ؟ قَالَ: لَا---[حكم الألباني] حسن صحيح

বর্ণনাকারী আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ)

এক ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করল, তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন, সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! (ঘাস বিচালির সংকট হেতু) চতুষ্পদ জন্তুগুলো দুর্বল হয়ে যাচ্ছে, (গরমের আধিক্য হেতু) রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহর নিকট দোয়া করুন, তিনি যেন আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষণ করেন। তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর দু’ হাত উঠালেন এবং বললেন, “আল্লাহুম্মা আগিসনাঃ আল্লাহুম্মা আগিসনাঃ” (হে আল্লাহ! তুমি আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষণ কর, হে আল্লাহ! তুমি আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষণ কর)।আনাস (রাঃ) বলেন, আমরা তখন আকাশে কোনো মেঘ বা মেঘের টুকরা দেখছিলাম না, আর আমাদের "সাল্‌’ই” পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে কোনো ঘর-বাড়িও ছিল না। হঠাৎ ঢালের ন্যায় একখণ্ড মেঘ প্রকাশ পেল, যখন তা মধ্যাকাশে পৌঁছল, বিস্তৃত হয়ে গেল এবং তা বৃষ্টির আকারে বর্ষিত হতে লাগল। আনাস (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম! আমরা এক সপ্তাহ অবধি সূর্য দেখছিলাম না।পরবর্তী জুমু'আয় ঐ দরজা দিয়ে এক ব্যক্তি প্রবেশ করল, তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) দাঁড়ানো অবস্থায় খুতবা দিচ্ছিলেন। সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে তাঁর দাঁড়ানো অবস্থায় আসলো এবং বলল, হে আল্লাহর রাসূল! বৃষ্টির আধিক্য হেতু চতুষ্পদ জন্তুগুলো অকর্মণ্য হয়ে যাচ্ছে এবং রাস্তাঘাটও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অতএব আল্লাহর কাছে দোয়া করুন তিনি যেন আমাদের ওপর থেকে বৃষ্টি বন্ধ করে দেন। তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) দু’ হাত উঠালেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! তুমি আমাদের আশেপাশে বৃষ্টি বর্ষণ কর, আমাদের ওপরে নয়। হে আল্লাহ! পাহাড় এবং টিলার চূড়ায় চূড়ায়, উপত্যকার মাঝে মাঝে এবং গাছপালার গোড়ায় গোড়ায় (বর্ষণ কর)। আনাস (রাঃ) বলেন, তারপর বৃষ্টি বন্ধ হয়ে গেল, আর আমরা সূর্যের আলোতে হেঁটে হেঁটে বাইরে গেলাম। (রাবী) শরীক (রহঃ) বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, সে ব্যক্তি কি প্রথম ব্যক্তি ছিল? তিনি বললেন, না।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18