রুকবা
৩৩/১. অধ্যায়ঃ
এ প্রসঙ্গে যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসে 'আলা ইবনু আবূ নাজীহ (রহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনার বিপরীত বর্ণনা
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭০৬
أَخْبَرَنَا هِلَالُ بْنُ الْعَلَاءِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، قَالَ: حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ وَهُوَ ابْنُ عَمْرٍو، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الرُّقْبَى جَائِزَةٌ»
বর্ণনাকারী যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ)
নাবী (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি (ﷺ) বলেন, রুকবা (বা জীবনস্বত্ব) জায়েয।
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭০৭
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ مَيْمُونٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ وَهُوَ ابْنُ يُوسُفَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ رَجُلٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ: «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَعَلَ الرُّقْبَى لِلَّذِي أُرْقِبَهَا»
বর্ণনাকারী যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ)
নাবী (ﷺ) ‘রুকবা’-কে ঐ ব্যক্তির জন্য সাব্যস্ত করেছেন, যাকে তা ‘রুকবা’ [রূপে দান] করা হয়েছে।
[১] রুক্বা- এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বললো: আমি এই ঘর তোমাকে দান করলাম। এই শর্তে যে, যদি তোমার পূর্বে আমার মৃত্যু হয়, তবে এ ঘর তোমার হবে। আর আমার পূর্বে তোমার মৃত্যু হলে, ঘর আমার থাকবে। এইরূপভাবে দান করাকে ‘রুক্বা’ বলা হয়।
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭০৮
أَخْبَرَنَا زَكَرِيَّا بْنُ يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ الْعَلَاءِ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ طَاوُسٍ، لَعَلَّهُ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «لَا رُقْبَى، فَمَنْ أُرْقِبَ شَيْئًا فَهُوَ سَبِيلُ الْمِيرَاثِ»
বর্ণনাকারী ইব্ন আব্বাস (রাঃ)
রুকবা করা উচিত নয়, তবে যার জন্য রুকবা করা হয়, সে তাতে তার উত্তরাধিকার স্বত্ব প্রযোজ্য হবে।
৩৩/২. অধ্যায়ঃ
আবুয যুবায়র (রহিমাহুল্লাহ)-এর বর্ণনায় মতবিরোধ
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭০৯
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ وَهْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو عَبْدِ الرَّحِيمِ، قَالَ: حَدَّثَنِي زَيْدٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا تُرْقِبُوا أَمْوَالَكُمْ، فَمَنْ أَرْقَبَ شَيْئًا فَهُوَ لِمَنْ أُرْقِبَهُ»
বর্ণনাকারী ইব্ন আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণিত। তিনি (ﷺ) বলেন, তোমরা তোমাদের সম্পদ রুকবা করো না। তবে যে ব্যক্তি কোন কিছু রুকবা করে, তা (সম্পূর্ণভাবে) যার জন্য রুকবা করা হয় তার জন্যই (হয়ে যায়)।
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭১০
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَرْبٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسِ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْعُمْرَى جَائِزَةٌ لِمَنْ أُعْمِرَهَا، وَالرُّقْبَى جَائِزَةٌ لِمَنْ أُرْقِبَهَا، وَالْعَائِدُ فِي هِبَتِهِ كَالْعَائِدِ فِي قَيْئِهِ»
বর্ণনাকারী ইব্ন আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: উমরা (আজীবনের জন্য দান করা) তার জন্য জায়িয যার জন্য উমরা করা হয়েছে। রুকবা তার জন্য জায়িয যার জন্য রুকবা করা হয়েছে। আর যে ব্যক্তি কিছু দান করে তা ফেরত নেয়, সে হলো তার মতো যে বমি করে আবার তা খায়।
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭১১
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «الْعُمْرَى وَالرُّقْبَى سَوَاءٌ»---[حكم الألباني] صحيح مرفوعا
বর্ণনাকারী ইব্ন আব্বাস (রাঃ)
উমরা এবং রুকবা’র বিধান সমান।
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭১২
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «لَا تَحِلُّ الرُّقْبَى وَلَا الْعُمْرَى، فَمَنْ أُعْمِرَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ، وَمَنْ أُرْقِبَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ»
বর্ণনাকারী ইব্ন আব্বাস (রাঃ)
রুকবা এবং উমরা করা উচিত নয়। তবে যাকে উমরা হিসেবে কোন কিছু দেয়া হয়েছে, তা তার জন্যই হয়ে যায়। আর যাকে রুকবা হিসেবে কোন কিছু দেয়া হয়, তাও তারই জন্য।
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭১৩
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: «لَا تَصْلُحُ الْعُمْرَى وَلَا الرُّقْبَى، فَمَنْ أَعْمَرَ شَيْئًا أَوْ أَرْقَبَهُ، فَإِنَّهُ لِمَنْ أُعْمِرَهُ وَأُرْقِبَهُ حَيَاتَهُ وَمَوْتَهُ» أَرْسَلَهُ حَنْظَلَةُ "
বর্ণনাকারী ইব্ন আব্বাস (রাঃ)
উমরা এবং রুকবা করা ঠিক নয়। তবে যদি কেউ উমরা বা রুকবা হিসেবে কাউকে কোন কিছু দেয়, তবে জীবনে ও মরণে তা ঐ ব্যক্তিরই হয়ে যায় যাকে উমরা বা রুকবা করা হয়েছে। হাদিসটি হানযালাহ হতে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭১৪
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، قَالَ: أَنْبَأَنَا حِبَّانُ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ حَنْظَلَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ طَاوُسًا، يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَحِلُّ الرُّقْبَى، فَمَنْ أُرْقِبَ رُقْبَى فَهُوَ سَبِيلُ الْمِيرَاثِ»
বর্ণনাকারী হান্যালা (রহঃ)
হানযালা (রহঃ) বলেন, তিনি তাউস (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রুকবা করা ঠিক নয়। এরপরও যদি কাউকে রুকবা হিসেবে কোন কিছু দেয়া হয়, তবে তা উত্তরাধিকারী স্বত্ব বা মীরাস হিসেবে গণ্য হবে।
সুনানে নাসাঈ
হাদিস নং ৩৭১৫
أَخْبَرَنِي عَبْدَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحِيمِ، عَنْ وَكِيعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْعُمْرَى مِيرَاثٌ»
বর্ণনাকারী যায়দ ইব্ন সাবিত (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: উমরা মীরাসের ন্যায় বিবেচ্য।