সাওম [রোযা]

২২/১. অধ্যায়ঃ

সওম ফার্য হওয়া

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯০

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ وَهُوَ ابْنُ جَعْفَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَعْرَابِيًّا جَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَائِرَ الرَّأْسِ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَخْبِرْنِي مَاذَا فَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ مِنَ الصَّلَاةِ؟ قَالَ: «الصَّلَوَاتُ الْخَمْسُ إِلَّا أَنْ تَطَوَّعَ شَيْئًا»، قَالَ: أَخْبِرْنِي بِمَا افْتَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ مِنَ الصِّيَامِ؟ قَالَ: «صِيَامُ شَهْرِ رَمَضَانَ إِلَّا أَنْ تَطَوَّعَ شَيْئًا»، قَالَ: أَخْبِرْنِي بِمَا افْتَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ مِنَ الزَّكَاةِ؟ فَأَخْبَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِشَرَائِعِ الْإِسْلَامِ، فَقَالَ: وَالَّذِي أَكْرَمَكَ، لَا أَتَطَوَّعُ شَيْئًا لَا أَنْقُصُ مِمَّا فَرَضَ اللَّهُ عَلَيَّ شَيْئًا، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَفْلَحَ إِنْ صَدَقَ أَوْ دَخَلَ الْجَنَّةَ إِنْ صَدَقَ»

বর্ণনাকারী তালহা ইব্‌ন উবায়দুল্লাহ (রাঃ)

এলোমেলো চুলবিশিষ্ট এক গ্রাম্যবক্তি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আল্লাহ আমার ওপর যে সালাত ফরজ করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিন। তিনি বললেন, আল্লাহ দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। তবে হ্যাঁ, তুমি চাইলে নফল আদায় করতে পার। তারপর সে বললো, আল্লাহ আমার ওপর যে সাওম ফরজ করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিন। তিনি (ﷺ) বললেন, রমজান মাসের সাওম। তবে হ্যাঁ, তুমি চাইলে নফল আদায় করতে পার।অতঃপর সে বললো, আল্লাহ আমার ওপর যে জাকাত ফরজ করেছেন সে সম্পর্কে আমাকে সংবাদ দিন। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে ইসলামী শরীয়ার আহকাম সম্পর্কে জানালেন। অতঃপর সে বললো, সেই সত্তার কসম! যিনি আপনাকে সম্মানিত করেছেন আমি কোনো নফলও আদায় করব না এবং আল্লাহ আমার ওপর যা ফরজ করেছেন তাতে কিছু কমতিও করব না। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, যদি সে সত্যই বলে থাকে তবে সে সফলকাম। অথবা তিনি (ﷺ) বললেন, যদি সে সত্যই বলে থাকে তবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯১

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ قَالَ: نُهِينَا فِي الْقُرْآنِ أَنْ نَسْأَلَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ شَيْءٍ، فَكَانَ يُعْجِبُنَا أَنْ يَجِيءَ الرَّجُلُ الْعَاقِلُ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ فَيَسْأَلَهُ، فَجَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ، أَتَانَا رَسُولُكَ فَأَخْبَرَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ أَرْسَلَكَ، قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ السَّمَاءَ؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَمَنْ خَلَقَ الْأَرْضَ؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَمَنْ نَصَبَ فِيهَا الْجِبَالَ؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَمَنْ جَعَلَ فِيهَا الْمَنَافِعَ؟ قَالَ: «اللَّهُ»، قَالَ: فَبِالَّذِي خَلَقَ السَّمَاءَ وَالْأَرْضَ، وَنَصَبَ فِيهَا الْجِبَالَ، وَجَعَلَ فِيهَا الْمَنَافِعَ آللَّهُ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا زَكَاةَ أَمْوَالِنَا، قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا صَوْمَ شَهْرِ رَمَضَانَ فِي كُلِّ سَنَةٍ، قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: وَزَعَمَ رَسُولُكَ أَنَّ عَلَيْنَا الْحَجَّ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا؟ قَالَ: «صَدَقَ»، قَالَ: فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا؟ قَالَ: «نَعَمْ»، قَالَ: فَوَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لَا أَزِيدَنَّ عَلَيْهِنَّ شَيْئًا وَلَا أَنْقُصُ، فَلَمَّا وَلَّى قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَئِنْ صَدَقَ لَيَدْخُلَنَّ الْجَنَّةَ»

বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)

কুরআনে আমাদের নিষেধ করা হয়েছে যেন নবী (ﷺ)-এর কাছে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন না করি। তাই আমরা মনে মনে আশা করতাম যেন গ্রাম থেকে কোনো জ্ঞানী ব্যক্তি এসে তাঁকে (রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে) প্রশ্ন করে। ইতিমধ্যে একজন গ্রাম্য ব্যক্তি এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আমাদের কাছে আপনার দূত এসেছিলেন। তিনি আমাদের বললেন যে, আপনি নাকি দাবি করেন যে, মহান ও মহীয়ান আল্লাহ আপনাকে রসূল করে পাঠিয়েছেন? তিনি (ﷺ) বললেন, সে সত্যই বলেছে।অতঃপর সে প্রশ্ন করল: তাহলে আসমান কে সৃষ্টি করেছে? তিনি (ﷺ) বললেন: আল্লাহ। অতঃপর সে প্রশ্ন করল: জমিন কে সৃষ্টি করেছে? তিনি (ﷺ) বললেন: আল্লাহ। তারপর সে প্রশ্ন করল: জমিনে পাহাড়সমূহ কে স্থাপন করেছে? তিনি (ﷺ) বললেন: আল্লাহ। এরপর সে প্রশ্ন করল: এবং তাতে উপকারী গাছপালা কে সৃষ্টি করেছে? তিনি (ﷺ) বললেন: আল্লাহ।অতঃপর সে বলল: ঐ সত্তার কসম যিনি আসমান এবং জমিন সৃষ্টি করেছেন আর তাতে পাহাড়সমূহ স্থাপন করেছেন এবং তাতে উপকারী বৃক্ষসমূহ সৃষ্টি করেছেন—আল্লাহ কি আপনাকে রসূল করে পাঠিয়েছেন? তিনি (ﷺ) বললেন: হ্যাঁ। অতঃপর সে বলল: আপনার দূত বলেন যে, আমাদের ওপর প্রতি দিন রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ? তিনি (ﷺ) বললেন: সে সত্যই বলেছে। অতঃপর সে বলল: ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে রসূলরূপে প্রেরণ করেছেন, আল্লাহ তা’আলা কি আপনাকে এর আদেশ করেছেন? তিনি (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ।অতঃপর সে বলল: আপনার দূত বলেন যে, আমাদের ওপর ধন-সম্পদের যাকাত আদায় করা ফরজ? তিনি (ﷺ) বললেন: সে তো সত্যই বলেছে। সে বলল: সেই সত্তার কসম যিনি আপনাকে প্রেরণ করেছেন, আল্লাহ তা’আলা কি আপনাকে এর আদেশ করেছেন? তিনি (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ।অতঃপর সে বলল: আপনার দূত বলেন যে, আমাদের ওপর প্রতি বছর রমজানের সাওম ফরজ? তিনি বললেন: সে তো সত্যই বলেছে। সে বলল, ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে প্রেরণ করেছেন, আল্লাহ কি আপনাকে এর আদেশ করেছেন? তিনি (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ।অতঃপর সে বলল: আপনার দূত বলেন যে, আমাদের মধ্যে যারা খরচ বহনে সক্ষম তাদের ওপর হজ্জ ফরজ? তিনি (ﷺ) বললেন: সে তো সত্যই বলেছে। সে বললো, ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে প্রেরণ করেছেন, আল্লাহ কি আপনাকে এর আদেশ করেছেন? তিনি (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর সে বলল ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে প্রেরণ করেছেন, আমি এর থেকে কোনো কিছু কমও করবো না এবং বেশিও করবো না। যখন সে ফিরে গেলো, তখন নবী (ﷺ) বললেন, যদি সে তার কথায় সত্যবাদী হয়ে থাকে তবে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে।

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯২

خْبَرَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ، عَنْ اللَّيْثِ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: بَيْنَا نَحْنُ جُلُوسٌ فِي الْمَسْجِدِ جَاءَ رَجُلٌ عَلَى جَمَلٍ فَأَنَاخَهُ فِي الْمَسْجِدِ، ثُمَّ عَقَلَهُ، فَقَالَ لَهُمْ: أَيُّكُمْ مُحَمَّدٌ؟ وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُتَّكِئٌ بَيْنَ ظَهْرَانَيْهِمْ، قُلْنَا لَهُ: هَذَا الرَّجُلُ الْأَبْيَضُ الْمُتَّكِئُ، فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ: يَا ابْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ أَجَبْتُكَ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: إِنِّي سَائِلُكَ يَا مُحَمَّدُ، فَمُشَدِّدٌ عَلَيْكَ فِي الْمَسْأَلَةِ، فَلَا تَجِدَنَّ فِي نَفْسِكَ، قَالَ: «سَلْ مَا بَدَا لَكَ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: نَشَدْتُكَ بِرَبِّكَ، وَرَبِّ مَنْ قَبْلَكَ، آللَّهُ أَرْسَلَكَ إِلَى النَّاسِ كُلِّهِمْ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تُصَلِّيَ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسَ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَصُومَ هَذَا الشَّهْرَ مِنَ السَّنَةِ؟ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَأْخُذَ هَذِهِ الصَّدَقَةَ مِنْ أَغْنِيَائِنَا فَتَقْسِمَهَا عَلَى فُقَرَائِنَا؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: آمَنْتُ بِمَا جِئْتَ بِهِ، وَأَنَا رَسُولُ مَنْ وَرَائِي مِنْ قَوْمِي، وَأَنَا ضِمَامُ بْنُ ثَعْلَبَةَ، أَخُو بَنِي سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ، «خَالَفَهُ يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ»

বর্ণনাকারী আনাস ইবন্‌ মালিক (রাঃ)

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, আমরা মসজিদে বসা ছিলাম। ইতিমধ্যে উটে সওয়ার হয়ে জনৈক ব্যক্তি এলো এবং সে উটকে মসজিদের (আঙ্গিনায়) বসিয়ে বাঁধলো, তারপর উপস্থিত লোকেদের জিজ্ঞেস করল: তোমাদের মধ্যে মুহাম্মাদ কে? রসূলুল্লাহ (ﷺ) তখন উপস্থিতদের মধ্যে ঠেস দিয়ে বসে ছিলেন। আমরা তাকে বললাম, এই ঠেস দিয়ে বসা ফর্সা ব্যক্তি। তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে সে ব্যক্তি বলল: হে আবদুল মুত্তালিবের বংশজাত! তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেন : আমি তোমার ডাকে সাড়া দিলাম। তখন সেই ব্যক্তি বলল: হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবো এবং প্রশ্নের ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করব। আপনি কিছু মনে করবেন না। তখন তিনি (ﷺ) বললেন : তোমার যা মনে চায় প্রশ্ন করো।তখন সে বলল: আমি আপনাকে আপনার রব এবং আপনার পূর্ববর্তীদের রবের নামে শপথ দিয়ে বলছি আল্লাহ কি আপনাকে সকল মানব জাতির জন্য পাঠিয়েছেন? রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: "হে আল্লাহ! (আপনি সাক্ষী থাকুন), অবশ্যই। সে বললো, এখন আমি আপনাকে আল্লাহর নামে কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে রাত-দিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে আদেশ দিয়েছেন? রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: হে আল্লাহ! (আপনি সাক্ষী থাকুন) অবশ্যই। অতঃপর সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর নামে কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে বছরের এ (রমজান) মাসে সাওম পালন করতে নির্দেশ দিয়েছেন? রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: নিশ্চয়। হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। অতঃপর সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর নামে কসম দিয়ে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে আমাদের সম্পদশালীদের থেকে যাকাত নিয়ে তা আমাদের অভাবীদের মধ্যে বণ্টন করার আদেশ দিয়েছেন? রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: নিশ্চয়, হে আল্লাহ! (আপনি সাক্ষী থাকুন)।তারপর সে ব্যক্তি বলল: আপনি যা নিয়ে এসেছেন তার ওপর আমি ঈমান আনলাম। আর আমি নিজ গোত্রের অবশিষ্ট লোকেদের জন্য দূতরূপে এসেছি এবং আমার নাম হল যিমাম ইবনু সা’লাবা; আমি সা’দ ইবনু বকর গোত্রের লোক।

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯৩

أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، مِنْ كِتَابِهِ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمِّي، قَالَ: حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ عَجْلَانَ، وَغَيْرُهُ مِنْ إِخْوَانِنَا، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ شَرِيكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي نَمِرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ: بَيْنَمَا نَحْنُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جُلُوسٌ فِي الْمَسْجِدِ، دَخَلَ رَجُلٌ عَلَى جَمَلٍ فَأَنَاخَهُ فِي الْمَسْجِدِ، ثُمَّ عَقَلَهُ، ثُمَّ قَالَ: أَيُّكُمْ مُحَمَّدٌ؟ وَهُوَ مُتَّكِئٌ بَيْنَ ظَهْرَانَيْهِمْ، فَقُلْنَا لَهُ: هَذَا الرَّجُلُ الْأَبْيَضُ الْمُتَّكِئُ، فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ: يَا ابْنَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ، فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قَدْ أَجَبْتُكَ»، قَالَ الرَّجُلُ: يَا مُحَمَّدُ، إِنِّي سَائِلُكَ فَمُشَدِّدٌ عَلَيْكَ فِي الْمَسْأَلَةِ، قَالَ: «سَلْ عَمَّا بَدَا لَكَ»، قَالَ: أَنْشُدُكَ بِرَبِّكَ وَرَبِّ مَنْ قَبْلَكَ، آللَّهُ أَرْسَلَكَ إِلَى النَّاسِ كُلِّهِمْ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَصُومَ هَذَا الشَّهْرَ مِنَ السَّنَةِ؟ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَأْخُذَ هَذِهِ الصَّدَقَةَ مِنْ أَغْنِيَائِنَا فَتَقْسِمَهَا عَلَى فُقَرَائِنَا؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، فَقَالَ الرَّجُلُ: إِنِّي آمَنْتُ بِمَا جِئْتَ بِهِ، وَأَنَا رَسُولُ مَنْ وَرَائِي مِنْ قَوْمِي، وَأَنَا ضِمَامُ بْنُ ثَعْلَبَةَ، أَخُو بَنِي سَعْدِ بْنِ بَكْرٍ، «خَالَفَهُ عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ»

বর্ণনাকারী আনাস ইব্‌ন মালিক (রাঃ)

শরীক ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আবূ নামির (রহঃ) আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন। আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে মসজিদে বসা ছিলাম। এমন সময় উটের আরোহণ করে জনৈক ব্যক্তি আসলো এবং তার উটকে মসজিদের আঙিনায় বসিয়ে বেঁধে ফেললো। অতঃপর বলল: তোমাদের মধ্যে মুহাম্মাদ কে? তিনি তখন আমাদের মধ্যে ঠেস দিয়ে বসা ছিলেন। আমরা তাকে বললাম, এই যে ঠেস দিয়ে বসা ফর্সা মানুষটি। সে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলল: হে আব্দুল মুত্তালিব-এর বংশধর। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: আমি তোমার ডাকে সাড়া দিয়েছি। সে বলল: হে মুহাম্মাদ! আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবো এবং প্রশ্নের ব্যাপারে আপনার সাথে কঠোরতা অবলম্বন করবো। তিনি (ﷺ) বললেন: তোমার যা মনে চায় প্রশ্ন করো। সে বলল: আমি আপনাকে আপনার রব এবং আপনার পূর্ববর্তীদের রবের নামে শপথ দিয়ে বলছি- আল্লাহ তা’আলা কি আপনাকে সকল মানব জাতির জন্য পাঠিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: নিশ্চয়, হে আল্লাহ আপনি সাক্ষী থাকুন। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি- আল্লাহ তা’আলা কি আপনাকে প্রত্যেক বছরের এ (রমজান) মাসে সাওম পালনের আদেশ দিয়েছেন?রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: নিশ্চয়, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে বলছি- আল্লাহ তা’আলা কি আপনাকে আমাদের সম্পদশালীদের থেকে যাকাত নিয়ে তা আমাদের অভাবীদের মধ্যে বণ্টন করার আদেশ দিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: নিশ্চয়, হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন। অতঃপর সে বললো, আপনি যা নিয়ে এসেছেন তার উপর আমি ঈমান আনলাম। আর আমি নিজ গোত্রের বাকী লোকেদের জন্য দূত হিসেবে এসেছি। আর আমার নাম জমাম ইবন আস-সা‘লাবা, আমি সাআদ ইবন বকর গোত্রের লোক।

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯৪

أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْحَقُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو عُمَارَةَ حَمْزَةُ بْنُ الْحَارِثِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يَذْكُرُ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: بَيْنَمَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَعَ أَصْحَابِهِ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ الْبَادِيَةِ قَالَ: أَيُّكُمُ ابْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ؟ قَالُوا: هَذَا الْأَمْغَرُ الْمُرْتَفِقُ - قَالَ حَمْزَةُ -: الْأَمْغَرُ الْأَبْيَضُ مُشْرَبٌ حُمْرَةً، فَقَالَ: إِنِّي سَائِلُكَ فَمُشْتَدٌّ عَلَيْكَ فِي الْمَسْأَلَةِ، قَالَ: «سَلْ عَمَّا بَدَا لَكَ»، قَالَ: أَسْأَلُكَ بِرَبِّكَ، وَرَبِّ مَنْ قَبْلَكَ، وَرَبِّ مَنْ بَعْدَكَ، آللَّهُ أَرْسَلَكَ؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ بِهِ آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تُصَلِّيَ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ بِهِ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَأْخُذَ مِنْ أَمْوَالِ أَغْنِيَائِنَا فَتَرُدَّهُ عَلَى فُقَرَائِنَا؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ بِهِ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ تَصُومَ هَذَا الشَّهْرَ مِنَ اثْنَيْ عَشَرَ شَهْرًا؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَأَنْشُدُكَ بِهِ، آللَّهُ أَمَرَكَ أَنْ يَحُجَّ هَذَا الْبَيْتَ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا؟ قَالَ: «اللَّهُمَّ نَعَمْ»، قَالَ: فَإِنِّي آمَنْتُ وَصَدَّقْتُ وَأَنَا ضِمَامُ بْنُ ثَعْلَبَةَ

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)

নবী (ﷺ) তাঁর সাহাবীদের সাথে ছিলেন, একজন গ্রাম্য ব্যক্তি তাদের কাছে এসে বলল: তোমাদের মধ্যে ‘আবদুল মুত্তালিব-এর বংশজাত কে? সাহাবীগণ বললেন: এই হেলান দেয়া লালবর্ণ মিশ্রিত ফর্সা ব্যক্তি। হামজা (রহঃ) বলেন: (الْأَمْغَرُ ) শব্দের অর্থ হল লালবর্ণধারী ফর্সা।অতঃপর সেই ব্যক্তি বলল: আমি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করবো। আর প্রশ্নের ব্যাপারে আপনার সঙ্গে কঠোরতা অবলম্বন করবো। তিনি (ﷺ) বললেন: তোমার যা ইচ্ছা প্রশ্ন কর। সে বলল: আমি আপনার রব এবং আপনার পূর্ববর্তীদের রবের নামে আপনাকে শপথ দিয়ে বলছি, আল্লাহ কি আপনাকে প্রেরণ করেছেন? তিনি (ﷺ) বললেন, “আল্লাহুম্মা! (হে আল্লাহ!) তুমি সাক্ষী থেকো, অবশ্যই।”তারপর সে বলল: আমি আল্লাহর শপথ দিয়ে আপনাকে প্রশ্ন করবো। আল্লাহ তা’আলা কি আপনাকে রাতদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার আদেশ করেছেন? তিনি (ﷺ) বললেন: “আল্লাহুম্মা! অবশ্যই।”সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে প্রশ্ন করছি, আল্লাহ কি আপনাকে আমাদের সম্পদশালীদের সম্পদ থেকে যাকাত নিয়ে তা আমাদের গরীবদের দেয়ার আদেশ দিয়েছেন? তিনি (ﷺ) বললেন: “হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন, অবশ্যই।”সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর শপথ দিয়ে প্রশ্ন করছি, আল্লাহ কি আপনাকে বারো মাসের মধ্যে এ (রমজান) মাসে সিয়াম পালন করার আদেশ দিয়েছেন? তিনি (ﷺ) বললেন, “হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন, অবশ্যই।”সে বলল: আমি আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে প্রশ্ন করছি, আল্লাহ কি আপনাকে আমাদের মধ্যে যারা খরচ বহনে সক্ষম তাদের জন্য কাবা ঘরের হজ্জ করার নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি (ﷺ) বললেন: “হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন, অবশ্যই।”তারপর সে বলল: আপনার ওপর আমি ঈমান আনলাম এবং আপনাকে সত্যবাদী হিসেবে গ্রহণ করলাম। আর আমার নাম হল দিমাম ইবন সা'লাবা।

২২/২. অধ্যায়ঃ

রমাযান মাসে অত্যধিক দানশীলতা প্রসঙ্গ

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯৫

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ، عَنْ ابْنِ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ كَانَ يَقُولُ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَجْوَدَ النَّاسِ، وَكَانَ أَجْوَدَ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ حِينَ يَلْقَاهُ جِبْرِيلُ، وَكَانَ جِبْرِيلُ يَلْقَاهُ فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ فَيُدَارِسُهُ الْقُرْآنَ»قَالَ: «كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ يَلْقَاهُ جِبْرِيلُ عَلَيْهِ السَّلَامُ أَجْوَدَ بِالْخَيْرِ مِنَ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ»

বর্ণনাকারী আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)

আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লোকেদের মাঝে অত্যধিক দানশীল ছিলেন। রমজান মাসে তিনি অত্যধিক দানশীল হয়ে যেতেন যখন জিবরীল (আঃ) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন। জিবরীল (আঃ) রমজানের প্রত্যেক রাতে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং তাঁকে কুরআন শিক্ষা দিতেন।আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, যখন জিবরীল (আঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি প্রবহমান বাতাসের চেয়েও অধিক দানশীল হতেন।

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯৬

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ الْبُخَارِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنِي حَفْصُ بْنُ عُمَرَ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، وَالنُّعْمَانُ بْنُ رَاشِدٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: «مَا لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ لَعْنَةٍ تُذْكَرُ، كَانَ إِذَا كَانَ قَرِيبَ عَهْدٍ بِجِبْرِيلَ عَلَيْهِ السَّلَامُ يُدَارِسُهُ، كَانَ أَجْوَدَ بِالْخَيْرِ مِنَ الرِّيحِ الْمُرْسَلَةِ» قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: «هَذَا خَطَأٌ وَالصَّوَابُ حَدِيثُ يُونُسَ بْنِ يَزِيدَ، وَأَدْخَلَ هَذَا حَدِيثًا فِي حَدِيثٍ»

বর্ণনাকারী আয়িশা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এমন কোনো অভিশাপ দিতেন না যা উল্লেখ করা যায়। আর যখন জিবরীল (আঃ)-এর আসার সময় নিকটবর্তী হত যিনি তাঁকে কুরআন শিক্ষা দিতেন, তখন তিনি প্রবহমান বাতাসের চেয়েও অধিক দানশীল হতেন।

২২/৩. অধ্যায়ঃ

রমাযান মাসের ফাযীলাত

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯৭

أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا دَخَلَ شَهْرُ رَمَضَانَ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ، وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ»

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রমজান মাস এলে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯৮

أَخْبَرَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ الْجُوْزَجَانِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي أَبُو سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا دَخَلَ رَمَضَانُ فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ، وَصُفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ»

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: রমজান মাসের আগমনে জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেওয়া হয় আর শয়তানদেরকে শৃঙ্খলিত করা হয়।

২২/৪. অধ্যায়ঃ

যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে পার্থক্য

সুনানে নাসাঈ

হাদিস নং ২০৯৯

أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا عَمِّي، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ صَالِحٍ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي نَافِعُ بْنُ أَبِي أَنَسٍ، أَنَّ أَبَاهُ حَدَّثَهُ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا دَخَلَ رَمَضَانُ، فُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ، وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ جَهَنَّمَ، وَسُلْسِلَتِ الشَّيَاطِينُ»

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যখন রমজান মাসের আগমন ঘটে তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয় আর শয়তানদের শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18