কথাবার্তা সম্পর্কিত অধ্যায়

৫৬/১১. অধ্যায়ঃ

বজ্রপাতের সময় কি পড়তে হয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ عَامِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الزُّبَيْرِأَنَّهُ كَانَ إِذَا سَمِعَ الرَّعْدَ تَرَكَ الْحَدِيثَ وَقَالَ سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِ ثُمَّ يَقُولُ إِنَّ هَذَا لَوَعِيدٌ لِأَهْلِ الْأَرْضِ شَدِيدٌ

বর্ণনাকারী আমির ইব্নু আবদুল্লাহ্ ইব্নু যুবাইর (রহঃ)

তিনি বজ্রের শব্দ শুনলে কথা বলা বন্ধ করে এই দু‘আ পাঠ করতেনঃسُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيفَتِهِবজ্র নির্ঘোষ ও ফেরেশতাগণও ভয়ে তার প্রশংসা মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা করে।অতঃপর তিনি (আমির ইব্নু আবদুল্লাহ্) বলতেন, যমীনের অধিবাসীদের জন্য এই আওয়াজ অত্যন্ত কঠিন আযাবের সংবাদ। [১] (মাওকুফ, হাদীসটি ইমাম মালিক একক ভাবে বর্ণনা করেছেন)

[১] মুসনাদে আহমাদ, নাসায়ী ও তিরমিযীতে আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস (রা) হতে বর্ণিত; ইহুদীগণ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল যে, রা’দ কি? এতদুত্তরে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “রাদ জনৈক ফেরেশতা যিনি মেঘের উপর নিয়োজিত আছেন। তাঁর হাতে আগুনের একটি চাবুক আছে। সেই চাবুক দ্বারা উক্ত ফেরেশতা মেঘখণ্ডগুলোকে আল্লাহ্ যেইদিকে নির্দেশ দেন সেইদিকে নিয়ে যান।” ইহুদীগণ পুনরায় জিজ্ঞেস করল, এই গর্জন কিসের? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইহা সেই রা‘দ ফেরেশতারই গর্জন। ইহুদীগণ বলল, আপনি ঠিকই বলেছেন।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18