ত্বলাক্ব
১৯/৬. অধ্যায়ঃ
বায়িন ত্বলাক্বপ্রাপ্ত[৬১] স্ত্রীর জন্য খোরপোষ নেই
সহিহ মুসলিম
وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا شَيْبَانُ، عَنْ يَحْيَى، - وَهُوَ ابْنُ أَبِي كَثِيرٍ - أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ قَيْسٍ، أُخْتَ الضَّحَّاكِ بْنِ قَيْسٍ أَخْبَرَتْهُ أَنَّ أَبَا حَفْصِ بْنَ الْمُغِيرَةِ الْمَخْزُومِيَّ طَلَّقَهَا ثَلاَثًا ثُمَّ انْطَلَقَ إِلَى الْيَمَنِ فَقَالَ لَهَا أَهْلُهُ لَيْسَ لَكِ عَلَيْنَا نَفَقَةٌ . فَانْطَلَقَ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ فِي نَفَرٍ فَأَتَوْا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي بَيْتِ مَيْمُونَةَ فَقَالُوا إِنَّ أَبَا حَفْصٍ طَلَّقَ امْرَأَتَهُ ثَلاَثًا فَهَلْ لَهَا مِنْ نَفَقَةٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَيْسَتْ لَهَا نَفَقَةٌ وَعَلَيْهَا الْعِدَّةُ " . وَأَرْسَلَ إِلَيْهَا " أَنْ لاَ تَسْبِقِينِي بِنَفْسِكِ " . وَأَمَرَهَا أَنْ تَنْتَقِلَ إِلَى أُمِّ شَرِيكٍ ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَيْهَا " أَنَّ أُمَّ شَرِيكٍ يَأْتِيهَا الْمُهَاجِرُونَ الأَوَّلُونَ فَانْطَلِقِي إِلَى ابْنِ أُمِّ مَكْتُومٍ الأَعْمَى فَإِنَّكِ إِذَا وَضَعْتِ خِمَارَكِ لَمْ يَرَكِ " . فَانْطَلَقَتْ إِلَيْهِ فَلَمَّا مَضَتْ عِدَّتُهَا أَنْكَحَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أُسَامَةَ بْنَ زَيْدِ بْنِ حَارِثَةَ.
বর্ণনাকারী যাহ্হাক ইবনু ক্বায়স-এর ভগ্নী ফাত্বিমাহ্ বিনতু ক্বায়স (রাঃ)
তাঁর স্বামী আবু হাফস ইবন মুগীরা (রাঃ) তাঁকে একত্রে তিন তালাক প্রদান করেন। এরপর তিনি ইয়ামান চলে যান। তখন তাঁর (আবু আমর-এর) পরিবারের লোকজন তাঁকে (ফাতিমা কে) বলল, তোমার জন্য আমাদের দায়িত্বে কোন খোরপোষ নেই। এরপর খালিদ ইবন ওয়ালিদ (রাঃ) একদল লোকসহ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এলেন। তখন তিনি মায়মূনা (রাঃ)-এর ঘরে অবস্থান করছিলেন। তাঁরা বললেন, (হে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)!) আবু হাফস তাঁর স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছেন। এখন তাঁর স্ত্রী কি খোরপোষ পাবে?! তিনি বললেনঃ না, তাঁর জন্য কোন খোরপোষ নেই; তাঁর উপর ইদ্দত পালন করা ফরজ। তিনি তাঁকে বলে পাঠালেন যে, তুমি আমাকে না জানিয়ে বিবাহের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না।তিনি তাঁকে ইদ্দত পালনের জন্য উম্মু শরীক-এর ঘরে যাওয়ার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি তাঁকে লোক মারফত জানিয়ে দিলেন যে, উম্মু শরীক এমন একজন মহিলা যার কাছে প্রাথমিক হিজরতকারী সাহাবীগণ যাওয়া আসা করে থাকেন। সুতরাং তুমি অন্ধ ইবন উম্মু মাকতূম-এর ঘরে চলে যাও। কারণ সেখানে তুমি প্রয়োজনে তোমার ওড়না নামিয়ে রাখলে সে তোমাকে দেখতে পাবে না। যখন তাঁর ইদ্দত পূর্ণ হল তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) উসামা ইবনু যায়দ ইবনু হারিসা (রাঃ)-এর সঙ্গে তাঁর বিয়ে দিয়ে দিলেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৬২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৫৬২