জানাযা সম্পর্কিত
১২/২. অধ্যায়ঃ
বিপদাপদের সময় যা বলতে হবে
সহিহ মুসলিম
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ جَمِيعًا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، - قَالَ ابْنُ أَيُّوبَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - أَخْبَرَنِي سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ كَثِيرِ بْنِ أَفْلَحَ، عَنِ ابْنِ، سَفِينَةَ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَا مِنْ مُسْلِمٍ تُصِيبُهُ مُصِيبَةٌ فَيَقُولُ مَا أَمَرَهُ اللَّهُ إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا . إِلاَّ أَخْلَفَ اللَّهُ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا " . قَالَتْ فَلَمَّا مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ قُلْتُ أَىُّ الْمُسْلِمِينَ خَيْرٌ مِنْ أَبِي سَلَمَةَ أَوَّلُ بَيْتٍ هَاجَرَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . ثُمَّ إِنِّي قُلْتُهَا فَأَخْلَفَ اللَّهُ لِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَتْ أَرْسَلَ إِلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَاطِبَ بْنَ أَبِي بَلْتَعَةَ يَخْطُبُنِي لَهُ فَقُلْتُ إِنَّ لِي بِنْتًا وَأَنَا غَيُورٌ . فَقَالَ " أَمَّا ابْنَتُهَا فَنَدْعُو اللَّهَ أَنْ يُغْنِيَهَا عَنْهَا وَأَدْعُو اللَّهَ أَنْ يَذْهَبَ بِالْغَيْرَةِ " .
বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ কোন মুসলিমের ওপর মুসীবত আসলে যদি সে বলেঃ আল্লাহ যা হুকুম করেছেন- “ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি র-জিউন” (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহরই জন্যে এবং তাঁরই কাছে ফিরে যাব) বলে এবং এ দোয়া পাঠ করে- “আল্লাহুম্মা-জুরনি ফি মুসীবাতি ওয়া আখলিফ লি খাইরাম মিনহা- ইল্লা- আখলাফাল্লাহু লাহু খাইরাম মিনহা-” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমাকে আমার মুসীবতে সওয়াব দান কর এবং এর বিনিময়ে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর, তবে মহান আল্লাহ তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করে থাকেন)।উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবু সালামা ইন্তিকাল করেন, আমি মনে মনে ভাবলাম, কোন মুসলিম আবু সালামা থেকে উত্তম? তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি, যিনি হিজরত করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট পৌঁছে গেছেন। এতদসত্বেও আমি এ দোয়াগুলো পাঠ করলাম। এরপর মহান আল্লাহ আবু সালামার স্থলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মতো স্বামী দান করেছেন।উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, আমার নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিয়ের পয়গাম পৌঁছাবার উদ্দেশে হাতিব ইবনু আবু বালতা’আহকে পাঠালেন। আমি বললাম, আমার একটা কন্যা আছে আর আমার জিদ বেশি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তার কন্যা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করব যাতে তিনি তাকে তাঁর কন্যার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন। আর (তার সম্পর্কে) দোয়া করব যেন আল্লাহ তার জিদ দূর করে দেন।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০২