জানাযা সম্পর্কিত

১২/১. অধ্যায়ঃ

‘লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ’ বলে মাইয়্যিতকে ‘তালক্বীন’ দেয়া

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০০৮

وَحَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، فُضَيْلُ بْنُ حُسَيْنٍ وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ كِلاَهُمَا عَنْ بِشْرٍ، - قَالَ أَبُو كَامِلٍ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، - حَدَّثَنَا عُمَارَةُ بْنُ غَزِيَّةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، بْنُ عُمَارَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَقِّنُوا مَوْتَاكُمْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী ইয়াহ্‌ইয়া ইবনু ‘উমারাহ (রহঃ)

আমি আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা মুমূর্ষু ব্যক্তিকে “লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই) তালকীন দাও (পড়াও)।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯২, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৯৯৯

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০০৯

وَحَدَّثَنَاهُ قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ يَعْنِي الدَّرَاوَرْدِيَّ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، جَمِيعًا بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏

বর্ণনাকারী কুতায়বাহ্ ইবনু সা‘ঈদ, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সুলায়মান ইবনু বিলাল (রহঃ)

সকলেই এই সনদে বর্ণনা করেছেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০০

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০১০

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، وَعُثْمَانُ، ابْنَا أَبِي شَيْبَةَ ح وَحَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، قَالُوا جَمِيعًا حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَقِّنُوا مَوْتَاكُمْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)

তোমরা মুমূর্ষু ব্যক্তিকে “লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ” (আল্লাহ ছাড়া কোন মা-বূদ নেই) তালকীন করো।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০১

১২/২. অধ্যায়ঃ

বিপদাপদের সময় যা বলতে হবে

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০১১

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ جَمِيعًا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، - قَالَ ابْنُ أَيُّوبَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - أَخْبَرَنِي سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ كَثِيرِ بْنِ أَفْلَحَ، عَنِ ابْنِ، سَفِينَةَ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ مَا مِنْ مُسْلِمٍ تُصِيبُهُ مُصِيبَةٌ فَيَقُولُ مَا أَمَرَهُ اللَّهُ إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا ‏.‏ إِلاَّ أَخْلَفَ اللَّهُ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَلَمَّا مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ قُلْتُ أَىُّ الْمُسْلِمِينَ خَيْرٌ مِنْ أَبِي سَلَمَةَ أَوَّلُ بَيْتٍ هَاجَرَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ ثُمَّ إِنِّي قُلْتُهَا فَأَخْلَفَ اللَّهُ لِي رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَتْ أَرْسَلَ إِلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَاطِبَ بْنَ أَبِي بَلْتَعَةَ يَخْطُبُنِي لَهُ فَقُلْتُ إِنَّ لِي بِنْتًا وَأَنَا غَيُورٌ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ أَمَّا ابْنَتُهَا فَنَدْعُو اللَّهَ أَنْ يُغْنِيَهَا عَنْهَا وَأَدْعُو اللَّهَ أَنْ يَذْهَبَ بِالْغَيْرَةِ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ কোন মুসলিমের ওপর মুসীবত আসলে যদি সে বলেঃ আল্লাহ যা হুকুম করেছেন- “ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না-ইলাইহি র-জিউন” (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহরই জন্যে এবং তাঁরই কাছে ফিরে যাব) বলে এবং এ দোয়া পাঠ করে- “আল্লাহুম্মা-জুরনি ফি মুসীবাতি ওয়া আখলিফ লি খাইরাম মিনহা- ইল্লা- আখলাফাল্লাহু লাহু খাইরাম মিনহা-” (অর্থাৎ- হে আল্লাহ! আমাকে আমার মুসীবতে সওয়াব দান কর এবং এর বিনিময়ে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর, তবে মহান আল্লাহ তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করে থাকেন)।উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবু সালামা ইন্তিকাল করেন, আমি মনে মনে ভাবলাম, কোন মুসলিম আবু সালামা থেকে উত্তম? তিনি সর্বপ্রথম ব্যক্তি, যিনি হিজরত করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট পৌঁছে গেছেন। এতদসত্বেও আমি এ দোয়াগুলো পাঠ করলাম। এরপর মহান আল্লাহ আবু সালামার স্থলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মতো স্বামী দান করেছেন।উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, আমার নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিয়ের পয়গাম পৌঁছাবার উদ্দেশে হাতিব ইবনু আবু বালতা’আহকে পাঠালেন। আমি বললাম, আমার একটা কন্যা আছে আর আমার জিদ বেশি। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, তার কন্যা সম্পর্কে আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করব যাতে তিনি তাকে তাঁর কন্যার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দেন। আর (তার সম্পর্কে) দোয়া করব যেন আল্লাহ তার জিদ দূর করে দেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০২

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০১২

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ سَعِيدٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُمَرُ بْنُ كَثِيرِ بْنِ أَفْلَحَ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ سَفِينَةَ، يُحَدِّثُ أَنَّهُ سَمِعَ أُمَّ سَلَمَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَا مِنْ عَبْدٍ تُصِيبُهُ مُصِيبَةٌ فَيَقُولُ إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا إِلاَّ أَجَرَهُ اللَّهُ فِي مُصِيبَتِهِ وَأَخْلَفَ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَلَمَّا تُوُفِّيَ أَبُو سَلَمَةَ قُلْتُ كَمَا أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْلَفَ اللَّهُ لِي خَيْرًا مِنْهُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

বর্ণনাকারী নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ কোন বান্দার উপর মুসীবত আসলে যদি সে বলে “ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না- ইলাইহি র-জিউন, আল্লাহুম্মা’জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খায়রাম মিনহা- ইল্লা- আজারাহুল্লাহু ফী মুসীবাতিহী ওয়া আখলাফা লাহূ খায়রাম মিনহা-” (অর্থাৎ- আমরা আল্লাহর জন্যে এবং আমরা তাঁরই কাছে ফিরে যাব। হে আল্লাহ! আমাকে এ মুসীবতের বিনিময় দান কর এবং এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান কর। তবে আল্লাহ তাকে তার মুসীবতের বিনিময় দান করবেন এবং তাকে এর চেয়ে উত্তম বস্তু দান করবেন।)।উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবু সালামা ইন্তিকাল করলেন, আমি ঐরূপ দোয়া করলাম যেরূপ রসূলুল্লাহ (ﷺ) আদেশ করেছেন। অতঃপর মহান আল্লাহ আমাকে তাঁর চেয়েও উত্তম নি‘আমত অর্থাৎ রসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে স্বামীরূপে দান করলেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০৩

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০১৩

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَنِي عُمَرُ، - يَعْنِي ابْنَ كَثِيرٍ - عَنِ ابْنِ سَفِينَةَ، مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي أُسَامَةَ وَزَادَ قَالَتْ فَلَمَّا تُوُفِّيَ أَبُو سَلَمَةَ قُلْتُ مَنْ خَيْرٌ مِنْ أَبِي سَلَمَةَ صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ عَزَمَ اللَّهُ لِي فَقُلْتُهَا ‏.‏ قَالَتْ فَتَزَوَّجْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

বর্ণনাকারী নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, ..... পরবর্তী বর্ণনা উসামা (রাঃ)-এর হাদিস সদৃশ। তবে এ কথাটুকু বাড়িয়েছেনঃ উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবু সালামা (রাঃ) ইন্তেকাল করলেন, আমি মনে মনে বললামঃ আবু সালামা (রাঃ)-এর চেয়ে উত্তম মানুষ কে আছেন যিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর বিশিষ্ট সাহাবী? অতঃপর আল্লাহ তাআলা আমাকে দৃঢ়তা দান করলেন এবং আমি ঐরূপ দোয়া করলাম। উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, এরপর আমার বিয়ে হল রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০৪

১২/৩. অধ্যায়ঃ

রোগী ও মৃতের নিকট যা বলতে হয়

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০১৪

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِذَا حَضَرْتُمُ الْمَرِيضَ أَوِ الْمَيِّتَ فَقُولُوا خَيْرًا فَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ يُؤَمِّنُونَ عَلَى مَا تَقُولُونَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَلَمَّا مَاتَ أَبُو سَلَمَةَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أَبَا سَلَمَةَ قَدْ مَاتَ قَالَ ‏"‏ قُولِي اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَلَهُ وَأَعْقِبْنِي مِنْهُ عُقْبَى حَسَنَةً ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَقُلْتُ فَأَعْقَبَنِي اللَّهُ مَنْ هُوَ خَيْرٌ لِي مِنْهُ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم ‏.‏

বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ্‌ (রাঃ)

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যখন তোমরা পীড়িত ব্যক্তি অথবা মৃত ব্যক্তির নিকট হাজির হও তখন তার সম্পর্কে ভাল মন্তব্য কর। কেননা তোমরা যেরূপ বল তার ওপর মালাকগণ (ফেরেশতামণ্ডলী) আমীন বলেন। উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবু সালামা (রাঃ) ইনতিকাল করলেন, আমি নবী (ﷺ) এর নিকট এসে বললাম। হে আল্লাহর রসূল! আবু সালামা (রাঃ) ইনতিকাল করেছেন। রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, “তুমি বল, হে আল্লাহ! আমাকে ও তাঁকে ক্ষমা কর এবং তাঁর পরে আমাকে উত্তম পরিণাম দান কর।” উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি তা বললাম। আল্লাহ আমাকে তাঁর (আবু সালামা-এর) চেয়ে উত্তম প্রতিদান হিসেবে মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে দান করলেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০৫

১২/৪. অধ্যায়ঃ

মাইয়্যিতের দৃষ্টি বন্ধ করা এবং মৃত্যু উপস্থিত হলে তার জন্য দু‘আ করা

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০১৫

حَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ قَبِيصَةَ بْنِ ذُؤَيْبٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى أَبِي سَلَمَةَ وَقَدْ شَقَّ بَصَرُهُ فَأَغْمَضَهُ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ إِنَّ الرُّوحَ إِذَا قُبِضَ تَبِعَهُ الْبَصَرُ ‏"‏ ‏.‏ فَضَجَّ نَاسٌ مِنْ أَهْلِهِ فَقَالَ ‏"‏ لاَ تَدْعُوا عَلَى أَنْفُسِكُمْ إِلاَّ بِخَيْرٍ فَإِنَّ الْمَلاَئِكَةَ يُؤَمِّنُونَ عَلَى مَا تَقُولُونَ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لأَبِي سَلَمَةَ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِينَ وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ ‏.‏ وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী উম্মু সালামাহ (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আবু সালামা-কে দেখতে এলেন, তখন চোখ খোলা ছিল। তিনি তার চোখ বন্ধ করে দিলেন এবং বললেন, যখন রূহ কবজ করা হয়, তখন চোখ তার অনুসরণ করে। আবু সালামার পরিবারের লোকেরা কান্না শুরু করে দিল। তিনি (ﷺ) বললেন, তোমরা তোমাদের নিজেদের ব্যাপারে ভাল কথা ছাড়া কোনো খারাপ কিছু বলো না। কেননা, তোমরা যা কিছু বল তার স্বপক্ষে ফেরেশতা ‘আমীন’ বলে থাকে।এরপর তিনি এভাবে দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! আবু সালামাকে ক্ষমা কর এবং হিদায়াতপ্রাপ্তদের মধ্যে তাঁর মর্যাদাকে উঁচু করে দাও, তুমি তাঁর বংশধরদের অভিভাবক হয়ে যাও। হে রব্বুল ‘আলামীন! তাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করে দাও। তাঁর কবরকে প্রশস্ত কর এবং তা জ্যোতির্ময় করে দাও।”

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯৯৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০৬

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০১৬

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى الْقَطَّانُ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُثَنَّى بْنُ مُعَاذِ بْنِ مُعَاذٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ ‏"‏ وَاخْلُفْهُ فِي تَرِكَتِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ أَوْسِعْ لَهُ فِي قَبْرِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَقُلِ ‏"‏ افْسَحْ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ وَزَادَ قَالَ خَالِدٌ الْحَذَّاءُ وَدَعْوَةٌ أُخْرَى سَابِعَةٌ نَسِيتُهَا ‏.‏

বর্ণনাকারী খালিদ আল হায্‌যা (রহঃ)

একই সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ব্যতিক্রম এই যে, এ সূত্রে বলেছেন, “তার পরিবার পরিজনদের অভিভাবক হও।” এছাড়া বলেছেন, ‘তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও’ কিন্তু “আফসিহ” শব্দটি এ বর্ণনায় নেই। খালিদ আল হায্যা এ কথাটুকুও বর্ণনা করেছেন, সপ্তম অন্য আরেকটি দোয়া আছে যা আমি ভুলে গেছি।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২০০০, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০৭

১২/৫. অধ্যায়ঃ

(রূহ ক্ববয হওয়ার পর) রূহের দিকে মাইয়্যিতের অপলক দৃষ্টিতে তাকানো

সহিহ মুসলিম

হাদিস নং ২০১৭

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ، يَعْقُوبَ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَلَمْ تَرَوُا الإِنْسَانَ إِذَا مَاتَ شَخَصَ بَصَرُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا بَلَى ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَذَلِكَ حِينَ يَتْبَعُ بَصَرُهُ نَفْسَهُ ‏"‏ ‏.‏

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তোমরা কি দেখ না, মানুষ যখন মারা যায় তার চোখ খোলা থেকে যায়? লোকেরা বলল, হ্যাঁ দেখেছি। যখন তার চোখ তার রূহকে অনুসরণ করে তখন এ অবস্থা হয়।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২০০১, ইসলামীক সেন্টারঃ ২০০৮

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18