যিক্র, দু’আ, তওবা ও ইস্তিগফার
৪৯/১. অধ্যায়ঃ
আল্লাহ তা‘আলার যিক্রের প্রতি অনুপ্রাণিত করা
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৬৯৮
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، - وَاللَّفْظُ لِقُتَيْبَةَ - قَالاَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي وَأَنَا مَعَهُ حِينَ يَذْكُرُنِي إِنْ ذَكَرَنِي فِي نَفْسِهِ ذَكَرْتُهُ فِي نَفْسِي وَإِنْ ذَكَرَنِي فِي مَلإٍ ذَكَرْتُهُ فِي مَلإٍ هُمْ خَيْرٌ مِنْهُمْ وَإِنْ تَقَرَّبَ مِنِّي شِبْرًا تَقَرَّبْتُ إِلَيْهِ ذِرَاعًا وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَىَّ ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا وَإِنْ أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً " .
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহু বলেন, “আমি বান্দার ধারণা অনুযায়ী নিকটে আছি। যখন সে আমার যিকির (স্মরণ) করে, সে সময় আমি তার সাথে থাকি। বান্দা আমাকে একাকী স্মরণ করলে আমিও তাকে একাকী স্মরণ করি। আর যদি সে আমাকে কোন সভায় আমার কথা স্মরণ করে, তাহলে আমি তাকে তার চেয়ে উত্তম সভায় স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, তাহলে আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যদি সে আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়িয়ে আসি।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬১৫
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৬৯৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرْ " وَإِنْ تَقَرَّبَ إِلَىَّ ذِرَاعًا تَقَرَّبْتُ مِنْهُ بَاعًا " .
বর্ণনাকারী আ‘মাশ (রাঃ) হতে এ সূত্রে
অবিকল বর্ণনা করেছেন। ‘যদি সে আমার দিকে এক হাত এগিয়ে আসে তাহলে আমি তার দিকে এক গজ অগ্রসর হই’ তিনি এ কথাটি বর্ণনা করেননি।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬১৬
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৭০০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ قَالَ إِذَا تَلَقَّانِي عَبْدِي بِشِبْرٍ تَلَقَّيْتُهُ بِذِرَاعٍ وَإِذَا تَلَقَّانِي بِذِرَاعٍ تَلَقَّيْتُهُ بِبَاعٍ وَإِذَا تَلَقَّانِي بِبَاعٍ أَتَيْتُهُ بِأَسْرَعَ " .
বর্ণনাকারী হাম্মাম ইবনু মুনাব্বিহ (রহঃ)
এগুলো আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে আবু হুরায়রা (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করেছেন। তারপর তিনি কিছু হাদীস উল্লেখ করেন। তম্মধ্যে একটি হাদীস এই, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, যখন কোন বান্দা আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয় তখন আমি তার পানে এক হাত অগ্রসর হই। আর যখন সে এক হাত অগ্রসর হয় আমি তখন এক গজ অগ্রসর হই। যখন সে দুই হাত অগ্রসর হয় তখন আমি তার কাছে অতি তাড়াতাড়ি আসি।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬১৭
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৭০১
حَدَّثَنَا أُمَيَّةُ بْنُ بِسْطَامَ الْعَيْشِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، - يَعْنِي ابْنَ زُرَيْعٍ - حَدَّثَنَا رَوْحُ، بْنُ الْقَاسِمِ عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَسِيرُ فِي طَرِيقِ مَكَّةَ فَمَرَّ عَلَى جَبَلٍ يُقَالُ لَهُ جُمْدَانُ فَقَالَ " سِيرُوا هَذَا جُمْدَانُ سَبَقَ الْمُفَرِّدُونَ " . قَالُوا وَمَا الْمُفَرِّدُونَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " الذَّاكِرُونَ اللَّهَ كَثِيرًا وَالذَّاكِرَاتُ " .
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মক্কার পথে চলতে থাকেন। অতঃপর জুমদান নামে একটি পর্বতের কাছে গেলেন। এরপর তিনি বললেন, তোমরা এ জুমদান পর্বতে সফর করো। মুফাররিদগণ অগ্রগামী হয়েছে। মানুষেরা প্রশ্ন করল, মুফাররিদ কারা! হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)? তিনি বললেন, বেশি বেশি আল্লাহর জিকিরে নিয়োজিত পুরুষ ও নারী।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬১৮
৪৯/২. অধ্যায়ঃ
আল্লাহর নামসমূহের বর্ণনা এবং যারা এগুলো সংরক্ষণ করে তার মর্যাদা প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৭০২
حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ أَبِي عُمَرَ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ، - وَاللَّفْظُ لِعَمْرٍو - حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لِلَّهِ تِسْعَةٌ وَتِسْعُونَ اسْمًا مَنْ حَفِظَهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ وَإِنَّ اللَّهَ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ " . وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ أَبِي عُمَرَ " مَنْ أَحْصَاهَا " .
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
আল্লাহ তা‘আলার নিরানব্বইটি নাম রয়েছে। যে লোক এ নামগুলো সংরক্ষণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা বেজোড়। তিনি বেজোড় ভালবাসেন। ইবনু আবূ ‘উমার (রহঃ)-এর বর্ণনায় مَنْ حَفِظَهَا (সংরক্ষণ করে)-এর স্থলে مَنْ أَحْصَاهَا (যে তা আয়ত্ত করে) বর্ণিত আছে।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬১৯
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৭০৩
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، وَعَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً إِلاَّ وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ " . وَزَادَ هَمَّامٌ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّهُ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ " .
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
“অবশ্যই আল্লাহর নিরানব্বইটি নাম—অর্থাৎ এক কম একশটি নাম রয়েছে। যে লোক তা আয়ত্ত করবে, সে জান্নাতে গমন করবে।” হাম্মাম (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) থেকে এটুকু বাড়িয়ে বলেছেন যে, “তিনি বেজোড় এবং তিনি বেজোড় পছন্দ করেন।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬২০
৪৯/৩. অধ্যায়ঃ
দু‘আতে দৃঢ়তা অবলম্বন করা এবং ‘আল্লাহ তুমি যদি চাও’ এ কথা না বলার বর্ণনা
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৭০৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، جَمِيعًا عَنِ ابْنِ عُلَيَّةَ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا دَعَا أَحَدُكُمْ فَلْيَعْزِمْ فِي الدُّعَاءِ وَلاَ يَقُلِ اللَّهُمَّ إِنْ شِئْتَ فَأَعْطِنِي فَإِنَّ اللَّهَ لاَ مُسْتَكْرِهَ لَهُ " .
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের কেউ যখন দোয়া করে সে যেন দৃঢ়তা প্রকাশের সাথে দোয়া করে। আর সে যেন না বলে, “হে আল্লাহ! যদি তুমি ইচ্ছা কর তবে আমাকে দান কর”। কেননা মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহর জন্য কোন বাধ্যকারী নেই।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬২১
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৭০৫
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ، وَابْنُ، حُجْرٍ قَالُوا حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنُونَ ابْنَ جَعْفَرٍ - عَنِ الْعَلاَءِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا دَعَا أَحَدُكُمْ فَلاَ يَقُلِ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ وَلَكِنْ لِيَعْزِمِ الْمَسْأَلَةَ وَلْيُعَظِّمِ الرَّغْبَةَ فَإِنَّ اللَّهَ لاَ يَتَعَاظَمُهُ شَىْءٌ أَعْطَاهُ " .
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ যখন দোয়া করে তখন সে যেন না বলে اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ (হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে মাফ করুন)। কিন্তু সে যেন দৃঢ়তার সাথে দোয়া করে। সে যেন আগ্রহ নিয়ে দোয়া করে। কেননা আল্লাহ তা‘আলা তাকে যা দান করেন তা আল্লাহ তা‘আলার নিকট তেমন কোন বিশাল জিনিস নয়।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬২২
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৭০৬
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، حَدَّثَنَا الْحَارِثُ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ - عَنْ عَطَاءِ بْنِ مِينَاءَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَقُولَنَّ أَحَدُكُمُ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ . لِيَعْزِمْ فِي الدُّعَاءِ فَإِنَّ اللَّهَ صَانِعٌ مَا شَاءَ لاَ مُكْرِهَ لَهُ " .
বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ যেন কখনো এ কথা না বলে যে, “হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে মাফ করুন, হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমার প্রতি রহমত করুন।” সে যেন অবশ্যই দৃঢ়তার সাথে দোয়া প্রার্থনা করে। কেননা, আল্লাহ তা‘আলা মহান কারিগর, তিনি যা চান তাই করেন। তাঁর উপর বাধ্যবাধকতা করার কেউ নেই।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৬৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬২৩
৪৯/৪. অধ্যায়ঃ
বিপদে পড়লে মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা পোষণ অপছন্দনীয়
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৬৭০৭
حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَتَمَنَّيَنَّ أَحَدُكُمُ الْمَوْتَ لِضُرٍّ نَزَلَ بِهِ فَإِنْ كَانَ لاَ بُدَّ مُتَمَنِّيًا فَلْيَقُلِ اللَّهُمَّ أَحْيِنِي مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِي وَتَوَفَّنِي إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِي " .
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)-এর সানাদে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমাদের মধ্যে কেউ যেন বিপদে পড়ার কারণে মৃত্যু আকাঙ্ক্ষা না করে। তবে যদি মৃত্যু তার কামনা হয়, তাহলে সে যেন বলে- “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে জীবিত রাখুন যতক্ষণ পর্যন্ত আমার হায়াত আমার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর হয়, তবে আমাকে মৃত্যু দিন।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৫৭০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৬২৪