বিবাহ
১৭/১. অধ্যায়ঃ
দৈহিক ও আর্থিক দিক থেকে সামর্থ্য ব্যক্তির বিবাহ করা মুস্তাহাব, আর্থিক অস্বচ্ছল ব্যক্তি সওম পালন করবে
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৮৯
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَمُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ الْهَمْدَانِيُّ جَمِيعًا عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، - وَاللَّفْظُ لِيَحْيَى أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، - عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ كُنْتُ أَمْشِي مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بِمِنًى فَلَقِيَهُ عُثْمَانُ فَقَامَ مَعَهُ يُحَدِّثُهُ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ أَلاَ نُزَوِّجُكَ جَارِيَةً شَابَّةً لَعَلَّهَا تُذَكِّرُكَ بَعْضَ مَا مَضَى مِنْ زَمَانِكَ . قَالَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ لَئِنْ قُلْتَ ذَاكَ لَقَدْ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ " .
বর্ণনাকারী আলক্বামাহ্ (রহঃ)
আমি আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে মিনায় পৌঁছলাম। এ সময় উসমান (রাঃ) এসে তাঁর সাথে মিলিত হলেন। তখন তিনি তাঁর সঙ্গে দাঁড়িয়ে কথা বলতে লাগলেন। উসমান (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আবু আবদুর রহমান! আমরা কি আপনার সঙ্গে এমন একটি যুবতী মেয়ের বিয়ে দিব না, যে হয়ত আপনার অতীত কিছু স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিবে?রাবী বলেন, আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আপনি যদি এ কথা বলেন তবে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের বলেছেনঃ “হে যুব সমাজ! তোমাদের মধ্যে যে দাম্পত্য জীবনের ব্যয়ভার বহন করতে সক্ষম সে যেন বিবাহ করে। কারণ তা (বিবাহ) দৃষ্টিকে নিচু করে এবং লজ্জাস্থানকে সুরক্ষিত করে। আর যে সক্ষম নয় তার সিয়াম পালন করা উচিত। কারণ তা তার জন্য যৌন কামনা দমনকারী।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৬৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৬১
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯০
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ إِنِّي لأَمْشِي مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ بِمِنًى إِذْ لَقِيَهُ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَقَالَ هَلُمَّ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ فَاسْتَخْلاَهُ فَلَمَّا رَأَى عَبْدُ اللَّهِ أَنْ لَيْسَتْ لَهُ حَاجَةٌ - قَالَ - قَالَ لِي تَعَالَ يَا عَلْقَمَةُ - قَالَ - فَجِئْتُ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ أَلاَ نُزَوِّجُكَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ جَارِيَةً بِكْرًا لَعَلَّهُ يَرْجِعُ إِلَيْكَ مِنْ نَفْسِكَ مَا كُنْتَ تَعْهَدُ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ لَئِنْ قُلْتَ ذَاكَ . فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ .
বর্ণনাকারী ‘আলক্বামাহ্ (রহঃ)
আমি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ)-এর সাথে মিনায় হাঁটছিলাম। এ সময় উসমান ইবন আফফান (রাঃ) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করলেন। রাবী বলেন, তিনি বললেনঃ হে আবু আবদুর রহমান! এখানে আসুন। রাবী বলেন, তিনি তাঁকে একান্তে ডেকে নিলেন এবং আবদুল্লাহ (রাঃ) যখন দেখলেন গোপনীয়তার কোন প্রয়োজন নেই তখন তিনি আমাকে বললেন, হে আলকামাহ! আসো, তখন আমি তাদের সাথে যোগ দিলাম। উসমান (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে আবু আবদুর রহমান! আমরা কি তোমাকে একটি কুমারী মেয়ের সাথে বিবাহ দিব না, হয়ত সে তোমার অতীত স্মৃতি স্মরণ করিয়ে দিবে? আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, আপনি যদি তাই বলেন,...অবশিষ্ট বর্ণনা আবু মুআবিয়ার হাদিসের অনুরূপ।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৬৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৬২
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَا مَعْشَرَ الشَّبَابِ مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمُ الْبَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ " .
বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ (ইবনু মাস’ঊদ) (রাযিঃ)
রসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের বলেছেনঃ হে যুব সমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বৈবাহিক জীবনের ব্যয়ভার বহনে সক্ষম সে যেন বিয়ে করে। কারণ তা দৃষ্টিকে নিচু করে দেয় এবং লজ্জাস্থানকে সংরক্ষণ করে। আর যে (ভরণপোষণে) সমর্থ নয়, তাকে অবশ্যই সাওম পালন করতে হবে। কারণ তা তার যৌবন কামনা দমনকারী।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৬৬, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৬৩
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯২
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ دَخَلْتُ أَنَا وَعَمِّي، عَلْقَمَةُ وَالأَسْوَدُ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ وَأَنَا شَابٌّ، يَوْمَئِذٍ فَذَكَرَ حَدِيثًا رُئِيتُ أَنَّهُ حَدَّثَ بِهِ، مِنْ أَجْلِي قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . بِمِثْلِ حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ وَزَادَ قَالَ فَلَمْ أَلْبَثْ حَتَّى تَزَوَّجْتُ .
বর্ণনাকারী আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
আমি আমার চাচা আলকামা ও আল আসওয়াদ (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। এ সময় আমি যুবক ছিলাম। তিনি একটি হাদিস উল্লেখ করলেন। আমি বুঝতে পারলাম যে, তিনি আমাকে লক্ষ্য করেই হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ উপরোক্ত হাদিসের অনুরূপ। এ বর্ণনায় আরো আছে, “অতঃপর আমি বিয়ে করতে আর বিলম্ব করিনি।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৬৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৬৫
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯৩
حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ، عُمَيْرٍ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ دَخَلْنَا عَلَيْهِ وَأَنَا أَحْدَثُ الْقَوْمِ، بِمِثْلِ حَدِيثِهِمْ وَلَمْ يَذْكُرْ فَلَمْ أَلْبَثْ حَتَّى تَزَوَّجْتُ .
বর্ণনাকারী আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ)
আমরা আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট গেলাম এবং আমি ছিলাম দলের মধ্যে সব চাইতে তরুণ। ..... উপরের হাদিসের অনুরূপ। তবে এ সূত্রে “অতঃপর আমি বিয়ে করতে আর বিলম্ব করিনি” কথাটুকু উল্লেখ নেই।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৬৮, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৬৬
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯৪
وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا بَهْزٌ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ نَفَرًا، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم سَأَلُوا أَزْوَاجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَنْ عَمَلِهِ فِي السِّرِّ فَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ أَتَزَوَّجُ النِّسَاءَ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ آكُلُ اللَّحْمَ . وَقَالَ بَعْضُهُمْ لاَ أَنَامُ عَلَى فِرَاشٍ . فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ . فَقَالَ " مَا بَالُ أَقْوَامٍ قَالُوا كَذَا وَكَذَا لَكِنِّي أُصَلِّي وَأَنَامُ وَأَصُومُ وَأُفْطِرُ وَأَتَزَوَّجُ النِّسَاءَ فَمَنْ رَغِبَ عَنْ سُنَّتِي فَلَيْسَ مِنِّي " .
বর্ণনাকারী আনাস (রাযিঃ)
নবি (ﷺ)-এর কতিপয় সাহাবি নবি (ﷺ)-এর সহধর্মিণীদের নিকট তাঁর গোপন ইবাদত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ বললেন, আমি কখনও বিয়ে করব না, কেউ বললেন, আমি কখনও গোশত খাব না, কেউ বললেন, আমি কখনও বিছানায় ঘুমাব না।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করলেন এবং বললেনঃ “লোকদের কী হল যে, তারা এরূপ এরূপ বলছে? অথচ আমি তো সালাতও আদায় করি আবার নিদ্রাও যাই, সাওম পালন করি এবং ইফতারও করি এবং বিয়েও করেছি। অতএব যে ব্যক্তি আমার সুন্নত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, সে আমার কেউ নয়।”
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৬৯, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৬৭
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯৫
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، ح وَحَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ، الْمُسَيَّبِ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، قَالَ رَدَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى عُثْمَانَ بْنِ مَظْعُونٍ التَّبَتُّلَ وَلَوْ أَذِنَ لَهُ لاَخْتَصَيْنَا .
বর্ণনাকারী সা’দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ)
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) উসমান ইবন মাজঊন (রাঃ)-এর নারী সাহচর্য থেকে দূরে থাকার ইচ্ছাকে প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি যদি তাকে অনুমতি দিতেন, তবে আমরা নিজেদের খোজা হয়ে যেতাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৬৮[৪৫] এ হাদীসে এ ইঙ্গিত করেছে যে, লোকেরা নিজস্বে মতানুসারে খাসি হওয়াকে বৈধ জানতেন, অতঃপর রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন অনুমতি না দিলেন তখন এর হারাম হওয়া প্রমাণিত হল। অতঃপর তারা নিজস্ব মত পরিত্যাগ করলেন। ক্বিয়ামাত পর্যন্ত সৎকর্মশীল উম্মাতের নীতি ও তরীকা এটাই যে, যখন রসূলু্ল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীস পেয়ে যাবে তখন নিজেদের মত হোক বা কোন পীর, মুজতাহিদ বা ইমামের মত হোক না কেন তাকে সালাম জানিয়ে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীসের উপর ‘আমাল করবে। আর যে ব্যক্তি এ নীতিতে বিশ্বাসী নয় সে সালফে সালিহীনের নীতির উপর নেই।
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯৬
وَحَدَّثَنِي أَبُو عِمْرَانَ، مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ زِيَادٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، قَالَ سَمِعْتُ سَعْدًا، يَقُولُ رُدَّ عَلَى عُثْمَانَ بْنِ مَظْعُونٍ التَّبَتُّلُ وَلَوْ أُذِنَ لَهُ لاَخْتَصَيْنَا .
বর্ণনাকারী সা’ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ)
আমি সাদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি- উসমান ইবনে মাজউন (রাঃ)-এর কৌমার্যব্রত অবলম্বনের প্রস্তাব (রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কর্তৃক) প্রত্যাখ্যাত হয়। তাকে অনুমতি দেয়া হলে আমরা অবশ্যই নিজেদের খোজা করে নিতাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৬৯
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا حُجَيْنُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ أَنَّهُ قَالَ أَخْبَرَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ، يَقُولُ أَرَادَ عُثْمَانُ بْنُ مَظْعُونٍ أَنْ يَتَبَتَّلَ، فَنَهَاهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَلَوْ أَجَازَ لَهُ ذَلِكَ لاَخْتَصَيْنَا .
বর্ণনাকারী সা’ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ)
তিনি সাদ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, উসমান ইবন মাযঊন (রাঃ) কৌমার্যব্রত অবলম্বনের প্রস্তাব করলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে (তা করতে) নিষেধ করে দেন। তিনি যদি তাঁকে অনুমতি দিতেন তবে অবশ্যই আমরা নিজেদের খোজা করে নিতাম।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭২, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৭০
১৭/২. অধ্যায়ঃ
কোন মহিলাকে দেখে কোন পুরুষের মনে যৌন কামনা জাগ্রত হলে সে যেন তার স্ত্রীর সাথে অথবা ক্রীতদাসীর সাথে গিয়ে মিলিত হয়
সহিহ মুসলিম
হাদিস নং ৩২৯৮
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ أَبِي عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى امْرَأَةً فَأَتَى امْرَأَتَهُ زَيْنَبَ وَهْىَ تَمْعَسُ مَنِيئَةً لَهَا فَقَضَى حَاجَتَهُ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى أَصْحَابِهِ فَقَالَ " إِنَّ الْمَرْأَةَ تُقْبِلُ فِي صُورَةِ شَيْطَانٍ وَتُدْبِرُ فِي صُورَةِ شَيْطَانٍ فَإِذَا أَبْصَرَ أَحَدُكُمُ امْرَأَةً فَلْيَأْتِ أَهْلَهُ فَإِنَّ ذَلِكَ يَرُدُّ مَا فِي نَفْسِهِ " .
বর্ণনাকারী জাবির (রাযিঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এক মহিলাকে দেখলেন। তখন তিনি তাঁর স্ত্রী যায়নাবের নিকট আসলেন। তিনি তখন তার একটি চামড়া পাকা করায় ব্যস্ত ছিলেন এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিজের প্রয়োজন পূরণ করলেন। অতঃপর বের হয়ে সাহাবীদের নিকট এসে তিনি বললেনঃ স্ত্রীলোক সামনে আসে শয়তানের বেশে এবং ফিরে যায় শয়তানের বেশে। অতএব তোমাদের কেউ কোন স্ত্রীলোক দেখতে পেলে সে যেন তার স্ত্রীর নিকট আসে। কারণ তা তার মনের ভেতর যা রয়েছে তা দূর করে দেয়।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩২৭৩, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩২৭১[৪৬] স্ত্রীলোকের শয়তানের আকৃতিতে আসার অর্থ হল, কৃপ্রবৃত্তিকে উস্কে দেয় ও যিনার প্রতি উৎসাহিত করে এবং যিনা তথা স্ত্রী সহবাস করার আস্বাদকে স্মরণ করে দেয় যা শায়ত্বানী প্রভাব।