সৃষ্টির সূচনা ও কেয়ামতের বিভিন্ন অবস্থা

২৮/৪. অধ্যায়ঃ

হাউজে কাওসার ও শাফায়াতের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ

কুরতুবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর দুটি হাওয থাকবে। একটি পুলসিরাতের পূর্বে অবস্থানের জায়গায়, অন্যটি থাকবে জান্নাতে। উভয় হাওযের নাম কাওসার। তাদের ভাষায় কাওসার অর্থ অধিক কল্যাণ। সঠিক কথা হলো হাওযের ব্যবস্থা হবে মীযানের পূর্বে। কারণ মানুষেরা কবর থেকে পিপাসার্ত হয়ে বের হবে। অতঃপর তারা নবীদের অবস্থানস্থলে হাওয থাকবে। আমি বলি, জামি’তে রয়েছে, হে নবী (সা.) আপনার জন্য হাওযে কাওসার রয়েছে। তারা গর্ব করে বলবে যে, কারা বেশি আগমন করেছে? আমি আশা করি যে, আমি তাদের মাঝে সর্বাধিক সংখ্যা নিয়ে আগমনকারী হব।রাগিব (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, (الشَّفْعُ) বলা হয় কোন জিনিসকে অনুরূপ জিনিসের সাথে যুক্ত করা এখান থেকে (الشَّفَاعَةُ) নির্গত হয়েছে। আর তা বলা হয় অন্যকে সাহায্য করার জন্য তার সাথে যোগদান করা তার থেকে গোপন হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাধারণের তুলনায় বেশি মর্যাদাবান ব্যক্তির যুক্ত হওয়া তার চাইতে কম মর্যাদার লোকের সাথে শাফা’আত সংঘটিত হবে কিয়ামতে। (মিরকাতুল মাফাতীহ)

মিশকাতুল মাসাবিহ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يَدْخُلُ أَحَدٌ الْجَنَّةَ إِلَّا أُرِيَ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ لَوْ أَسَاءَ لِيَزْدَادَ شُكْرًا وَلَا يَدْخُلُ النَّارَ أَحَدٌ إِلَّا أُرِيَ مَقْعَدَهُ مِنَ الْجَنَّةِ لَوْ أَحْسَنَ ليَكُون عَلَيْهِ حسرة» . رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (6569) ۔ (صَحِيح)

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : কোন লোকই জান্নাতে প্রবেশ করবে না যে অবধি না অপরাধ করলে জাহান্নামে তার যে স্থান হত, তা তাকে দেখানো হয়, যাতে সে অধিক কৃতজ্ঞ হয়। আর কোন জাহান্নামীকে জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে না যে পর্যন্ত ভালো কাজ করলে জান্নাতে তার যে স্থান হত, তা তাকে দেখানো না হয়, যেন তার আফসোস ও অনুশোচনা বৃদ্ধি পায়।

সহীহঃ বুখারী ৬৫৬৯, মুসনাদে আহমাদ ১০৯৯৩, সহীহুল জামি ৭৬৬৮, সিলসিলাতুস সহীহাহ ২২৭৯।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18