সৃষ্টির সূচনা ও কেয়ামতের বিভিন্ন অবস্থা
২৮/১. অধ্যায়ঃ
শিঙ্গায় ফুঁৎকার - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২১-[১]
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا بَيْنَ النَّفْخَتَيْنِ أَرْبَعُونَ» قَالُوا: يَا أَبَا هُرَيْرَةَ أَرْبَعُونَ يَوْمًا؟ قَالَ: أَبَيْتُ. قَالُوا: أَرْبَعُونَ شَهْرًا؟ قَالَ: أَبَيْتُ. قَالُوا: أَرْبَعُونَ سَنَةً؟ قَالَ: أَبَيْتُ. «ثُمَّ يَنْزِلُ اللَّهُ مِنَ السَّمَاءِ مَاءٌ فَيَنْبُتُونَ كَمَا يَنْبُتُ الْبَقْلُ» قَالَ: «وَلَيْسَ مِنَ الْإِنْسَانِ شَيْءٌ لَا يَبْلَى إِلَّا عَظْمًا وَاحِدًا وَهُوَ عَجْبُ الذَّنَبِ وَمِنْهُ يُرَكَّبُ الْخَلْقُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسْلِمٍ قَالَ: «كُلُّ ابْنِ آدَمَ يَأْكُلُهُ التُّرَابُ إِلَّا عَجْبَ الذَّنَبِ مِنْهُ خُلِقَ وَفِيهِ يركب» متفق علیہ ، رواہ البخاری (4814) و مسلم (141 / 2955، (7414) و الروایۃ الثانیۃ 142 / 2955)، (7415) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : দু'টি ফুঁকের মধ্যখানে দূরত্ব হবে চল্লিশ। লোকেরা প্রশ্ন করল, হে আবূ হুরায়রাহ্! চল্লিশ দিন? তিনি বললেন, আমি উত্তর দিতে অপারগ। (অর্থাৎ আমি জানি না) তারা প্রশ্ন করল, চল্লিশ মাস? তিনি বললেন, আমি উত্তর দিতে অস্বীকার করি। লোকেরা প্রশ্ন করল, চল্লিশ বছর? তিনি বললেন, আমি জবাব দিতে অস্বীকার করি। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা আসমান থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তখন মৃত দেহগুলো এমনভাবে জীবিত হয়ে উঠবে, যেমনিভাবে (বৃষ্টির পানিতে) ঘাস-লতা ইত্যাদি গজিয়ে উঠে। অতঃপর তিনি (ﷺ) বলেছেন, মেরুদণ্ডের নিম্নাংশের একটি হাড় ছাড়া মানবদেহের সকল কিছুই মাটিতে গলে বিলীন হয়ে যাবে এবং ক্বিয়ামাতের দিন সেই হাড্ডি হতে গোটা দেহের পুনর্গঠন করা হবে।আর মুসলিম-এর অপর এক বর্ণনায় আছে, নবী (ﷺ) বলেছেন : মাটি আদাম সন্তানের প্রতিটি অংশ খেয়ে ফেলবে, তবে তার মেরুদণ্ডের নিম্নাংশ খাবে না। তা হতেই মানবদেহ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং (ক্বিয়ামাতের দিন) তা হতে তাকে পতন করা হবে।
সহীহ বুখারী ৪৯৩৫, মুসলিম ১৪১-(২৯৫৫), সহীহুল জামি ৫৫৮৫, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৩৫৭৪।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২২-[২]
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَقْبِضُ اللَّهُ الْأَرْضَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَطْوِي السَّمَاءَ بِيَمِينِهِ ثُمَّ يَقُولُ: أَنَا الْمَلِكُ أَيْنَ مُلُوكُ الْأَرْضِ؟ . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (4812) و مسلم (23 / 2787)، (7050) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
বর্ণনাকারী উক্ত রাবী (আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ))
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আল্লাহ তা'আলা ক্বিয়ামাতের দিন জমিনকে মুষ্ঠির মধ্যে নিয়ে নেবেন, আর আকাশকে ডান হাতে পেঁচিয়ে নেবেন। অতঃপর বলবেন, আমিই বাদশাহ, দুনিয়ার বাদশাহগণ কোথায়?
সহীহ: বুখারী ৪৮১২, মুসলিম ২৩-(২৭৮৭), আবূ দাউদ ৪৭৩২, ইবনু মাজাহ ১৯৮, সহীহুল জামি ৮০০৯, মুসনাদে ‘আবদ ইবনু হুমায়দ ৭৪২, মুসনাদে বাযযার ৬১০৫, মুসনাদে আহমাদ ৮৮৫০, আবূ ইয়া'লা ৫৫৫৮, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ৭৬৯২, দারিমী ২৭৯৯, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ১৩১৪৬।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২৩-[৩]
وَعَن عبد الله بن عَمْرو قَالَ: قا ل رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَطْوِي اللَّهُ السَّمَاوَاتِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ثُمَّ يَأْخُذُهُنَّ بِيَدِهِ الْيُمْنَى ثُمَّ يَقُولُ: أَنَا الْمَلِكُ أَيْنَ الْجَبَّارُونَ؟ أَيْنَ الْمُتَكَبِّرُونَ؟ ثُمَّ يَطْوِي الْأَرَضِينَ بِشِمَالِهِ - وَفِي رِوَايَة: يَأْخُذُهُنَّ بِيَدِهِ الْأُخْرَى - ثُمَّ يَقُولُ: أَنَا الْمَلِكُ أينَ الجبَّارونَ أينَ المتكبِّرونَ؟ . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (24 / 2788)، (7051) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আল্লাহ তা'আলা ক্বিয়ামাতের দিন আসমানসমূহকে গুটিয়ে নেবেন, অতঃপর তাকে ডান হাতে রেখে বলবেন, আমিই বাদশাহ, কোথায় দুনিয়ার অহংকারী ও স্বৈরাচারী যালিমরা? অতঃপর বাম হাতে জমিনসমূহকে গুটিয়ে নিবেন। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, অপর হাতে নিয়ে বলবেন, আমিই বাদশাহ, কোথায় স্বৈরাচারী অবিচার ও অহংকারীগণ।
সহীহঃ মুসলিম ২৪-(২৭৮৮), আবূ দাউদ ৪৭৩২, ইবনু মাজাহ ১৯৮, সহীহুল জামি ৮০০৯, মুসনাদে আবদ ইবনু হুমায়দ ৭৪২, আবূ ইয়া'লা ৫৫৫৮, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ৩৭।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২৪-[৪]
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: جَاءَ حَبْرٌ مِنَ الْيَهُودِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ إِنَّ اللَّهَ يُمْسِكُ السَّمَاوَاتِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَلَى أُصْبُعٍ وَالْأَرَضِينَ عَلَى أُصْبُعٍ وَالْجِبَالَ وَالشَّجَرَ عَلَى أُصْبُعٍ وَالْمَاءَ وَالثَّرَى عَلَى أُصْبُعٍ وَسَائِرَ الْخَلْقِ علىأصبع ثُمَّ يَهُزُّهُنَّ فَيَقُولُ: أَنَا الْمَلِكُ أَنَا اللَّهُ. فَضَحِكَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَعَجُّبًا مِمَّا قَالَ الْحَبْرُ تَصْدِيقًا لَهُ. ثُمَّ قَرَأَ: (وَمَا قَدَرُوا اللَّهَ حَقَّ قَدْرِهِ وَالْأَرْضُ جَمِيعًا قَبْضَتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَالسَّماوَاتُ مَطْوِيَّاتٌ بِيَمِينِهِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يشركُونَ) مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (4811) و مسلم (19 / 2786)، (7046) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস'উদ (রাঃ)
একদিন জনৈক ইয়াহুদী পণ্ডিত নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলল, হে মুহাম্মাদ! আমরা (তাওরাতে) পেয়েছি যে, আল্লাহ তা'আলা ক্বিয়ামাতের দিন আকাশমণ্ডলীকে এক আঙ্গুলের উপর স্থাপন করবেন। জমিনকে এক আঙ্গুলের উপর, পর্বতমালা ও গাছসমূহকে এক আঙ্গুলের উপর, পানি এবং কাদা-মাটিকে এক আঙ্গুলের উপর, আর অন্যান্য সমস্ত সৃষ্টিজগতকে এক আঙ্গুলের উপর রাখবেন। অতঃপর এ সমস্ত কিছুকে নাড়া দিয়ে বলবেন, আমিই বাদশাহ, আমিই আল্লাহ! ইয়াহুদী পাদ্রির কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বিস্ময়ে হয়ে হেসে ফেললেন, তিনি যেন তার কথার সত্যতা স্বীকার করলেন। অতঃপর তিনি (ﷺ) কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করলেন- (وَ مَا قَدَرُوا اللّٰهَ حَقَّ قَدۡرِهٖ ٭ۖ وَ الۡاَرۡضُ جَمِیۡعًا قَبۡضَتُهٗ یَوۡمَ الۡقِیٰمَۃِ وَ السَّمٰوٰتُ مَطۡوِیّٰتٌۢ بِیَمِیۡنِهٖ ؕ سُبۡحٰنَهٗ وَ تَعٰلٰی عَمَّا یُشۡرِکُوۡنَ) “আল্লাহ তা'আলার যতটুকু সম্মান করা দরকার ছিল তারা ততটুকু সম্মান করেনি, অথচ ক্বিয়ামাতের দিন সম্পূর্ণ পৃথিবী তাঁর মুষ্টিতে থাকবে এবং আকাশমণ্ডলী ডান হাতে গুটানো থাকবে। তিনি পবিত্র, তারা যাকে শারীক করে তিনি তার ঊর্ধ্বে”- (সূরাহ্ আয্ যুমার ৩৯ : ৬৭)।
সহীহ: বুখারী ৭৪১৪, মুসলিম ১৯-(২৭৮৬), তিরমিযী ৩২৩৮, মুসনাদে আহমাদ ৪০৮৭, আবূ ইয়া'লা ৫৩৮৭, আস সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ১১৪৫১, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ১০১৮১, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৫৮৫৭।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২৫-[৫]
وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ قَوْلِهِ: (يَوْمَ تُبَدَّلُ الأرضُ غيرَ الأَرْض والسَّماواتُ) فَأَيْنَ يَكُونُ النَّاسُ يَوْمَئِذٍ؟ قَالَ: «عَلَى الصِّرَاطِ» . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (29 / 2791)، (7056) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এ আয়াতের ব্যাখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম يَوْمَ تُبَدَّلُ الأرضُ غيرَ الأَرْض والسَّماواتُ“যেদিন এ জমিনকে আরেক জমিনে রূপান্তরিত করা হবে এবং আকাশমণ্ডলীকে আরেক আকাশে”- (সূরাহ্ ইব্রাহীম ১৪ : ৪৮)। সেদিন সকল মানুষ কোথায় থাকবে? তিনি বললেন, 'পুলসিরাতের' উপর।
সহীহ মুসলিম ২৯-(২৭৯১), সহীহ ইবনু হিব্বান ৩৩১।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২৬-[৬]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الشَّمْسُ وَالْقَمَرُ مُكَوَّرَانِ يَوْم الْقِيَامَة» . رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (3200) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : ক্বিয়ামাতের দিন সূর্য ও চন্দ্রকে পেঁচিয়ে নেয়া হবে।
সহীহঃ বুখারী ৩২০০, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১২৪।
২৮/১. অধ্যায়ঃ
শিঙ্গায় ফুঁৎকার - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২৭-[৭]
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «كَيْفَ أَنْعَمُ وَصَاحِبُ الصُّورِ قَدِ الْتَقَمَهُ وَأَصْغَى سَمْعَهُ وَحَنَى جَبْهَتَهُ يَنْتَظِرُ مَتَى يُؤْمَرُ بِالنَّفْخِ» . فَقَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا تَأْمُرُنَا؟ قَالَ: قُولُوا: حَسْبُنَا اللَّهُ ونِعمَ الْوَكِيل . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ سندہ ضعیف ، رواہ الترمذی (2431 وقال : حسن ، 3243) * عطیۃ العوفی ضعیف
বর্ণনাকারী আবূ সা'ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমি কিভাবে আরাম-আয়েশে থাকতে পারি? অথচ শিঙ্গাওয়ালা (ইসরাফীল ) শিঙ্গা মুখে দাবিয়ে রেখেছেন, কান ঝুঁকিয়ে রেখেছেন, মাথা নুয়ে রেখেছেন। তিনি কেবল এ প্রতীক্ষায় রয়েছেন যে, তাতে ফুঁক দেয়ার জন্য কখন নির্দেশ দেয়া হয়? এ কথা শুনে লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! যখন অবস্থা এমনই, তাহলে আমাদেরকে কি করতে আদেশ দেন? তিনি (ﷺ) বললেন, তোমরা حَسْبُنَا اللَّهُ ونِعمَ الْوَكِيل (আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কার্য নির্বাহক) পড়তে থাক।
সহীহ: তিরমিযী ২৪৩১, সিলসিলাতুস সহীহাহ ২০৭৯, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ২৯৫৮৭, মুসনাদে আহমাদ ৩০১০, আবূ ইয়া'লা ১০৮৪, সহীহ ইবনু হিব্বান ৮২৩, আস সুনানুল কুবরা লিন নাসায়ী ১১০৮২, আল মু'জামুল কাবার লিত্ব ত্ববারানী ৪৯৩২, সহীহ আত তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৪৫।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২৮-[৮]
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الصُّورُ قَرْنٌ يُنْفَخُ فِيهِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالدَّارِمِيُّ اسنادہ ضعیف ، رواہ الترمذی (2430 وقال : حسن صحیح) و ابوداؤد (4742) و الدارمی (2 / 325 ح 2801)
বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর (রাঃ) নাবী (সাঃ)
তিনি (ﷺ) বলেছেন : 'সূর’ হলো একটি শিং যাতে ফুঁ দেয়া হবে।
সহীহ: তিরমিযী ৩৪৭২, আবূ দাউদ ৪৭৪২, সহীহুল জামি ৩৮৬৩, সিলসিলাতুস সহীহাহু ১০৮০।
২৮/১. অধ্যায়ঃ
শিঙ্গায় ফুঁৎকার - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫২৯-[৯]
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ فِي قَوْلِهِ تَعَالَى (فإِذا نُقر فِي النَّاقور) : الصّور قَالَ: و (الرجفة) : النَّفْخَةُ الْأُولَى وَ (الرَّادِفَةُ) : الثَّانِيَةُ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ فِي تَرْجَمَة بَاب رواہ البخاری (کتاب الرقاق باب 43 قبل ح 6517 تعلیقًا) * اسندہ ابن جریر فی تفسیرہ (29 / 95) و سندہ ضعیف ، علی بن ابی طلحۃ عن ابن عباس : منقطع کما تقدم 5117) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
আল্লাহ তা'আলার বাণী-(فإِذا نُقر فِي النَّاقور)“যেদিন শিঙ্গায় ফুঁ দেয়া হবে”- (সূরাহ্ আল মুদ্দাসসির ৭৪ : ৮)-এর মধ্যে (نَاقُورِ) (না-কূর) দ্বারা শিঙ্গা এবং(یَوۡمَ تَرۡجُفُ الرَّاجِفَۃُ ۙ)“সেদিন ভূকম্পন প্রকম্পিত করবে”- (সূরাহ্ আন্ না-যি'আ-ত ৭৯ :৬)] এর মধ্যে (الرَّاجِفَۃُ ۙ) (রা-জিফাহ্) দ্বারা প্রথম ফুঁৎকার এবং(تَتۡبَعُهَا الرَّادِفَۃُ ؕ)“তারপর আসবে আরেকটি ভূকম্পন”- (সূরাহ্ আন্ না-যি'আ-ত ৭৯ : ৭)](الرَّادِفَۃُ ؕ) (রা-দিফাহ্) দ্বারা দ্বিতীয় ফুঁৎকারের অর্থ গ্রহণ করা হয়েছে।
সহীহঃ বুখারী ৬৫১৭।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫৫৩০-[১০]
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَاحِبُ الصُّورِ وَقَالَ: «عَن يَمِينه جِبْرِيل عَن يسَاره مِيكَائِيل» ضعیف ، رواہ رزین (لم اجدہ) [و ابوداؤد (3999)] * عطیۃ العوفی ضعیف ۔ (ضَعِيف)
বর্ণনাকারী আবূ সা'ঈদ আল খুদরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শিঙ্গা ফুঁৎকারকারীর (অর্থাৎ ইসরাফীল-এর) বর্ণনায় বলেছেন, তার ডান পার্শ্বে জিবরীল (আঃ) এবং বাম পার্শ্বে মীকাঈল (আঃ) থাকবেন।
য'ঈফ: আবূ দাউদ ৩৯৯৯, কারণ ‘আত্বিয়্যাহ আল 'আওফী য'ঈফ, মুসনাদে আহমাদ ১১০৮৪, আবূ ইয়া'লা ১৩০৫।