সৃষ্টির সূচনা ও কেয়ামতের বিভিন্ন অবস্থা
২৮/৪. অধ্যায়ঃ
হাউজে কাওসার ও শাফায়াতের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَلَا قَوْلَ اللَّهِ تَعَالَى فِي إِبْرَاهِيمَ: [رَبِّ إِنَّهُنَّ أَضْلَلْنَ كَثِيرًا مِنَ النَّاسِ فَمَنْ تَبِعَنِي فَإِنَّهُ مني] وَقَالَ عِيسَى: [إِن تُعَذبهُمْ فَإِنَّهُم عِبَادك] فَرَفَعَ يَدَيْهِ فَقَالَ «اللَّهُمَّ أُمَّتِي أُمَّتِي» . وَبَكَى فَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى: «يَا جِبْرِيلُ اذْهَبْ إِلَى مُحَمَّدٍ وَرَبُّكَ أَعْلَمُ فَسَلْهُ مَا يُبْكِيهِ؟» . فَأَتَاهُ جِبْرِيلُ فَسَأَلَهُ فَأَخْبَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَا قَالَ فَقَالَ اللَّهُ لِجِبْرِيلَ اذْهَبْ إِلَى مُحَمَّدٍ فَقُلْ: إِنَّا سَنُرْضِيكَ فِي أمَّتك وَلَا نسوؤك . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (346 / 202)، (499) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু 'আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ)
একদিন নবী (ﷺ) ইবরাহীম (আঃ)-এর উক্তি সংবলিত এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন, (অর্থাৎ) “হে প্রভু! এ সকল মূর্তিগুলো বহু মানুষকে বিভ্রান্ত ও গোমরাহ করেছে, অতএব যে আমার অনুকরণ করবে সে-ই আমার দলভুক্ত, কিন্তু কেউ আমার অবাধ্য হলে তুমি তো ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু”- (সূরাহ্ ইব্রা-হীম ১৪ : ৩৬)। আর ‘ঈসা (আঃ)-এর উক্তিও পাঠ করলেন, অর্থাৎ “যদি তুমি তাদেরকে শাস্তি দাও, তারা তো তোমারই বান্দা”- (সূরাহ্ আল মায়িদাহ ৫ : ১১৮)।অতঃপর নবী (ﷺ) নিজের হস্তদ্বয় উঠিয়ে এ ফরিয়াদ করতে লাগলেন, হে আল্লাহ! আমার উম্মাত, আমার উম্মাত! (তুমি তাদেরকে ক্ষমা কর) এই বলে তিনি কাঁদতে লাগলেন।তখন আল্লাহ তা'আলা জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর কাছে যাও এবং তাঁকে প্রশ্ন কর তিনি (ﷺ) কেন কাঁদছেন? অবশ্য আল্লাহ তা'আলা ভালোভাবেই জানেন, তাঁর কান্নার কারণ কী? তখন জিবরীল (আঃ) এসে তাঁকে প্রশ্ন করলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে তাই অবগত করলেন যা তিনি বলেছিলেন, অতঃপর আল্লাহ তা'আলা জিবরীল (আঃ)-কে পুনরায় বললেন, মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর কাছে যাও এবং তাঁকে বল, আমি আপনাকে আপনার উম্মাতের ব্যাপারে সন্তুষ্ট করে দেব এবং আপনাকে কষ্ট দেব না।
সহীহ: মুসলিম ৩৪৬-(২০২), শু’আবূল ঈমান ৩০৩, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭২৩৫, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ১১২৬৯, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১৫১৫, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৮৮৯৪।