সৃষ্টির সূচনা ও কেয়ামতের বিভিন্ন অবস্থা
২৮/২. অধ্যায়ঃ
হাশর - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَنْظُرَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ كَأَنَّهُ رَأْيُ عَيْنٍ فليَقرأْ: (إِذا الشَّمسُ كُوِّرَتْ) و (إِذا السَّماءُ انفطرَتْ) و (إِذا السَّماءُ انشقَّتْ) رَوَاهُ أَحْمد وَالتِّرْمِذِيّ اسنادہ حسن ، رواہ احمد (2 / 27 ح 4806) و الترمذی (3333) ۔ (حسن)
বর্ণনাকারী ইবনু 'উমার (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি ক্বিয়ামাতের দৃশ্যটি এমনভাবে দেখতে পছন্দ করে যে, তা তার চোখের সামনে উপস্থিত সে যেন(إِذا الشَّمسُ كُوِّرَتْ) “যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে”- (সূরা আত্ তাকভীর ৮১ : ১); এবং(إِذا السَّماءُ انفطرَتْ) “যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে”- (সূরা আল ইনফিত্বা-র ৮২ : ১); ও (إِذا السَّماءُ انشقَّتْ) “ যখন আকাশ ভেঙ্গে খান খান হয়ে যাবে”- (সূরা আল ইনশিক্বা-ক্ব ৮৪ : ১); এ সূরা কয়েকটি (মর্ম বুঝে) পাঠ করে।
সহীহ: তিরমিযী ৩৩৩৩, সিলসিলাতুস সহীহাহ ১০৮১, মুসনাদে আহমাদ ৪৮০৬, সহীহুল জামি ৬২৯৩, আল মুসতাদরাক' লিল হাকিম ৮৭১৯।