মন-গলানো উপদেশমালা

২৬/৫. অধ্যায়ঃ

লোক দেখানো ও শুনানোর ব্যাপারে বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ

রিয়া হচ্ছে মূলত মানুষকে দেখানোর উদ্দেশে কোন নেক আমল করা। আর সুম’আহ্ হচ্ছে, মানুষকে শুনানোর জন্য কোন ভালো কাজ বা ভালো কথা বলা। এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা আসল উদ্দেশ্য থাকে না। কখনো উভয় শব্দকে এই অর্থ বুঝানোর জন্য তাগিদ হিসেবে নিয়ে আসা হয়। এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে ইখলাস তথা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য একনিষ্ঠভাবে কোন কাজ করা। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)

মিশকাতুল মাসাবিহ

وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: قَالَ اللَّهُ تَعَالَى: أَنَا أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ مَنْ عَمِلَ عَمَلًا أَشْرَكَ فِيهِ مَعِي غَيْرِي تَرَكْتُهُ وَشِرْكَهُ وَفِي رِوَايَةٍ: فَأَنَا مِنْهُ بَرِيءٌ هُوَ لِلَّذِي عَمِلَهُ . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (46 / 2985)، (7475) ۔ (صَحِيح)

উক্ত রাবী (আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমি অংশীস্থাপনকারীদের হতে সম্পূর্ণ মুক্ত। যে লোক কোন ‘আমালে (‘ইবাদাতে) আমার সাথে অন্যকে শারীক করে, আমি তাকেও তার সেই শিরকসহ বর্জন করি।

সহীহ: মুসলিম (৪৬/২৯৮৫)

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18