মন-গলানো উপদেশমালা
২৬/০. অধ্যায়ঃ
মন-গলানো উপদেশমালা সম্পর্কিত - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৫৫-[১]
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: نِعْمَتَانِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ: الصِّحَّةُ وَالْفَرَاغُ . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ رواہ البخاری (6412) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : দু'টি নি‘আমাতের ব্যাপারে অনেক মানুষ ধোঁকায় পতিত হয়; একটি সুস্থতা অপরটি অবসরতা।
সহীহ বুখারী ৬৪১২, তিরমিযী ২৩০৪, ইবনু মাজাহ ৪১৭০, সহীহুল জামি' ৬৭৭৮, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ৩৪৩৫৭, মুসনাদে আবৃদ ইবনু হুমায়দ ৬৮৪, মুসনাদে আহমাদ ৩২০৭, শুআবুল ঈমান ৪৫১৩, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১০৬৩৫, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৬৩১, আল মুসতাদরাক লিল হাকিম ৭৮৪৫, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬৭৬০।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৫৬-[২]
وَعَنِ الْمُسْتَوْرِدِ بْنِ شَدَّادٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «وَاللَّهِ مَا الدُّنْيَا فِي الْآخِرَةِ إِلَّا مِثْلُ مَا يجعلُ أحدُكم إصبعَه فِي اليمِّ فَلْينْظر بِمَ يرجع» . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (55 / 2858)، (7197) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী মুসতাওরিদ ইবনু শাদ্দাদ (রাঃ)
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহর শপথ! আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার উপমা হলো, যেমন- “তোমাদের কেউ মহাসমুদ্রের মধ্যে নিজের একটি অঙ্গুলি ডুবিয়ে দেয় এরপর সে লক্ষ্য করে দেখুক তা কি (পরিমাণ পানি) নিয়ে আসলো”।
সহীহ : মুসলিম ৫৫-(২৮৫৮) তিরমিযী ২৩২৩, ইবনু মাজাহ ৪১০৮, মুসনাদে আহমাদ ১৮০৩৭, সহীহুল জামি' ১৩০৫৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৪৩৩০, শুআবুল ঈমান ১০৪৫৯, আল মু'জামুস্ সগীর লিত্ব ত্ববারানী ৫৪৫, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৪১৮০।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৫৭-[৩]
وَعَنْ جَابِرٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِجَدْيٍ أَسَكَّ مَيِّتٍ. قَالَ: «أَيُّكُمْ يُحِبُّ أَنَّ هَذَا لَهُ بِدِرْهَمٍ؟» فَقَالُوا: مَا نحبُّ أَنه لنا بشيءقال: «فَوَاللَّهِ لَلدُّنْيَا أَهْوَنُ عَلَى اللَّهِ مِنْ هَذَا عَلَيْكُم» . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (2 / 2957)، (7418) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ)
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি কানকাটা মৃত বকরীর বাচ্চার নিকট দিয়ে অতিক্রমকালে বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে পছন্দ করবে যে, এক দিরহামে বিনিময়ে এটা তার মালিকানাভুক্ত হোক। তাঁরা বললেন, কোন কিছুর বিনিময়ে এটা আমাদের মালিকানাভুক্ত হোক তা আমরা পছন্দ করব না। তখন তিনি বললেন : আল্লাহর শপথ! এটা তোমাদের কাছে যতটুকু নিকৃষ্ট, আল্লাহর কাছে দুনিয়া (এবং তার সম্পদ) এর চেয়েও অধিক নিকৃষ্ট।
সহীহ : মুসলিম ২-(২৯৫৭), আবু দাউদ ১৮১, মুসনাদে আহমাদ ১৪৯৭২, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৩২৩৫, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ২৪৮২, শুআবুল ঈমান ১০৪৬৭, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ৬৭৭।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৫৮-[৪]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الدُّنْيَا سِجْنُ المؤمنِ وجنَّةُ الكافرِ» . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (1 / 2956)، (7417) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : দুনিয়া মুমিনের জন্য জেলখানা আর কাফিরের জন্য জান্নাতস্বরূপ।
সহীহ : মুসলিম ১-(২৯৫৬), তিরমিযী ২৩২৪, ইবনু মাজাহ ৩৪৭২২, মুসনাদে ‘আবৃদ ইবনু হুমায়দ ৩৪৬, মুসনাদে বাযার ২৪৯৮, আবু ইয়ালা ৬৪৫৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৮৭, শুআবুল ঈমান ৫৬৪৫, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ৫৯৬৫ আল মু'জামুল আওসাত্ব ২৭৮২, আল মুসতাদরাক লিল হাকিম ৬৫৪৫।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৫৯-[৫]
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ اللَّهَ لَا يَظْلِمُ مُؤْمِنًا حَسَنَةً يُعْطَى بِهَا فِي الدُّنْيَا وَيُجْزَى بِهَا فِي الْآخِرَةِ وَأَمَّا الْكَافِرُ فَيُطْعَمُ بِحَسَنَاتِ مَا عَمِلَ بِهَا لِلَّهِ فِي الدُّنْيَا حَتَّى إِذَا أَفْضَى إِلَى الْآخِرَةِ لَمْ يَكُنْ لَهُ حَسَنَة يجزى بهَا» . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (56 / 2808)، (7089) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আল্লাহ কোন মুমিনের ভালো কাজকে নষ্ট করেন না, দুনিয়াতেও তার বিনিময় প্রদান করেন এবং আখিরাতেও তার প্রতিদান দেন। আর কাফির আল্লাহর জন্য যেসব ভালো কাজ করে দুনিয়াতে তার বিনিময় ভোগ করে, অবশেষে যখন সে আখিরাতে পৌঁছবে, তখন তার (‘আমালনামায়) কোন ভালো কাজ থাকবে না যার প্রতিদান সে পেতে পারে।
সহীহঃ মুসলিম ৫৬-(২৮০৮), সিলসিলাতুস সহীহাহ ৫২, মুসনাদে আহমাদ ১২২৫৯, সহীহুল জামি' ২৭৩৪, মুসনাদে আবদ ইবনু হুমায়দ ১১৭৮, আবু ইয়া'লা ২৮৪৪, শুআবুল ঈমান ২৭৯।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৬০-[৬]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «حُجِبَتِ النَّارُ بِالشَّهَوَاتِ وَحُجِبَتِ الْجَنَّةُ بِالْمَكَارِهِ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. إِلَّا أَنْ عِنْدَ مُسْلِمٍ: «حُفَّتْ» . بَدَلَ «حُجِبَتْ» متفق علیہ ، رواہ البخاری (6487) و مسلم (1 / 2823) [و رواہ مسلم (1 / 2822)، (7130 و 7131) من حدیث سیدنا انس رضی اللہ عنہ] ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : জাহান্নামকে কামনা-বাসনা দ্বারা ঢেকে রাখা হয়েছে। আর জান্নাতকে ঢেকে রাখা হয়েছে অপছন্দ জিনিস দ্বারা। মুসলিম-এর বর্ণনায় حُجِبَتِ “ঢেকে রাখা হয়েছে” এর (শব্দের) স্থলে خُفَّتْ “ঘিরে রাখা হয়েছে” রয়েছে।
সহীহঃ বুখারী ৬৪৮৭, মুসলিম ১-(২৮২২), তিরমিযী ২৫৫৯, সহীহুল জামি' ৩১২৬, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১৬৪০, মুসনাদে আহমাদ ৮৯৩১, মুসনাদে ‘আবৃদ ইবনু হুমায়দ ১৩১১, আবু ইয়া'লা ৩২৭৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭১৬, শুআবুল ঈমান ৯৭৯৫, দারিমী ২৮৪৩।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৬১-[৭]
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «تَعِسَ عَبْدُ الدِّينَارِ وَعَبْدُ الدِّرْهَمِ وَعَبْدُ الْخَمِيصَةِ إِنْ أُعْطِيَ رَضِيَ وَإِنْ لَمْ يُعْطَ سَخِطَ تَعِسَ وَانْتَكَسَ وَإِذَا شِيكَ فَلَا انْتُقِشَ. طُوبَى لِعَبْدٍ أَخَذَ بِعِنَانِ فَرَسِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَشْعَثُ رَأْسُهُ مُغْبَرَّةٌ قَدَمَاهُ إِنْ كَانَ فِي الْحِرَاسَةِ كَانَ فِي الْحِرَاسَةِ وَإِنْ كَانَ فِي السَّاقَة كَانَ فِي السَّاقَة وَإِن اسْتَأْذَنَ لَمْ يُؤْذَنْ لَهُ وَإِنْ شَفَعَ لَمْ يشفع» . رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (2887) ۔ (صَحِيح)
বর্ণনাকারী উক্ত রাবী (আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ))
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : ধ্বংস হোক দীনারের গোলাম, দিরহামের গোলাম, উত্তম পোশাকের গোলাম। যদি তাকে দেয়া হয় তবে সন্তুষ্ট হয়; আর না দেয়া হলে অসন্তুষ্ট হয়। সে ধ্বংস হোক, অধঃপতিত হোক যদি তার পায়ে কাঁটা বিঁধে তবে তা যেন খুলে দেয়ার মতো কেউ না থাকে।আর ঐ বান্দার জন্য সুসংবাদ, যে ঘোড়ার লাগাম ধরে আল্লাহর পথে (জিহাদের জন্য) প্রস্তুত রয়েছে, যার চুল বিক্ষিপ্ত, দু' পা ধূলি-মিশ্রিত। তাকে পাহারার কাজে নিয়োজিত করা হলে সে পাহারারত থাকে। আর তাকে সৈন্যদলের পশ্চাতে নিয়োজিত করলে পশ্চাতে থাকে, কারো সাক্ষাতের অনুমতি চাইলে তাকে অনুমতি দেয়া হয় না। কারো জন্য সুপারিশ করলে তা ক্ববূল করা হয় না।
সহীহঃ বুখারী ৬৪৮৭, ইবনু মাজাহ ৪১৩৫, সহীহুল জামি ২৯৬২, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ১২২৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩২১৮, শু’আবুল ঈমান ১৩৩, আল মু'জামুস সগীর লিত্ব তবারানী ৪২২, আল মুজামুল আওসাত্ব ২৫৯৫, আস সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৮৯৬৮।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৬২-[৮]
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ مِمَّا أَخَافُ عَلَيْكُمْ مِنْ بَعْدِي مَا يُفْتَحُ عَلَيْكُمْ مِنْ زَهْرَةِ الدُّنْيَا وَزِينَتِهَا» . فَقَالَ رجلٌ: يَا رَسُول الله أوَ يَأْتِي الْخَيْرُ بِالشَّرِّ؟ فَسَكَتَ حَتَّى ظَنَنَّا أَنَّهُ يُنَزَّلُ عَلَيْهِ قَالَ: فَمَسَحَ عَنْهُ الرُّحَضَاءَ وَقَالَ: «أَيْنَ السَّائِلُ؟» . وَكَأَنَّهُ حَمِدَهُ فَقَالَ: «إِنَّهُ لَا يَأْتِي الْخَيْرُ بِالشَّرِّ وَإِنَّ مِمَّا يُنْبِتُ الرَّبِيعُ مَا يَقْتُلُ حَبَطًا أَوْ يُلِمُّ إِلَّا آكِلَةَ الْخَضِرِ أكلت حَتَّى امتدت خاصرتاها اسْتقْبلت الشَّمْسِ فَثَلَطَتْ وَبَالَتْ ثُمَّ عَادَتْ فَأَكَلَتْ. وَإِنَّ هَذَا الْمَالَ خَضِرَةٌ حُلْوَةٌ فَمَنْ أَخَذَهُ بِحَقِّهِ وَوَضَعَهُ فِي حَقِّهِ فَنِعْمَ الْمَعُونَةُ هُوَ وَمَنْ أَخَذَهُ بِغَيْرِ حَقِّهِ كَانَ كَالَّذِي يَأْكُلُ وَلَا يَشْبَعُ وَيَكُونُ شَهِيدًا عَلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (1465) و مسلم (123 / 1052)، (2423) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
বর্ণনাকারী আবূ সা'ঈদ আল খুদ্রী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমি আমার পর তোমাদের জন্য সবচাইতে বেশি যে ব্যাপারে ভয় করি তা হলো দুনিয়ার চাকচিক্য ও তার সৌন্দর্য, যা তোমাদের ওপর উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। তখন এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! কল্যাণ কি মন্দ নিয়ে আসতে পারে?তখন তিনি (ﷺ) কিছুক্ষণ চুপ থাকলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা ধারণা করলাম, তাঁর ওপর ওহী নাযিল হচ্ছে।অতঃপর তিনি (ﷺ) ঘাম মুছে বললেন : সে প্রশ্নকারী কোথায়? বর্ণনাকারী বলেন : যেন তিনি (ﷺ) প্রশ্নকারীর কথাটি প্রশংসার যোগ্য মনে করেছেন।তখন তিনি (ﷺ) বললেন : কল্যাণ কখনো মন্দ আনে না। (এটার উদাহরণ,) নালার পার্শ্বের উর্বরতা উৎপাদন করে তা মূলত (ভক্ষণকারীকে) ধ্বংস করে না বা ধ্বংসের নিকটবর্তী নিয়ে যায় না; কিন্তু তৃণভোজী জানোয়ার যখন অতিমাত্রায় খায়, অবশেষে যখন কোমরের উভয় পার্শ্ব ফুলে উঠে তখন সূর্যের সামনে রৌদ্রে গিয়ে বসে এবং মলমূত্র ত্যাগ করে। পরে আবার তৃণভূমির দিকে ফিরে গিয়ে তাথেকে ভক্ষণ করে।বস্তুত দুনিয়ার মাল- সম্পদ শ্যামল-সবুজ সুস্বাদু বটে। যে তা বৈধভাবে উপার্জন করে এবং বৈধ পথে ব্যয় করে তখন তা তার পক্ষে উত্তম সাহায্যকারী।কিন্তু যে তা অবৈধ পথে উপার্জন করে তখন তার উদাহরণ ঐ জন্তুর ন্যায়, যে খায় কিন্তু পরিতৃপ্ত হয় না এবং দুনিয়াবী মাল-সম্পদ কেয়ামতের দিন তার বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হবে।
সহীহঃ বুখারী ১৪৬৫, মুসলিম ১২৩-(১০৫২), মুসনাদে আহমাদ ১১১৭৩, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৩২৫৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩২২৭, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৫৯২০।
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৬৩-[৯]
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: «فَوَاللَّهِ لَا الْفَقْرُ أَخْشَى عَلَيْكُمْ وَلَكِنْ أَخْشَى عَلَيْكُمْ أَنْ تُبْسَطَ عَلَيْكُمُ الدُّنْيَا كَمَا بُسِطَتْ عَلَى مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ فَتَنَافَسُوهَا كَمَا تَنَافَسُوهَا وتهلككم كَمَا أهلكتهم» . مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (4015) و مسلم (6 / 2961)، (7425) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
বর্ণনাকারী ‘আম্র ইবনু ‘আওফ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আল্লাহর শপথ! আমি তোমাদের সম্পর্কে দরিদ্রতার ভয় করি না; কিন্তু আমি ভয় করি যে, তোমাদের ওপর দুনিয়াকে প্রশস্ত করে দেয়া হবে যেমনি প্রশস্ত করে দেয়া হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর। আর তোমরা তা লাভ করার জন্য ঐরূপ প্রতিযোগিতা করবে যেরূপ তারা এ ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করেছিল। ফলে এটা তোমাদেরকে ধ্বংস করবে যেরূপ তাদেরকে ধ্বংস করেছিল।
সহীহঃ বুখারী ৩১৫৮, মুসলিম ৬-(২৯৬১), তিরমিযী ২৪৬২, ইবনু মাজাহ ৩৯৯৭, মুসনাদে আহমাদ ১৭২৭৩, সহীহুল ১০৩৬, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৩২৫৫, শুআবুল ঈমান ১০২৯১, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব ত্বাবারানী ১৩৫১৬
মিশকাতুল মাসাবিহ
হাদিস নং ৫১৬৪-[১০]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «اللَّهُمَّ اجْعَلْ رِزْقَ آلِ مُحَمَّدٍ قُوتًا» وَفِي رِوَايَةٍ «كفافا» . مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (6460) و مسلم (18 / 1055)، (2427) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ (ﷺ) এর পরিবার-পরিজনকে জীবিকা নির্বাহ পরিমাণ রিক্ত দান করো। অপর এক বর্ণনায় আছে, প্রয়োজন পরিমাণ।
সহীহ: বুখারী ৬৪৬০, মুসলিম ১২৬-(১০৫৫), তিরমিযী ২০৬১, ইবনু মাজাহ ৪১৩৬, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ ১২৯, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৩২২৯, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ৩৪৩৭৮, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৩৪৪, শুআবুল ঈমান ১৪৫৪, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাকী ২৯৭৬।