খাদ্য
২১/০. অধ্যায়ঃ
খাদ্য - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
(আরবি) দ্বারা উদ্দেশ্য (আরবি) অর্থাৎ পরস্পর দু’দলের মধ্যে সন্ধি স্থাপন। ইবনুল হুমাম বলেন : ইমাম যদি মনে করেন যে, শত্রুপক্ষের মালের বিনিময়ে অথবা মাল ব্যতিরেকেই সন্ধি করার মধ্যে কল্যাণ নিহিত আছে তাহলে তিনি সন্ধি করতে পারেন। কেননা আল্লাহ তা'আলা বলেন : “তারা যদি শান্তির (সন্ধির) দিকে ঝুঁকে পড়ে তাহলে তুমি সেদিকে ঝুঁকে পড়ো।” (সূরাহ্ আল আনফাল ৮ : ৬১) যদিও আয়াতে কল্যাণের কথা উল্লেখ নেই তথাপি ফাকীহগণ একমত যে, মুসলিমদের কল্যাণ আছে বলে ইমামের নিকট সাব্যস্ত হলে তবেই শুধুমাত্র সন্ধি করা বৈধ। আর যদি সন্ধির মধ্যে কোনো কল্যাণ পরিলক্ষিত না হয় তাহলে সন্ধি করা বৈধ নয়।
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَن أبي زيادٍ قَالَ: سُئلتْ عائشةُ عَنِ الْبَصَلِ فَقَالَتْ: إِنَّ آخِرَ طَعَامٍ أَكَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَعَامُ فِيهِ بصل. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
বর্ণনাকারী আয়িশাহ্ (রাঃ)
‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে পেঁয়াজ (খাওয়া) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বললেন : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সর্বশেষ খাবার যা খেয়েছেন, তন্মধ্যে পেঁয়াজ ছিল।
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৩৮২৯, ইরওয়া ২৫১৩, মুসনাদে আহমাদ ২৪৫৮৫, সুনানুন্ নাসায়ী আল কুবরা ৬৬৮০, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৫২৬৪। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ, এর সনদে আছে, ‘‘বাকিয়্যাহ্ ইবনু ওয়ালীদ’’ নামক একজন মুদাল্লিস বারী। যিনি ‘আন দ্বারা হাদীস বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া তিনি ভুলও করতেন। দেখুন- তাহক্বীক মুসনাদে আহমাদ ২৪৬২৯ : শু‘আয়ব আরনাউত্ব।