শিকার ও যবেহ প্রসঙ্গে
২০/২. অধ্যায়ঃ
যেসব প্রাণী খাওয়া হালাল ও হারাম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَنْهُ قَالَ: غَزَوْتُ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ خَيْبَرَ فَأَتَتِ الْيَهُودُ فَشَكَوْا أَنَّ النَّاسَ قَدْ أَسْرَعُوا إِلَى خَضَائِرِهِمْ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَلَا لَا يَحِلُّ أَمْوَالُ المعاهِدينَ إِلاَّ بحقِّها» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
বর্ণনাকারী উক্ত রাবী (খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ))
খায়বার যুদ্ধের দিন আমি নবী (ﷺ)-এর সাথে শারীক ছিলাম। (এ সময়) ইয়াহূদীরা এসে এ অভিযোগ করল যে, (যুদ্ধরত) লোকেরা তাদের ফলা-ফলাদির প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘোষণা করলেন : সাবধান! সন্ধি চুক্তিতে আবদ্ধ এমন লোকেদের মাল-সম্পদ ন্যায্য অধিকার ছাড়া হালাল নয়।
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৩৮০৬, আল মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৩৭৩৫, মুসনাদে আহমাদ ইবনু হাম্বাল ১৬৮৬২, সিলসিলাতুয্ য‘ঈফাহ্ ৩৯০২, য‘ঈফুল জামি‘ ২২৫৮। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ হলো, এর সনদে ‘‘ইয়াহ্ইয়া ইবনু মিকদার’’ নামে একজন য‘ঈফ বারী আছে। তার ব্যাপারে ইমাম বুখারী বলেন, ‘‘ফীহি নাযরুন’’। ‘‘তাকরীবের’’ মধ্যে ইবনু হিব্বান বলেন, লাইয়্যিনুন বা দুর্বল। বিস্তারিত সিলসিলাতুয্ য‘ঈফাহ্ ৮/৩৭৩, হাঃ ৩৯০২।