জিহাদ
১৯/১১. অধ্যায়ঃ
ফাই (বিনাযুদ্ধে প্রাপ্ত শত্রুদের সম্পদ) -এর বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ
وَعَن عمر قَالَ: كَانَتْ أَمْوَالُ بَنِي النَّضِيرِ مِمَّا أَفَاءَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ مِمَّا لَمْ يُوجِفِ الْمُسْلِمُونَ عَلَيْهِ بِخَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ فَكَانَتْ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَالِصَة يُنْفِقُ عَلَى أَهْلِهِ نَفَقَةَ سَنَتِهِمْ ثُمَّ يَجْعَلُ مَا بَقِيَ فِي السِّلَاحِ وَالْكُرَاعِ عُدَّةً فِي سَبِيل الله
বর্ণনাকারী উমর (রাঃ)
বানী নাযীর-এর সম্পদসমূহ সে সমস্ত সম্পদের মধ্যে গণ্য, যা আল্লাহ তা'আলা তাঁর রাসূলকে 'ফাই' হিসেবে দান করেছেন, তা অর্জন করতে মুসলিমেরা ঘোড়াও দৌড়ায়নি এবং সেনাবাহিনীও পরিচালনা করতে হয়নি। সুতরাং তা ছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য খাসভাবে নির্ধারিত। তিনি (ﷺ) এ সম্পদ হতে তাঁর পরিবার-পরিজনের জন্য এক বৎসরের খোরপোষে ব্যয় করতেন, অবশিষ্ট যা থাকত তা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধাস্ত্র ও সওয়ারী প্রভৃতি ক্রয় করার কাজে ব্যয় করতেন।
[১] সহীহ : বুখারী ২৯০৪, মুসলিম ১৭৫৭, আবূ দাঊদ ২৯৬৫, নাসায়ী ৪১৪০, তিরমিযী ১৭১৯, আহমাদ ১৭১।