বিবাহ

১৩/১৬. অধ্যায়ঃ

জরায়ু মুক্তকরণ বা পবিত্রকরণ - প্রথম অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ

عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ قَالَ: مَرَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِامْرَأَةٍ مُجِحٍّ فَسَأَلَ عَنْهَا فَقَالُوا: أَمَةٌ لِفُلَانٍ قَالَ: «أَيُلِمُّ بِهَا؟» قَالُوا: نَعَمْ. قَالَ: «لَقَدْ هَمَمْتُ أَنْ أَلْعَنَهُ لَعْنًا يَدْخُلُ مَعَهُ فِي قَبْرِهِ كَيْفَ يَسْتَخْدِمُهُ وَهُوَ لَا يَحِلُّ لَهُ؟ أَمْ كَيْفَ يُوَرِّثُهُ وَهُوَ لَا يحلُّ لَهُ؟» . رَوَاهُ مُسلم

বর্ণনাকারী আবুদ্ দারদা (রাঃ)

একদিন নবী (ﷺ) আসন্ন প্রসবা জনৈকা রমণীর নিকট দিয়ে গমনকালে তার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেন, সে কে? উপস্থিত লোকজন বলল, অমুকের দাসী। উক্ত ব্যক্তি কী (এ অবস্থায়) তার সাথে সহবাস করে থাকে? তারা বলল, হ্যাঁ। এতে (ক্রোধান্বিত হয়ে) তিনি (ﷺ) বললেন, আমার তাকে এমনভাবে অভিশাপ দিতে ইচ্ছা করছে যে, এ অভিসম্পাত যেন তার সাথে ক্ববর পর্যন্ত পৌঁছে, যাতে ইহকাল-পরকাল বরবাদ হয়।কিরূপে সে তার থেকে বাঁদির ন্যায় খিদমাত গ্রহণ করছে, অথচ তার জন্য তা নাজায়িয। প্রকৃতপক্ষে সে কিরূপে অপরের সন্তানকে নিজের ওয়ারিস করবে, অথচ তার জন্য তা নাজায়িয।

[১] সহীহ : মুসলিম ১৪৪১, আহমাদ ২১৭০৩, শারহুস্ সুন্নাহ্ ২৩৯৫।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18