হজ্জ

১১/১০. অধ্যায়ঃ

কুরবানির দিনের ভাষণ, আইয়ামে তাশরিকে পাথর মারা ও বিদায়ী তাওয়াফ করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহ

وَعَنْهَا قَالَتْ : أَفَاضَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ مِنْ اٰخِرِ يَوْمِه حِيْنَ صَلَّى الظُّهْرَ ثُمَّ رَجَعَ إِلٰى مِنًى فَمَكَثَ بِهَا لَيَالِىَ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ يَرْمِى الْجَمْرَةَ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ كُلَّ جَمْرَةٍ بِسَبْعِ حَصَيَاتٍ يُكَبِّرُ مَعَ كُلِّ حَصَاةٍ وَيَقِفُ عِنْدَ الْأُوْلٰى وَالثَّانِيَةِ فَيُطِيلُ الْقِيَامَ وَيَتَضَرَّعُ وَيَرْمِى الثَّالِثَةَ فَلَا يَقِفُ عِنْدَهَا. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

বর্ণনাকারী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত আদায়ে পর দিনের শেষ বেলায় তাওয়াফে ইফাযাহ্ সম্পন্ন করেন। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আবার মিনায় ফিরে এলেন এবং সেখানেই আইয়্যামে তাশরীক্বের দিনগুলো অবস্থান করলেন। এ দিনগুলোতে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সূর্যাস্তের পর জামারায় সাতটি করে পাথর মারতেন। প্রত্যেক পাথর মারার সাথে সাথে ‘আল্লা-হু আকবার’ বলতেন।আর প্রথম ও দ্বিতীয় জামারার নিকট দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতেন ও আল্লাহর কাছে (অনুনয়-বিনয় করে) প্রার্থনা করতেন। কিন্তু তৃতীয় জামারায় (পূর্বের ন্যায় পাথর মারার পর) অপেক্ষা করতেন না। (আবূ দাঊদ)[১]

[১] সহীহ : তবে (حين صلى الظهر) অংশটুকু ব্যতীত। আবূ দাঊদ ১৯৭৩, আহমাদ ২৪৯২, ইরওয়া ১০৮২।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18