হজ্জ

১৫/৩৯. অধ্যায়ঃ

উমরার ও তাওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম তাওয়াফে রমল করা মুস্তাহাব।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَدِمَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابُهُ، فَقَالَ الْمُشْرِكُونَ إِنَّهُ يَقْدَمُ عَلَيْكُمْ وَقَدْ وَهَنَهُمْ حُمَّى يَثْرِبَ، فَأَمَرَهُمُ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنْ يَرْمُلُوا الأَشْوَاطَ الثَّلاَثَةَ، وَأَنْ يَمْشُوا مَا بَيْنَ الرُّكْنَيْنِ، وَلَمْ يَمْنَعْهُ أَنْ يَأْمُرَهُمْ أَنْ يَرْمُلُوا الأَشْوَاطَ كُلَّهَا إِلاَّ الإِبْقَاءُ عَلَيْهِمْ

বর্ণনাকারী ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) সাহাবাগণকে নিয়ে মাক্কাহ্ আগমন করলে মুশরিকরা মন্তব্য করল, এমন একদল লোক আসছে যাদেরকে ইয়াস্‌রিব (মাদীনাহ্)’র জ্বর দুর্বল করে দিয়েছে (এ কথা শুনে) নবী (ﷺ) সাহাবাগণকে তাওয়াফের প্রথম তিন চক্করে ‘রামল’ করতে (উভয় কাঁধ হেলে দুলে জোর কদমে চলতে) এবং উভয় রুকনের মধ্যবর্তী স্থানটুকু স্বাভাবিক গতিতে চলতে নির্দেশ দিলেন, সাহাবীদের প্রতি দয়াবশত সব ক’টি চক্করে রামল করতে আদেশ করেননি।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ২৫ হাজ্জ্ব, অধ্যায় ৫৫, হাঃ ১৬০২; মুসলিম, পর্ব ১৫: হাজ্জ, অধ্যায় ৩৯, হাঃ ১২৬৬

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18