ঈমান

১/৭২. অধ্যায়ঃ

আসমানের দিকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উর্ধ্বাগমন এবং সালাত ফরজ হওয়া সম্পর্কে।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

حديث ابنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: رَأَيْتُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي؛ مُوسَى، رَجُلاً آدَمَ طُوَالاً جَعْدًا كَأَنَّهُ مِنْ رِجَالِ شَنُوءَةَ؛ وَرَأَيْتُ عَيسَى رَجُلاً مَرْبُوعًا، [ص: 39] مَرْبُوعَ الْخَلْقِ إِلَى الْحُمْرَةِ وَالْبَيَاضِ، سَبِطَ الرَّأْسِ، وَرَأَيْتُ مَالِكًا خَازِنَ النَّارِ، وَالدَّجَّالَ فِي آيَاتٍ أَرَاهُنَّ اللهُ إِيَّاهُ، فَلاَ تَكُنْ فِي مِرْيَةٍ مِنْ لِقَائِهِ

বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)

নবী (ﷺ) বলেন, মি‘রাজের রাত্রে আমি মূসা (‘আ.)-কে দেখেছি। তিনি গোধুম বর্ণের পুরুষ ছিলেন, দেহের গঠন ছিল লম্বা। মাথার চুল ছিল কোঁকড়ানো। যেন তিনি শানূআ গোত্রের এক ব্যক্তি । আমি ‘ঈসা (‘আ.)-কে দেখতে পাই। তিনি ছিলেন মধ্যম গঠনের লোক। তাঁর দেহবর্ণ ছিল সাদা লালে মিশ্রিত। মাথার চুল ছিল অকুঞ্চিত। জাহান্নামের তত্ত্বাবধায়ক মালিক এবং দজ্জালকেও আমি দেখেছি। আল্লাহ তা‘আলা নবী(ﷺ)-কে বিশেষ করে যে সকল নিদর্শনসমূহ দেখিয়েছেন তার মধ্যে এগুলোও ছিল। সুতরাং তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে তুমি সন্দেহ পোষণ করবে না।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫৯: সৃষ্টির সূচনা, অধ্যায় ৭, হাঃ ৩২৩৯; মুসলিম, পর্ব ১: ঈমান, অধ্যায় ৭৪, হাঃ ১৬৫

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18