পানি সিঞ্চন
২২/৫. অধ্যায়ঃ
ক্রেতা যদি দেউলিয়া হয়ে যায় এমতাবস্থায় বিক্রেতা তার মাল ক্রেতার নিকট অক্ষত অবস্থায় পেলে তা ফেরত নিতে পারবে।
আল লু'লু ওয়াল মারজান
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ (أَوْ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ) : مَنْ أَدْرَكَ مَالَهُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ رَجُلٍ أَوْ إِنْسَانٍ قَدْ أَفْلَسَ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ مِنْ غَيْرِهِ
বর্ণনাকারী আবু হুরাইরাহ (রাঃ)
আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কিংবা তিনি বলেছেন যে, আমি আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যখন কেউ তার মাল এমন লোকের কাছে পায়, যে নিঃসম্বল হয়ে গেছে, তবে অন্যের চেয়ে সে-ই তার বেশি হকদার। {আবু ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেন, এ সনদে উল্লেখিত রাবীগণ বিচারকের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তারা হলেন ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ, আবু বকর ইবনু মুহাম্মাদ, ‘উমার ইবনু আবদুল আযীয, আবু বকর ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহ.) ও আবু বকর (রহ.) তারা সকলেই মদিনায় বিচারক ছিলেন।}
সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ৪৩; ঋণ গ্রহণ, ঋণ পরিশোধ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও দেউলিয়া ঘোষণা, অধ্যায় ১৪, হাঃ ২৪০২; মুসলিম, পর্ব ২২ : পানি সিঞ্চন, অধ্যায় ৫, হাঃ ১৫৫৯