সালাত

৪/১. অধ্যায়ঃ

আজানের সূচনা।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২১৩

حديث ابْنِ عُمَرَ كَانَ يَقُولُ: كَانَ الْمُسْلِمُونَ حِينَ قَدِمُوا الْمَدِينَةَ يَجْتَمِعُونَ فَيَتَحيَّنُونَ الصَّلاَةَ، لَيْسَ يُنَادَى لَهَا؛ فَتَكَلَّمُوا يَوْمًا فِي ذَلِكَ، فَقَالَ بَعْضُهُمْ اتَّخِذُوا نَاقُوسًا مِثْلَ نَاقُوسِ النَّصَارَى، وَقَالَ بَعْضُهُمْ: بَلْ بُوقًا مِثْلَ بُوقِ الْيَهُودِ؛ فَقَالَ عُمَرُ رضي الله عنه: أَوَلاً تَبْعَثُونَ رَجُلاً يُنَادِي بِالصَّلاَةِ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَا بِلاَلُ قُمْ فَنَادِ بِالصَّلاَةِ

বর্ণনাকারী নাফি‘ (রহ.)

তিনি বলেন, ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) বলতেন যে, মুসলিমগণ যখন মাদীনায় আগমন করেন, তখন তাঁরা সলাতের সময় অনুমান করে সমবেত হতেন। এর জন্য কোন ঘোষণা দেয়া হতো না। একদা তাঁরা এ বিষয়ে আলোচনা করলেন। কয়েকজন সাহাবী বললেন, নাসারাদের ন্যায় নাকূস বাজানোর ব্যবস্থা করা হোক। আর কয়েকজন বললেন, ইয়াহূদীদের শিঙ্গার ন্যায় শিঙ্গা ফোঁকানোর ব্যবস্থা করা হোক। ‘উমার (রাঃ) বললেন, সালাতের ঘোষণা দেয়ার জন্য তোমরা কি একজন লোক পাঠাতে পার না? তখন আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বললেনঃ হে বিলাল, উঠ এবং সালাতের জন্য ঘোষণা দাও।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ১, হাঃ ৬০৪; মুসলিম, পর্ব ৪; সালাত, অধ্যায় ১, হাঃ ৩৭৭

৪/২. অধ্যায়ঃ

আজানের শব্দগুলো দুইবার এবং ইকামাতের শব্দগুলো একবার উচ্চারণ করার নির্দেশ।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২১৪

حديث أَنَسٍ، قَالَ: ذَكَرُوا النَّارَ وَالنَّاقُوسَ، فَذَكَرُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى، فَأُمِرَ بِلاَلٌ أَنْ يَشْفَعَ الأَذَانَ وَأَنْ يُوتِرَ الإِقَامَةَ

বর্ণনাকারী আনাস (রাঃ)

তিনি বলেন, (জামা‘আতে সলাত আদায়ের জন্য) সাহাবা-ই কিরাম (রাঃ) আগুন জ্বালানো অথবা নাকূস বাজানোর কথা আলোচনা করেন। আবার এগুলোকে (যথাক্রমে) ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রথা বলে উল্লেখ করা হয়। অতঃপর বিলাল (রাঃ)-কে আযানের বাক্য দুইবার ক’রে ও ইকামাতের বাক্য বেজোড় ক’রে বলার নির্দেশ দেয়া হয়।*

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ১, হাঃ ৬০৩; মুসলিম, পর্ব ৪: সালাত, অধ্যায় ২, হাঃ ৩৭৮

৪/৭. অধ্যায়ঃ

মুয়াযযিনের অনুরূপ শব্দ বলা যে তা শ্রবণ করে, অতঃপর নবী (ﷺ)-এর উপর দরূদ পাঠ করা এরপর তার নিকট ওয়াসিলা চাওয়া।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২১৫

حديث أَبِي سَعِيدٍ الْخدْرِيِّ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِذَا سَمِعْتُمُ النِّدَاءَ فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ

বর্ণনাকারী আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ)

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমরা আযান শুনতে পাও তখন মুয়ায্‌যিন যা বলে তোমরাও তার অনুরূপ বলবে।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০; আযান, অধ্যায় ৭, হাঃ ৬১১; মুসলিম, পৰ্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ৭, হাঃ ৩৮৩

৪/৮. অধ্যায়ঃ

আজানের ফাযায়েল এবং তা শুনে শয়তানের পলায়ন।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২১৬

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِذَا نُودِيَ لِلصَّلاَةِ أَدْبَرَ الشَّيْطَان وَلَهُ ضُرَاطٌ حَتَّى لاَ يَسْمَعَ التَّأْذِينَ، فَإِذَا قُضِيَ النِّدَاءُ أَقْبَلَ، حَتَّى إِذَا ثُوِّبَ بِالصَّلاَةِ أَدْبَرَ، حَتَّى إِذَا قُضِيَ التَّثْوِيبُ أَقْبَلَ، حَتَّى يَخْطُرَ بَيْنَ الْمَرْءِ وَنَفْسِهِ، يَقُولُ اذْكُرْ كَذَا، اذْكُرْ كَذَا، لِمَا لَمْ يَكُنْ يَذْكُرُ؛ حَتَّى يَظَلَّ الرَّجُلُ لاَ يَدْرِي كَمْ صَلَّى

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যখন সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়, তখন শয়তান হাওয়া ছেড়ে পলায়ন করে, যাতে সে আযানের শব্দ না শোনে। যখন আযান শেষ হয়ে যায়, তখন সে আবার ফিরে আসে। আবার যখন সালাতের জন্য ইক্বামাত বলা হয়, তখন আবার দূরে সরে যায়। ইক্বামাত শেষ হলে সে পুনরায় ফিরে এসে লোকের মনে কুমন্ত্রণা দেয় এবং বলে এটা স্মরণ কর, ওটা স্মরণ কর, বিস্মৃত বিষয়গুলো সে স্মরণ করিয়ে দেয়। এভাবে লোকটি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, সে কয় রাক‘আত সলাত আদায় করেছে তা মনে করতে পারে না।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০; আযান, অধ্যায় ৪, হাঃ ৬০৮; মুসলিম, পর্ব ৪: সালাত, অধ্যায় ৮, হাঃ ৩৮৯

৪/৯. অধ্যায়ঃ

তাকবীরে তাহরিমা বলার সময়, রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে মাথা উত্তোলনের সময় দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠানো মুস্তাহাব এবং সিজদা থেকে উঠার সময় হাত উঠাতে হবে না।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২১৭

حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ فِي الصَّلاَةِ رَفَعَ يدَيْهِ حَتَّى تَكُونَا حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ، وَكَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ حِينَ يُكبِّرُ لِلرُّكُوعِ، وَيَفْعَلُ ذَلِكَ إِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ، وَيَقُولُ: سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ، وَلاَ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي السُّجُودِ

বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ্ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ)

আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে দেখেছি, তিনি যখন সালাতের জন্য দাঁড়াতেন তখন উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন। এবং যখন তিনি রুকূ’র জন্য তাক্‌বীর বলতেন তখনও এরূপ করতেন। আবার যখন রুকূ’ হতে মাথা উঠাতেন তখনও এরূপ করতেন এবং سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলতেন। তবে সাজদাহ্‌র সময় এরূপ করতেন না।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০; আযান, অধ্যায় ৮৪, হাঃ ৭৩৬

হাদিস নং
২১৭
অধ্যায়
সালাত
অধ্যায়
তাকবীরে তাহরিমা বলার সময়, রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে মাথা উত্তোলনের সময় দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠানো মুস্তাহাব এবং সিজদা থেকে উঠার সময় হাত উঠাতে হবে না।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২১৮

حديث مَالِكِ بْنِ الْحُوَيْرِثِ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، أَنَّهُ رَأَىَ مَالِكَ بْنَ الْحُوَيْرِثِ إِذَا صَلَّى كَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ، وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ رَفَعَ يَدَيْهِ، وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ رَفَعَ يَدَيْهِ، وَحَدَّثَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَنَعَ هكَذَا

বর্ণনাকারী আবূ কিলাবাহ (রাঃ)

তিনি মালিক ইব্‌নু হুওয়ায়রিস (রাঃ)-কে দেখেছেন, তিনি যখন সালাত আদায় করতেন তখন তাক্‌বীর বলতেন এবং তাঁর দুই হাত উঠাতেন। আর যখন রুকূ’ করার ইচ্ছে করতেন তখনও তাঁর উভয় হাত উঠাতেন, আবার যখন রুকূ‘ হতে মাথা উঠাতেন তখনও তাঁর উভয় হাত উঠাতেন এবং তিনি বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এরূপ করেছেন।*

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০; আযান, অধ্যায় ৮৪, হাঃ ৭৩৭; মুসলিম, পর্ব ৪ : সনাত, অধ্যায় ৯, হাঃ ৩৯১

হাদিস নং
২১৮
অধ্যায়
সালাত
অধ্যায়
তাকবীরে তাহরিমা বলার সময়, রুকুতে যাওয়ার সময় এবং রুকু থেকে মাথা উত্তোলনের সময় দুই হাত কাঁধ বরাবর উঠানো মুস্তাহাব এবং সিজদা থেকে উঠার সময় হাত উঠাতে হবে না।

৪/১০. অধ্যায়ঃ

সালাতের মধ্যে প্রত্যেক নিচু ও উঁচু হওয়ার সময় তাকবীর বলা শুধু রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময় ব্যতীত, কেননা তখন 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলবে।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২১৯

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ كَانَ يُصَلِّي بِهِمْ فَيُكَبِّرُ كلَّمَا خَفَضَ وَرَفَعَ، فَإِذَا انْصَرَفَ قَالَ: إِنِّي لأَشْبَهُكُمْ صَلاَةً بِرَسُولِ الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

বর্ণনাকারী আবূ সালামা ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)

তিনি তাদের সঙ্গে সালাত আদায় করতেন এবং প্রতিবার উঠা বসার সময় তাক্‌বীর বলতেন। সালাত শেষ করে তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে আমার সালাতই আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর সালাতের সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০; আযান, অধ্যায় ১১৫ হাঃ ৭৮৫; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ১০, হাঃ ৩৯২

হাদিস নং
২১৯
অধ্যায়
সালাত
অধ্যায়
সালাতের মধ্যে প্রত্যেক নিচু ও উঁচু হওয়ার সময় তাকবীর বলা শুধু রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময় ব্যতীত, কেননা তখন 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলবে।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২২০

حديث أَبي هُرَيْرَةَ، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا قَامَ إِلَى الصَّلاَةِ يُكَبِّرُ حِينَ يَقُومُ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْكَعُ، ثُمَّ يَقُولُ: سَمِعَ الله لِمَنْ حَمِدَهُ حِينَ يَرْفَعُ صُلْبَهُ مِنَ الرُّكُوعِ، ثُمَّ يَقُولُ وَهُوَ قَائِمٌ: رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَهْوِي، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَسْجُدُ، ثُمَّ يُكَبِّرُ حِينَ يَرْفَعُ رَأْسَهُ؛ ثُمَّ يَفْعَلُ ذَلِكَ فِي الصَّلاَةِ كُلِّهَا حَتَّى يَقْضِيَهَا؛ وَيُكَبِّرُ حِينَ يَقُومُ مِنَ الثِّنْتَيْنِ بَعْدَ الْجُلُوسِ

বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) সালাত আরম্ভ করার সময় দাঁড়িয়ে তাক্‌বীর বলতেন। অতঃপর রুকূ’তে যাওয়ার সময় তাক্‌বীর বলতেন, আবার যখন রুকূ’ হতে পিঠ সোজা করে উঠতেন তখনঃ سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বলতেন, অতঃপর দাঁড়িয়ে رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ বলতেন। অতঃপর সিজদা্য় যাওয়ার সময় তাক্‌বীর বলতেন। এবং যখন মাথা উঠাতেন তখনও তাক্‌বীর বলতেন। আবার (দ্বিতীয়) সাজদাহ্‌য় যেতে তাক্‌বীর বলতেন এবং পুনরায় মাথা উঠাতেন তখনও তাক্‌বীর বলতেন। এভাবেই তিনি পুরো সালাত শেষ করতেন। আর দ্বিতীয় রাক‘আতের বৈঠক শেষে যখন (তৃতীয় রাক‘আতের জন্য) দাঁড়াতেন তখনও তাক্‌বীর বলতেন।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ১১৭, হাঃ ৭৮৯; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ১০, হাঃ ৩৯২

হাদিস নং
২২০
অধ্যায়
সালাত
অধ্যায়
সালাতের মধ্যে প্রত্যেক নিচু ও উঁচু হওয়ার সময় তাকবীর বলা শুধু রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময় ব্যতীত, কেননা তখন 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলবে।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২২১

حديث عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنِ عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللهِ، قَالَ: صَلَّيْتُ خَلْفَ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، أَنَا وَعِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ، فَكَانَ إِذَا سَجَدَ كَبَّرَ، وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ كَبَّرَ، وَإِذَا نَهَضَ مِنَ الرَكْعَتَيْنِ كَبَّرَ؛ فَلَمَّا قَضَى الصَّلاَةَ أَخَذَ بِيَدِي عِمْرَانُ بْنُ حُصَيْنٍ فَقَالَ: لَقَدْ ذَكَّرَنِي هذَا صَلاَةَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَوْ قَالَ: لَقَدْ صَلَّى بِنَا صَلاَةَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

বর্ণনাকারী মুতার্‌রিফ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ)

আমি এবং ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) ‘আলী ইব্‌নু তালিব (রাঃ)-এর পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন সাজদাহ্‌য় গেলেন তখন তাকবির বললেন, সাজদাহ্ হতে যখন মাথা উঠালেন তখনও তাকবির বললেন, আবার দুই রাকআতের পর যখন দাঁড়ালেন তখনও তাকবির বললেন। তিনি যখন সালাত শেষ করলেন তখন ইমরান ইব্‌নু হুসাইন (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, ইনি (আলী রা.) আমাকে মুহাম্মদ (ﷺ)-এর সালাত স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বা তিনি বলেছিলেন, আমাদের নিয়ে মুহাম্মদ (ﷺ)-এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করেছেন।

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০; আযান, অধ্যায় ১১৬, হাঃ ৭৮৬; মুসলিম, পর্ব ৪, সালাত, অধ্যায় ১০, হাঃ ৩৯৩

হাদিস নং
২২১
অধ্যায়
সালাত
অধ্যায়
সালাতের মধ্যে প্রত্যেক নিচু ও উঁচু হওয়ার সময় তাকবীর বলা শুধু রুকু থেকে মাথা উঠানোর সময় ব্যতীত, কেননা তখন 'সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ' বলবে।

৪/১১. অধ্যায়ঃ

প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব এবং যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা সুন্দর করে পড়তে পারে না ও সেটা শেখাও সম্ভব না হলে অন্য যা সহজ তা পড়া।

আল লু'লু ওয়াল মারজান

হাদিস নং ২২২

حديث عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لاَ صَلاَة لِمَنْ لَمْ يَقْرَأْ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ

বর্ণনাকারী ‘উবাদাহ ইব্‌নু সামিত (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সালাতে সূরা আল-ফাতিহা পড়ল না তার সালাত হলো না।*

সহীহুল বুখারী, পৰ্ব ১০: আযান, অধ্যায় ৯৫, হাঃ ৭৫৬; মুসলিম পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ১১, হাঃ ৩৯৪

হাদিস নং
২২২
অধ্যায়
সালাত
অধ্যায়
প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা ওয়াজিব এবং যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা সুন্দর করে পড়তে পারে না ও সেটা শেখাও সম্ভব না হলে অন্য যা সহজ তা পড়া।
সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18