আন্তরিক কর্মাবলী অধ্যায়
৪/২১. অধ্যায়ঃ
আল্লাহর দয়ার আশা রাখার গুরুত্ব
হাদিস সম্ভার
وَعَنْ أَبيْ مُوسَى الأَشعَرِي قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِذَا كَانَ يَوْمُ القِيَامَةِ دَفَعَ اللهُ إِلَى كُلِّ مُسْلِم يَهُودِياً أَوْ نَصْرَانِياً فَيَقُولُ : هَذَا فِكَاكُكَ مِنَ النَّارِ وَفِي رِوَايَةٍ عَنهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ يَجِيءُ يَوْمَ القِيَامَةِ نَاسٌ مِنَ المُسْلِمينَ بِذُنُوبٍ أَمْثَال الجِبَالِ يَغْفِرُهَا الله لَهُمْ رواه مسلم
বর্ণনাকারী আবূ মূসা আশআরী (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামতের দিন আল্লাহ প্রত্যেক মুসলমানকে একজন ইয়াহুদী অথবা খ্রিষ্টানকে দিয়ে বলবেন, “এই তোমার জাহান্নাম থেকে বাচার মুক্তিপণ।”উক্ত সাহাবী (রাঃ) থেকেই অন্য এক বর্ণনায় আছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “কিয়ামতের দিন কিছু সংখ্যক মুসলমান পাহাড় সম পাপ নিয়ে উপস্থিত হবে, আল্লাহ তা (সবই) তাদের জন্য ক্ষমা করে দেবেন।” (মুসলিম ৭১৮৭, ৭১৯০নং)* “কিয়ামতের দিন আল্লাহ প্রত্যেক মুসলমানকে একজন ইয়াহুদী অথবা খ্রিষ্টানকে দিয়ে বলবেন, ‘এই তোমার জাহান্নাম থেকে বাঁচার মুক্তিপণ।” এ কথার অর্থ আবূ হুরাইরার হাদীসে বর্ণিত, হয়েছে প্রতেকের জন্য বেহেশ্তে একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে এবং দোযখেও আছে। সুতরাং মু’মিন যখন বেহেশ্তে প্রবেশ করবে, তখন দোযখে তার স্থলাভিষিক্ত হবে কফের। যেহেতু সে তার কুফরীর কারণে তার উপযুক্ত। আর ‘মুক্তিপণ’ অর্থ এই যে, তুমি দোযখের সম্মুখীন ছিলে; কিন্তু এটি হল তোমার মুক্তির বিনিময়। যেহেতু মহান আল্লাহ দোযখ ভরতি করার জন্য একটি সংখ্যা নির্ধারিত রেখেছেন। সুতরাং তারা যখন তাদের কুফরী ও পাপের কারণে সেখানে প্রবেশ করবে, তখন তারা হবে মু’মিনদের ‘মুক্তিপণ।’ আর আল্লাহই অধিক জানেন।