আন্তরিক কর্মাবলী অধ্যায়
৪/১৭. অধ্যায়ঃ
মুজাহাদাহ বা দ্বীনের জন্য এবং আত্মা, শয়তান ও দ্বীনের শত্রদের বিরুদ্ধে নিরলস চেষ্টা, টানা পরিশ্রম ও আজীবন সংগ্রাম করার গুরুত্ব
হাদিস সম্ভার
عَنْ أَبيْ مَسعُودٍ عُقبَةَ بنِ عَمرٍو الأنصَارِي البَدرِي قَالَ : لَمَّا نَزَلَتْ آيةُ الصَّدَقَةِ كُنَّا نُحَامِلُ عَلَى ظُهُورِنَا فَجَاءَ رَجُلٌ فَتَصَدَّقَ بِشَيءٍ كَثيرٍ فَقَالُوْا : مُرَاءٍ وَجَاءَ رَجُلٌ آخَرُ فَتَصَدَّقَ بِصَاعٍ فقَالُوْا : إنَّ اللهَ لَغَنيٌّ عَن صَاعِ هَذَا فَنَزَلَتْ : الَّذِينَ يَلْمِزُونَ الْمُطَّوِّعِينَ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ فِي الصَّدَقَاتِ وَالَّذِينَ لا يَجِدُونَ إِلاَّ جُهْدَهُمْ : مُتَّفَقٌ عَلَيهِ هذا لفظ البخاري
বর্ণনাকারী আবূ মাসউদ উক্ববাহ ইবনে আম্র আনসারী বাদরী (রাঃ)
যখন সাদকার আয়াত অবতীর্ণ হল, তখন (সাদকা করার জন্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে) আমরা নিজের পিঠে বোঝা বহন করতাম (অর্থাৎ মুটে-মজুরের কাজ করতাম)। অতঃপর এক ব্যক্তি এল এবং প্রচুর জিনিস সাদকাহ করল। মুনাফিকরা বলল, ‘এই ব্যক্তি রিয়াকার (লোককে দেখানোর জন্য দান করছে।) আর এক ব্যক্তি এল এবং সে এক সা’ (আড়াই কিলো) জিনিস দান করল। তারা বলল, এ (ক্ষুদ্র) এক সা’ দানের আল্লাহ মুখাপেক্ষী নন। অতঃপর এই আয়াত অবতীর্ণ হলঃ “বিশ্বাসীদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যারা সাদকা দান করে এবং যারা নিজ পরিশ্রম ব্যতিরেকে কিছুই পায় না, তাদেরকে যারা দোষরোপ করে এবং উপহাস করে, আল্লাহ তাদেরকে উপহাস করেন এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।” (সূরা তাওবাহ ৭৯), (বুখারী ১৪১৫, মুসলিম ২৪০২নং)