আন্তরিক কর্মাবলী অধ্যায়
৪/১৩. অধ্যায়ঃ
কান্না করার হাদিসমূহ
হাদিস সম্ভার
وَ عَنْ اِبْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا قَالَ : لَمَّا اشْتَدَّ بِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم وَجَعُهُ قِيلَ لَهُ فِي الصَّلاَةِ فَقَالَ مُرُوا أَبَا بَكْرٍ فَلْيُصَلِّ بِالنَّاسِ فَقَالَت عَائِشَةُ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : إنَّ أَبَا بَكْرٍ رَجُلٌ رَقِيقٌ إِذَا قَرَأَ القُرْآنَ غَلَبَهُ البُكَاءُ فَقَالَ مُرُوهُ فَليُصَلِّ وَفِي رِوَايَةٍ عَن عَائِشَةٍَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا قَالَت : قُلتُ : إنَّ أَبَا بَكْرٍ إِذَا قَامَ مَقَامَكَ لَمْ يُسْمِعِ النَّاسَ مِنَ البُكَاءِ متفقٌ عَلَيْهِ
বর্ণনাকারী ইবনে উমার (রাঃ)
যখন (মরণ রোগে) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কষ্ট বেড়ে গেল, তখন তাকে (জামাআত সহকারে) নামায পড়ার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হল। তিনি বললেন, “তোমরা আবু বাক্রকে নামায পড়াতে বল।” আয়েশা (রাঃ) বললেন, ‘আবু বাক্র নরম মনের মানুষ, কুরআন পড়লেই তিনি কান্না সামলাতে পারেন না।’ কিন্তু পুনরায় তিনি বললেন, “তাকে নামায পড়াতে বল।”আয়েশা (রাঃ) থেকে অন্য এক বর্ণনায় আছে, তিনি বলেন, আমি বললাম, ‘আবু বাক্র যখন আপনার জায়গায় দাঁড়াবেন, তখন তিনি কান্নার কারণে লোকেদেরকে (কুরআন) শুনতে পারবেন না।’ (বুখারী ও মুসলিম)