হাজ্জ
৬/১. অধ্যায়ঃ
হজ্জে এর ফযীলত ও যাদের উপর হজ্জ ফরয তার বিবরণ - নাবালেগ ছেলে এবং দাসের কৃত হজ্ব “ফরজ হজ্ব” হবে না
বুলুগুল মারাম
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا صَبِيٍّ حَجَّ, ثُمَّ بَلَغَ الْحِنْثَ, فَعَلَيْهِ [أَنْ يَحُجَّ] حَجَّةً أُخْرَى, وَأَيُّمَا عَبْدٍ حَجَّ, ثُمَّ أُعْتِقَ, فَعَلَيْهِ [أَنْ يَحُجَّ] حَجَّةً أُخْرَى». رَوَاهُ ابْنُ أَبِي شَيْبَةَ, وَالْبَيْهَقِيُّ وَرِجَالُهُ ثِقَاتٌ, إِلَّا أَنَّهُ اخْتُلِفَ فِي رَفْعِهِ, وَالْمَحْفُوظُ أَنَّهُ مَوْقُوفٌ
বর্ণনাকারী ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন – কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে হজ্জ করল অতঃপর বয়োঃপ্রাপ্ত হলে (সামর্থবান থাকলে) অন্য আরো একটি হজ্জ তাকে করতে হবে। কোন দাস তার দাসত্বকালে হজ্জ করলে তাকে স্বাধীন হবার পর আবার একটি হজ্জ করতে হবে। ইবনু আবূ শাইবাহ, বায়হাকী, এর সবগুলো বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য, তবে তার মারফূ হওয়ার বিষয়ে মতভেদ রয়েছে এবং মাওকুফ হওয়াটাই নিরাপদ। [৭৬৪]
[৭৬৪] মারফূ হিসেবে হাদীসটি সহীহ। আত-তালখীসুল হাবীর ২/২২০, বাইহাকী ৪/৩২৫।