সিয়াম

৫/০. অধ্যায়ঃ

সাওম পালন করে রমযানকে গ্ৰহণ করা নিষেধ

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫০

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم: «لَا تَقَدَّمُوا رَمَضَانَ بِصَوْمِ يَوْمٍ وَلَا يَوْمَيْنِ, إِلَّا رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمًا, فَلْيَصُمْهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরা (রাঃ)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কেউ রমযানের একদিন কিংবা দুদিন আগে হতে সাওম শুরু করবে না। তবে কেউ যদি এ সময় সিয়াম পালনে অভ্যস্ত থাকে তাহলে সে সেদিন সাওম পালন করতে পারবে। [৬৯৬]

৬৯৬] বুখারী ১৯১৪৩, মুসলিম ১০৮২, ১১০৯, তিরমিয়ী ৬৮৪, ৬৮৫, নাসায়ী ২১৭২, ২১৭৩, আবু দাউদ ২৩২৫, ইবনু মাজাহ ১৬৫০, আহমাদ ৭১৫৯, ৭৭২২, ৮২৭০, দারেমী ১৬৮৯

৫/০. অধ্যায়ঃ

(চাঁদ উঠা-না উঠা) সন্দেহের দিনে রোযা রাখার বিধান

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫১

وَعَنْ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ - رضي الله عنه - قَالَ: مَنْ صَامَ الْيَوْمَ الَّذِي يُشَكُّ فِيهِ فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ - صلى الله عليه وسلم. وَذَكَرَهُ الْبُخَارِيُّ تَعْلِيقًا, وَوَصَلَهُ الْخَمْسَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ حِبَّانَ

বর্ণনাকারী আম্মার বিন ইয়াসির (রাঃ)

যে ব্যক্তি সন্দেহ-দিনে সাওম পালন করল সে অবশ্যই আবুল কাসিম (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বিরুদ্ধাচরণ করল। এ হাদীসকে বুখারী (রহঃ) মু'আল্লাক হিসেবে এবং পাঁচজনে (আহমাদ, আবু দাউদ, নাসায়ী, তিরমিয়ী, ইবনু মাজাহ) মাওসুলরূপে একে বর্ণনা করেছেন। আর ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন। [৬৯৭]

[৬৯৭] সিলাহ বিন যুফার বলেন, আমরা আম্মার (রাঃ) এর কাছে ছিলাম। তখন তাঁর কাছে ভুনা ছাগলের গোশত নিয়ে আসা হলো। তিনি সকলকে খেতে বললেন। তখন কতিপয় লোক সরে গিয়ে বলল, আমি রোযাদার। আম্মার (রাঃ) উপরোক্ত হাদীস উল্লেখ করলেন। ইমাম তিরমিয়ী বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ। আবু দাউদ ২৩৩৪, তিরমিয়ী ৬৮৬, নাসায়ী ২১৮৮ ইবনু মাজাহ ১৬৪৫ , দারেমী ১৬৮২

৫/০. অধ্যায়ঃ

রোযা রাখা এবং ভঙ্গ করা চাঁদ দেখার সাথে সম্পর্কিত

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫২

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا [قَالَ]: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - يَقُولُ: «إِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَصُومُوا, وَإِذَا رَأَيْتُمُوهُ فَأَفْطِرُوا, فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِوَلِمُسْلِمٍ: «فَإِنْ أُغْمِيَ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا [لَهُ] ثَلَاثِينَوَلِلْبُخَارِيِّ: فَأَكْمِلُوا الْعِدَّةَ ثَلَاثِينَ

বর্ণনাকারী ইবনু উমার (রাঃ)

আমি আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছি, যখন তোমরা তা (চাঁদ) দেখবে তখন সাওম রাখবে, আবার যখন তা দেখবে তখন সাওম ছাড়বে। আর যদি আকাশ মেঘলা থাকে তবে সময় হিসাব করে (ত্রিশ দিন) পূর্ণ করবে। মুসলিমের হাদীসে আছে ঃ যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে ত্রিশ দিন গণনা কর। বুখারীতে আছে ঃ ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে। [৬৯৮]

[৬৯৮] বুখারী ১৯০০, ১৯০৬, ১৯০৭, ১৯০৮ মুসলিম ১০৮০, নাসায়ী ২১২০, ২১২১, আবু দাউদ ২২১৯, ২৩২০, আহমাদ ৪৪৭৪, ৪৫৯৭, ৪৮০০, মুসলিম ৬২৩, ৬২৪, দারেমী ১৬৮৪

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫৩

وَلَهُ فِي حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه: فَأَكْمِلُوا عِدَّةَ شَعْبَانَ ثَلَاثِينَ

বর্ণনাকারী বুখারীতে আবু হুরাইরা (রাঃ)

এর হাদীসে আছে- "মেঘাচ্ছন্ন থাকলে শাবান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে। [৬৯৯]

৬৯৯] বুখারী ১৯০৯, মুসলিম ১০৮১, তিরমিয়ী ৬৮৪, নাসায়ী ২১১৭, ২১১৮, ২১১৯, ইবনু মাজাহ ১৬৫৫, আহমাদ ৭৪৬৪, ৭৫২৭, দারেমী ১৬৮৫

৫/০. অধ্যায়ঃ

সাওম আরম্ভ হওয়ার ব্যাপারে একজনের সাক্ষ্যদানই যথেষ্ট

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫৪

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا - قَالَ: تَرَاءَى النَّاسُ الْهِلَالَ, فَأَخْبَرْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - أَنِّي رَأَيْتُهُ, فَصَامَ, وَأَمَرَ النَّاسَ بِصِيَامِهِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ حِبَّانَ, وَالْحَاكِمُ

বর্ণনাকারী ইবনু 'উমার (রাঃ)

লোকেরা আমাকে হিলাল (নতুন চাঁদ) দেখলো। তাই আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সংবাদ দিলাম যে আমি চাঁদ দেখেছি। ফলে তিনি নিজে সাওম পালন করলেন এবং লোকেদেরকে সাওম পালনের আদেশ দিলেন। -ইবনু হিব্বান ও হাকিম একে সহীহ বলেছেন।” [৭০০]

[৭০০] আবু দাউদ ২৩৪২, দারেমী ১৬৯১

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫৫

وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا: أَنَّ أَعْرَابِيًّا جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - فَقَالَ: إِنِّي رَأَيْتُ الْهِلَالَ, فَقَالَ: «أَتَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ?» قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: «أَتَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ» قَالَ: نَعَمْ. قَالَ: «فَأَذِّنْ فِي النَّاسِ يَا بِلَالُ أَنْ يَصُومُوا غَدًا». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ حِبَّانَ وَرَجَّحَ النَّسَائِيُّ إِرْسَالَهُ

বর্ণনাকারী ইবনু আব্বাস (রাঃ)

কোন একজন অশিক্ষিত গ্রাম্য লোক নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে এসে বললো, আমি চাঁদ দেখেছি। তিনি বললেন, তুমি কি এ সত্যের সাক্ষ্য দাও যে আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই-সে বললো, হা। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন-তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল। লোকটা বললো, হা। অতঃপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, হে বিলাল! আগামী কাল সাওম পালনের নির্দেশটি লোকেদের মাঝে ঘোষণা করে দাও। -ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু হিব্বান একে সহীহ বলেছেন। নাসায়ী এর মুরসাল হওয়াকে অধিকতর প্রাধান্য দিয়েছেন।” [৭০১]

[৭০১] আবু দাউদ ২৩৪১, তিরমিযী ৬৯১, নাসায়ী ২১১২, ২১১৩, ইবনু মাজাহ ১৬৫২, ১৬৯২। সাম্মাক বিন হারব ইকরামা থেকে, তিনি ইবনু আব্বাস থেকে এটি বর্ণনা করেছেন। সাম্মাক ইকরামা থেকে বর্ণনার সময় এলোমেলো করে বর্ণনা করেছেন। তিনি কখনও মারফু’ আবার কখনও মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন। শাইখ সুমাইর আয যুহাইর বলেন, মুসনাদে আমি এ হাদীসটি পাইনি।

৫/০. অধ্যায়ঃ

সাওমের নিয়্যাত অপরিহার্য

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫৬

وَعَنْ حَفْصَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا, عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «مَنْ لَمْ يُبَيِّتِ الصِّيَامَ قَبْلَ الْفَجْرِ فَلَا صِيَامَ لَهُ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَمَالَ النَّسَائِيُّ وَالتِّرْمِذِيُّ إِلَى تَرْجِيحِ وَقْفِهِ, وَصَحَّحَهُ مَرْفُوعًا ابْنُ خُزَيْمَةَ وَابْنُ حِبَّانَوَلِلدَّارَقُطْنِيِّ: لَا صِيَامَ لِمَنْ لَمْ يَفْرِضْهُ مِنَ اللَّيْلِ

বর্ণনাকারী হাফসা (রাঃ)

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত থাকতে ফরজ রোযার নিয়াত করলো না তার রোযা হয়নি। -তিরমিয়ী ও নাসায়ী এর মাওকুফ হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু হিব্বান এর মারফু হওয়াকে সঠিক বলেছেন।আর দারাকুৎনীর মধ্যে আছে- "তার সাওম হবে না যে রাতের বেলাতেই (ফরজ) সাওম পালন ঠিক (নিয়্যাত) না করবে।" [৭০২]

৭০২] আবু দাউদ ২৪৫৪, তিরমিযী ২৭৩০, নাসায়ী ২২৩১, ২২৩২, ২২৩৪, ইবনু মাজাহ ১৭০০, আহমাদ ২৫৯১৮, মুওয়াত্তা মালেক ৬২৭, দারেমী ৬৯৮

৫/০. অধ্যায়ঃ

দিনের বেলায় নফল সাওমের নিয়্যাত এবং ভঙ্গ করার বিধান

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫৭

وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - ذَاتَ يَوْمٍ، فَقَالَ: «هَلْ عِنْدَكُمْ شَيْءٌ?» قُلْنَا: لَا. قَالَ: «فَإِنِّي إِذًا صَائِمٌ»، ثُمَّ أَتَانَا يَوْمًا آخَرَ, فَقُلْنَا: أُهْدِيَ لَنَا حَيْسٌ, فَقَالَ: «أَرِينِيهِ, فَلَقَدْ أَصْبَحْتُ صَائِمًا»، فَأَكَلَ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ

বর্ণনাকারী আয়িশা (রাঃ)

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা আমার নিকট এসে বললেন তোমার নিকট কোন খাবার আছে? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে আমি এখন সায়িম (সাওম পালনকারী)। তারপর অন্য একদিন তিনি আমাদের নিকট আসলে আমরা বললাম, আমাদের জন্য হায়স উপটৌকন হিসেবে পাঠানো হয়েছে। তিনি বললেন, তা আমাকে দেখাও, আমি কিন্তু (নফল) সায়িম (রোযাদার) হিসেবে সকাল করেছি, তারপর তিনি খাদ্য গ্রহণ করলেন।" [৭০৩]

[৭০৩] মুসলিম ১১৫৪, নাসায়ী ২২২২, ২৩২৩, ২৩২৮, আবূ দাউদ ২৪৫৫. আহমাদ ২৫২০৩

৫/০. অধ্যায়ঃ

সময় হওয়ার সাথে সাথেই তাড়াতাড়ি ইফতার করা মুস্তাহাব

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫৮

وَعَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

বর্ণনাকারী সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ)

আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ লোকেরা যতদিন শীঘ্ৰ ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের উপর থাকবে। [৭০৪]

[৭০৪] বুখারী ১৯৫৭, মুসলিম ১০৯৮, তিরমিয়ী ৬৯৯, ইবনু মাজাহ ১৬৯৭, আহমাদ ২২৩৬৩, ২২৩৫২, মুওয়াত্তা মালেক ৬২৮

বুলুগুল মারাম

হাদিস নং ৬৫৯

وَلِلتِّرْمِذِيِّ: مِنْ حَدِيثِ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ - صلى الله عليه وسلم - قَالَ: «قَالَ اللَّهُ - عز وجل - أَحَبُّ عِبَادِي إِلَيَّ أَعْجَلُهُمْ فِطْرًا

বর্ণনাকারী আবু হুরাইরা (রাঃ)

"নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, মহান আল্লাহ তা'আলা বলেছেন- আমার বান্দাদের মধ্যে আমার নিকট সর্বাপেক্ষা প্রিয় তারা যারা শীঘ্ৰ ইফতার করে। [৭০৫]

[৭০৫] তিরমিয়ী ৭০০, আবু দাউদ ৮১৬০। আলবানী যঈফুত তারগীব (৬৪৯) বলেন, দুর্বল। আলবানী যঈফুল জামি' (৪০৪১) গ্রন্থে বলেন, দুর্বল। আলবানী সহীহ ইবনু খুযাইম (২০৬২) গ্রন্থে বলেছেন, তার সানাদ যঈফ। আলবানী যঈফ তিরমিয়ীতে (৭০০) বলেছেন, দুর্বল। আহমদ শাকির মুসনাদ আহমাদ (১২/২৩২) গ্রন্থে বলেছেন, তার সানাদ সহীহ। যাহাবী মিযানুল ইতিদাল (৪/১১০) গ্রছে বলেন, এর সনদে মাসলামা বিন আলী রয়েছে যিনি দুর্বল।

সেটিংস
আরবি ফন্ট ফেস
আরবি ফন্ট সাইজ

32

অনুবাদের ফন্ট সাইজ

18