জাহমিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ
৯৭/৩১. অধ্যায়ঃ
আল্লাহর ইচ্ছা ও চাওয়া।
সহিহ বুখারী
يَحْيَى بْنُ قَزَعَةَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ وَالأَعْرَجِ ح و حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنِي أَخِي عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَتِيقٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ اسْتَبَّ رَجُلٌ مِنْ الْمُسْلِمِينَ وَرَجُلٌ مِنْ الْيَهُودِ فَقَالَ الْمُسْلِمُ وَالَّذِي اصْطَفَى مُحَمَّدًا عَلَى الْعَالَمِينَ فِي قَسَمٍ يُقْسِمُ بِهِ فَقَالَ الْيَهُودِيُّ وَالَّذِي اصْطَفَى مُوسَى عَلَى الْعَالَمِينَ فَرَفَعَ الْمُسْلِمُ يَدَهُ عِنْدَ ذَلِكَ فَلَطَمَ الْيَهُودِيَّ فَذَهَبَ الْيَهُودِيُّ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ بِالَّذِي كَانَ مِنْ أَمْرِهِ وَأَمْرِ الْمُسْلِمِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ تُخَيِّرُونِي عَلَى مُوسَى فَإِنَّ النَّاسَ يَصْعَقُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَأَكُونُ أَوَّلَ مَنْ يُفِيقُ فَإِذَا مُوسَى بَاطِشٌ بِجَانِبِ الْعَرْشِ فَلاَ أَدْرِي أَكَانَ فِيمَنْ صَعِقَ فَأَفَاقَ قَبْلِي أَوْ كَانَ مِمَّنْ اسْتَثْنَى اللهُ
বর্ণনাকারী আবূ হুরায়রা (রাঃ)
একবার একজন মুসলিম ও একজন ইহুদি পরস্পর গালাগালি করল। মুসলিম লোকটি বলল, সে মহান সত্তার কসম! যিনি জগতসমূহের ওপর মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে মনোনীত করেছেন। এরপর ইহুদিটিও বলল, সে মহান সত্তার কসম! যিনি জগতসমূহের ওপর মূসা (আঃ)-কে মনোনীত করেছেন। এরপরই মুসলিম লোকটি হাত উঠিয়ে ইহুদিকে চড় মারল। তখন ইহুদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গেল এবং তার ও মুসলিম লোকটির মধ্যে যা ঘটেছে তা জানাল।তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তোমরা আমাকে মূসার উপর প্রাধান্য দিও না। কেননা, সব মানুষ (শিঙায় ফুঁ দিলে) অজ্ঞান হয়ে যাবে। তখন সর্বপ্রথম আমি জ্ঞান ফিরে পাব। পেয়েই দেখব, মূসা (আঃ) আরশের একপাশ ধরে আছেন। অতএব আমি জানি না, তিনি কি অজ্ঞান হয়ে আমার আগেই জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন, নাকি তিনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত, যাদেরকে আল্লাহ অজ্ঞান হওয়া থেকে মুক্ত রেখেছেন।
আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৪